অবশেষে মালয়েশিয়াতে ১২ জন বাংলাদেশী আক্রান্তের খবর প্রকাশ, মোট ৪১৬ জন অভিবাসী আক্রান্ত।
আজ ৯ই এপ্রিল মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক প্রতিদিনের মত কোভিড-১৯ এর বিস্তারিত আপডেট নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সাংবাদিকদের সামনে।
প্রতিদিনের আক্রান্তের খবর প্রকাশ করা হলেও কোন দেশের কত জন অভিবাসী কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন সেই বিষয়ে কখনো প্রকাশ করেননি। স্বভাবতই সবাই ধারণা করেছিল যে সব আক্রান্তই মালয়েশিয়ার নাগরিক। কিন্তু আজ অবশেষে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক কোন দেশে কত জন আক্রান্ত হয়েছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।
আজ মালয়েশিয়াতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১০৯ জনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২২৮ জনে পৌঁছেছে যেখানে ৪১৬ জন বিভিন দেশের নাগরিক ও অভিবাসী কর্মী। আর অভিবাসী ৪১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন বাংলাদেশী। যা অঅত্যন্ত হতাশজনক ও কষ্টদায়ক হয়ে দাড়িয়েছে বাংলাদেশীদের মনে। নিম্নে কোন দেশের কত জন আক্রান্ত হয়েছেন তা তুলে ধরা হলঃ-
ইন্দোনেশিয়া ৫১ জন, ইন্ডিয়া ৩৭ জন, মায়ানমার ৩১ জন, পাকিস্তান ২৯ জন, ফিলিপাইন ২৭ জন, চীন ২৫, বাংলাদেশ ১২ জন, কম্বোডিয়া ৮ জন, থাইল্যান্ড ৭ জন, ব্রুনেই ৬ জন, রোহিঙ্গা ৫ জন, ফিজি ৪ জন, বাকিদের সংখ্যা ছবির মধ্যেই দেয়া আছে।
বিদেশি আক্রান্তদের মধ্যে ১৫১ জনের নাগরিক পরিচয় হিসেবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টিম ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সদস্যগন বাকিদের পরিচয় বের করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিক ও বিভিন্ন দেশের বিভিন ভিসায় অবস্থানকারীদের আক্রান্ত সঠিক তথ্য খুজে বের করা হচ্ছে। আক্রান্ত হওয়ার পর কোথায় গিয়েছে, কাদের সাথে মিশেছে সম্পুর্ন তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সকল
অভিবাসী কর্মীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব অভিবাসীদের মধ্যে কে কখন আক্রান্ত হয়েছেন সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক। তবে আক্রান্তদের নিজ দেশে হাইকমিশন গুলোতে যোগাযোগ ও সকল তথ্য প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে এখনো পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ১২ জন বাংলাদেশী পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা যাচ্ছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বৃহত্তর পাইকারি বাজার সেলায়াংয়ে বাংলাদেশী আক্রান্ত হতে পারে কারণ এর আগে সেখান থেকে প্রায় ৪০০ জন বিদেশী শ্রমিকদের প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে বাংলাদেশী সহ ১০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল।
প্রতিদিনের আক্রান্তের খবর প্রকাশ করা হলেও কোন দেশের কত জন অভিবাসী কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন সেই বিষয়ে কখনো প্রকাশ করেননি। স্বভাবতই সবাই ধারণা করেছিল যে সব আক্রান্তই মালয়েশিয়ার নাগরিক। কিন্তু আজ অবশেষে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক কোন দেশে কত জন আক্রান্ত হয়েছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।
আজ মালয়েশিয়াতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১০৯ জনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২২৮ জনে পৌঁছেছে যেখানে ৪১৬ জন বিভিন দেশের নাগরিক ও অভিবাসী কর্মী। আর অভিবাসী ৪১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন বাংলাদেশী। যা অঅত্যন্ত হতাশজনক ও কষ্টদায়ক হয়ে দাড়িয়েছে বাংলাদেশীদের মনে। নিম্নে কোন দেশের কত জন আক্রান্ত হয়েছেন তা তুলে ধরা হলঃ-
ইন্দোনেশিয়া ৫১ জন, ইন্ডিয়া ৩৭ জন, মায়ানমার ৩১ জন, পাকিস্তান ২৯ জন, ফিলিপাইন ২৭ জন, চীন ২৫, বাংলাদেশ ১২ জন, কম্বোডিয়া ৮ জন, থাইল্যান্ড ৭ জন, ব্রুনেই ৬ জন, রোহিঙ্গা ৫ জন, ফিজি ৪ জন, বাকিদের সংখ্যা ছবির মধ্যেই দেয়া আছে।
![]() |
| Photo: astro awani |
বিদেশি আক্রান্তদের মধ্যে ১৫১ জনের নাগরিক পরিচয় হিসেবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টিম ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সদস্যগন বাকিদের পরিচয় বের করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিক ও বিভিন্ন দেশের বিভিন ভিসায় অবস্থানকারীদের আক্রান্ত সঠিক তথ্য খুজে বের করা হচ্ছে। আক্রান্ত হওয়ার পর কোথায় গিয়েছে, কাদের সাথে মিশেছে সম্পুর্ন তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সকল
অভিবাসী কর্মীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব অভিবাসীদের মধ্যে কে কখন আক্রান্ত হয়েছেন সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক। তবে আক্রান্তদের নিজ দেশে হাইকমিশন গুলোতে যোগাযোগ ও সকল তথ্য প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে এখনো পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ১২ জন বাংলাদেশী পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা যাচ্ছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বৃহত্তর পাইকারি বাজার সেলায়াংয়ে বাংলাদেশী আক্রান্ত হতে পারে কারণ এর আগে সেখান থেকে প্রায় ৪০০ জন বিদেশী শ্রমিকদের প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে বাংলাদেশী সহ ১০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল।



No comments