মালয়েশিয়া ৪ হাজার অতিক্রম করেছে আক্রান্তের সংখ্যা, কয়েকটি গ্রুপের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর আশংকা
মালয়েশিয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হওয়ার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে ৪১১৬ জনে পৌঁছেছে। এদিকে নতুন করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা যেন কমছেইনা। সাথে সাথে প্রতিদিনই আসছে আসছে সুস্থতার খবর যা মালয়েশিয়ায় বসবাসরত নাগরিকদের মনে এই রোগ প্রতিরোধের সাহস যুগিয়েছে। এদিকে সারা বিশ্বে দিন দিন এমন অবস্থা হচ্ছে যে কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতি আরও
ভয়ানক পর্যায়ে চলে গেছে। তবে মালয়েশিয়ার হাসপাতালগুলোতে রোগীর চিকিৎসা ও করোনা টেস্ট করতে হিমশিম অবস্থায় থাকলেও তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং এখনো পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিকিৎসা সেবার কোন ত্রুটির রাখা হয়নি তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি হবেনা এবং ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ হাজার রোগী চিকিৎসা দেয়ার অগ্রিম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ (৮ই এপ্রিল বুুধবার) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে নতুন আরও ১৫৬জন
করোনায় আক্রান্ত হয়েছে যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই পর্যন্ত ৪১১৯ জনে এসে পৌঁছেছে। আজ আরও বেশ কিছু করোনা টেস্ট করা হয়েছে যার ফলাফল এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, আজও ২ জন মৃত্যু খবর প্রকাশ
করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ৬৫ জন কোভিড-১৯ এ মহামারি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এদিকে আজ দুপুর পর্যন্ত ১৬৬ জন সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত মোট ১৪৮৭ জন সুস্থ হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন সুস্থ হচ্ছেন যাদেরকে ২-৩ দিনের মধ্যেই রিলিজ দেয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন ২৬২৯ জন।
মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত চেষ্টা করে যাচ্ছেন মালয়েশিয়াকে একটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে। তবে দিন দিন নতুন নতুন গ্রুপ আকারে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক। কঠোর ভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। কোথাও কোন ক্লাস্টার বা আক্রান্ত হওয়ার গ্রুপ আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে জানলেই প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
আরও নিউজ পড়ুন👇
👇
শুক্রবার (১০ এপ্রিল), মালয়েশিয়াতে আবারও লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানাবে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন
👇
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশী, ভারত ও পাকিস্তানীসহ প্রায় ৬ হাজার নাগরিক ঐ ২টি ভবনে আটকা পড়েছেন।
👇
মালয়েশিয়ার বড় কোম্পানিগুলো এগিয়ে আসছে, প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন আরও ৪০ লক্ষ রিঙ্গিত অনুদান পেয়েছেন।
এখনো পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ৬৯ জনের করোনা আক্রান্তের উৎস ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে অর্থাৎ এই ৬৯ জন করোনায় কোথায় আক্রান্ত হয়েছে কার সাথে চলাফেরা করেছে এবং কোথায় কোথায় ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করতে পারে সেই রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও তিনি আরও একটি
ক্লাসটারের কথা উল্লেখ করে যেটি হল ইতালি থেকে আসা ১ জন নাগরিকের মাধ্যমে বেশ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও আরও অনেক আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে তিনি উড়িয়ে না দেয়ার বিষয়ে সাবধান করেন। মূলত দেশের চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ৩য় মেয়াদে লকডাউন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিবে সরকার।
ভয়ানক পর্যায়ে চলে গেছে। তবে মালয়েশিয়ার হাসপাতালগুলোতে রোগীর চিকিৎসা ও করোনা টেস্ট করতে হিমশিম অবস্থায় থাকলেও তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং এখনো পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিকিৎসা সেবার কোন ত্রুটির রাখা হয়নি তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি হবেনা এবং ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ হাজার রোগী চিকিৎসা দেয়ার অগ্রিম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ (৮ই এপ্রিল বুুধবার) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে নতুন আরও ১৫৬জন
করোনায় আক্রান্ত হয়েছে যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই পর্যন্ত ৪১১৯ জনে এসে পৌঁছেছে। আজ আরও বেশ কিছু করোনা টেস্ট করা হয়েছে যার ফলাফল এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, আজও ২ জন মৃত্যু খবর প্রকাশ
করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ৬৫ জন কোভিড-১৯ এ মহামারি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এদিকে আজ দুপুর পর্যন্ত ১৬৬ জন সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত মোট ১৪৮৭ জন সুস্থ হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন সুস্থ হচ্ছেন যাদেরকে ২-৩ দিনের মধ্যেই রিলিজ দেয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন ২৬২৯ জন।
মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত চেষ্টা করে যাচ্ছেন মালয়েশিয়াকে একটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে। তবে দিন দিন নতুন নতুন গ্রুপ আকারে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক। কঠোর ভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। কোথাও কোন ক্লাস্টার বা আক্রান্ত হওয়ার গ্রুপ আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে জানলেই প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
আরও নিউজ পড়ুন👇
👇
শুক্রবার (১০ এপ্রিল), মালয়েশিয়াতে আবারও লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানাবে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন
👇
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশী, ভারত ও পাকিস্তানীসহ প্রায় ৬ হাজার নাগরিক ঐ ২টি ভবনে আটকা পড়েছেন।
👇
মালয়েশিয়ার বড় কোম্পানিগুলো এগিয়ে আসছে, প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন আরও ৪০ লক্ষ রিঙ্গিত অনুদান পেয়েছেন।
এখনো পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ৬৯ জনের করোনা আক্রান্তের উৎস ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে অর্থাৎ এই ৬৯ জন করোনায় কোথায় আক্রান্ত হয়েছে কার সাথে চলাফেরা করেছে এবং কোথায় কোথায় ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করতে পারে সেই রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও তিনি আরও একটি
ক্লাসটারের কথা উল্লেখ করে যেটি হল ইতালি থেকে আসা ১ জন নাগরিকের মাধ্যমে বেশ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও আরও অনেক আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে তিনি উড়িয়ে না দেয়ার বিষয়ে সাবধান করেন। মূলত দেশের চলমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ৩য় মেয়াদে লকডাউন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিবে সরকার।


No comments