বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনের সেই শ্রমিকদের প্রত্যেককে ৭০০ রিঙ্গিত এবং ১ মাসের জেল দিয়েছে আদালত।
গত ২৭শে মার্চ দুপুরে মালয়েশিয়ার জোহর প্রদেশের মুয়ার জেলার একটি কারখানার ফ্লোরে একদল বিদেশি শ্রমিক দেশের চলমান লকডাউন আইন ভঙ্গ করার পর তাদের গ্রেফতার করার পর গতকাল (৭ই এপ্রিল) আদালতে হাজির করা হয়।
ঘটনার দিন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়াসহ ১১৬ জন বিদেশি শ্রমিক মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার লঙ্ঘন করে জুমার নামাজ আদায় করার জন্য গনজমায়েত সৃষ্টি করার দায়ে আটক হয়েছিল।
সকল শ্রমিকদের দোষী সাব্যস্ত করে ম্যাজিস্ট্রেট জুরাইদাহ আবু বকর ২০-২৫ বয়সী প্রত্যেককে ৭০০ রিঙ্গিত করে জরিমানা ও ১ মাসের কারাদণ্ড দন্ডিত করেছে। পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে, তাদের সবাইকে গত ২৭শে মার্চ দুপুর দেড়টায় মুয়ারের জেরাম রোডের একটি কারখানায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের তোয়াক্কা না করে গনজমায়েত সৃষ্টি করে নামাজ পড়তে দেখা গেছে।
তাদের সকলের উপর সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নিয়ন্ত্রণ 3 (2) এর অধীনে চার্জ গঠন করা হয়েছিল যা সর্বোচ্চ ১ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা অথবা ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে আদালত সকল মানবিক ও ধর্মীয় অনুভূতি বিবেচনা করে সর্বনিম্ন সাজা প্রদান করেছে যেখানে একই অপরাধে মালয়েশিয়ার নাগরিকদের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেছে।
ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর রাশিদাহ মুরনী আজমি ও নুর সায়িমিম ফাতেহা মোহাম্মদ আমিন আদালতে মামলাটি আইনজীবী হিসেবে প্রসিকিউট করেছিল। বিচারকার্য শুরু হওয়ার আগে তাদের সবাইকে সকাল ১১ টায় মুখে মাস্ক পড়িয়ে আদালত আঙিনায় দাঁড় করানো হয়েছিল।
মালয়েশিয়ার অন্যতম গণমাধ্যম ডেইলি মেট্রোর খবরে বলা হয়েছে যে জোহর পুলিশ প্রধান দাতুক আইয়ব খান মাযইডিন পিচ্চার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে চেকপোস্টে সদস্য পাঠানোর আগে যারা একসাথে জড়ো হয়েছিল তাদের বিদেশি শ্রমিকদের এই কর্মের বিষয়ে স্থানীয় জনগণ সাবধান করে দিয়ে পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে সবাইকে গ্রেফতার করে।
ঘটনার দিন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়াসহ ১১৬ জন বিদেশি শ্রমিক মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার লঙ্ঘন করে জুমার নামাজ আদায় করার জন্য গনজমায়েত সৃষ্টি করার দায়ে আটক হয়েছিল।
সকল শ্রমিকদের দোষী সাব্যস্ত করে ম্যাজিস্ট্রেট জুরাইদাহ আবু বকর ২০-২৫ বয়সী প্রত্যেককে ৭০০ রিঙ্গিত করে জরিমানা ও ১ মাসের কারাদণ্ড দন্ডিত করেছে। পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে, তাদের সবাইকে গত ২৭শে মার্চ দুপুর দেড়টায় মুয়ারের জেরাম রোডের একটি কারখানায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের তোয়াক্কা না করে গনজমায়েত সৃষ্টি করে নামাজ পড়তে দেখা গেছে।
তাদের সকলের উপর সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নিয়ন্ত্রণ 3 (2) এর অধীনে চার্জ গঠন করা হয়েছিল যা সর্বোচ্চ ১ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা অথবা ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে আদালত সকল মানবিক ও ধর্মীয় অনুভূতি বিবেচনা করে সর্বনিম্ন সাজা প্রদান করেছে যেখানে একই অপরাধে মালয়েশিয়ার নাগরিকদের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেছে।
ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর রাশিদাহ মুরনী আজমি ও নুর সায়িমিম ফাতেহা মোহাম্মদ আমিন আদালতে মামলাটি আইনজীবী হিসেবে প্রসিকিউট করেছিল। বিচারকার্য শুরু হওয়ার আগে তাদের সবাইকে সকাল ১১ টায় মুখে মাস্ক পড়িয়ে আদালত আঙিনায় দাঁড় করানো হয়েছিল।
মালয়েশিয়ার অন্যতম গণমাধ্যম ডেইলি মেট্রোর খবরে বলা হয়েছে যে জোহর পুলিশ প্রধান দাতুক আইয়ব খান মাযইডিন পিচ্চার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে চেকপোস্টে সদস্য পাঠানোর আগে যারা একসাথে জড়ো হয়েছিল তাদের বিদেশি শ্রমিকদের এই কর্মের বিষয়ে স্থানীয় জনগণ সাবধান করে দিয়ে পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে সবাইকে গ্রেফতার করে।


No comments