৩০ হাজারের বেশি মালয়েশিয়ান অস্ট্রেলিয়াতে অবৈধ। কেউ কেউ নিজেদের শরনার্থী দাবি করছে।
![]() |
| Malaysians illegal in Australia Some refugees |
উন্নত ও অত্যাধুনিক জীবন সন্ধানের কারণেই ৩০,০০০ এর বেশি মালয়েশিয়ান নাগরিক অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে অবৈধভাবে বসবাস করছে। কেউ কেউ নিজেদের শরনার্থী দাবি করছে, সংসদে বলা হয়।
"অন্যান্য দেশের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। তবে তারা শরণার্থী হিসাবে বিবেচিত করা হয়না।
দাতুক মোহাম্মদ সেলিম মোহাম্মদ শরীফ (বিএন-জেমপোল) দ্বারা উত্থাপিত এক পরিপূরক প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী দাতুক মারজুকি ইয়াহিয়া বলেছিলেন, "কেউ কেউ অস্ট্রেলিয়া বা অন্য কোথাও উন্নত জীবন খোঁজার ব্যক্তিগত কারণে এই শরণার্থী মর্যাদার দাবি করেন।"
মোহাম্মদ সেলিম দাবি করেছেন যে মালয়েশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনার অ্যান্ড্রু গোল্ডজিনোভস্কি সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন যে প্রায় ৩৩,০০০ মালয়েশিয়ার তাদের 90 দিনের ভিসা ছাড়িয়ে গেছে এবং কিছু কিছু শরনার্থী মর্যাদা দাবী করছেন।
"তিনি (গোল্ডজিনোভস্কি) আরও বলেছিলেন যে অস্ট্রেলিয়ান সরকার এই বছরের জুলাই থেকে এপ্রিলের মধ্যে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে সুরক্ষা ভিসার জন্য ৪,৯৭৩ টি আবেদন পেয়েছিল,"
মারজুকি বলেছেন, উইসমা পুত্রা তাদের অস্ট্রেলিয়ান সহযোগীদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন মালয়েশিয়ানদের শরণার্থীর অবস্থান বা সুরক্ষা ভিসার আবেদন পর্যালোচনা করার জন্য।
তিনি আরও বলেন যে, "অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ মালয়েশিয়ান নাগরিকরা অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে যে ভিসা আবেদন করে তা ভালোভাবে পরীক্ষা করার জন্য তাদের তাদের হাইকমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আর্থার জোসেফ কুরুপের (পিবিআরএস-পেনসিয়ানগান) এক প্রশ্নের জবাবে মার্জুকি মালয়েশিয়ানদের বিদেশে চাকরির অফার নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ানদের বিশেষত যুবকদের বিদেশে অবৈধ অভিবাসী হিসাবে অবস্থান করা রোধ করতেই এসব কথা বলেন।
তিনি মালয়েশিয়ানদের বিদেশ ভ্রমন করার পরামর্শ দেন তবে তারা যেন সেদেশের আইন মেনে চলে এবং ভিজিট ভিসায় গিয়ে অবৈধ হয়ে না যায়। তারা যেন ভিসা শেষ হওয়ার আগে মালয়েশিয়ায় ফিরে আসে।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ানরা পড়াশোনার জন্য, চাকরির জন্য এবং বিদেশে অবস্থান করতে চাইলে
তিনি বলেন যে, মালয়েশিয়ানদের এই ধরনের কার্যকলাপ অন্যান্য সাধারণ নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমন, পড়াশোনা ও বিদেশে অবস্থান করার ক্ষেত্রে আরও হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে।
সুত্রঃ দি স্টার অনলাইন


No comments