মালয়েশিয়ায় এখন থেকে গ্রেফতারের পর আদালতে না পাঠিয়ে জরিমানা আদায় করবে পুলিশ। বিস্তারিত...

মালয়েশিয়ার পুলিশ গতকাল ৮ এপ্রিল (বুধবার) থেকে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এম'সি'ও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ লঙ্ঘনকারীদের গ্রেফতারের পরেই থানায় নিয়ে জরিমানা আদায় করা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বুকিত আমান পুলিশের ইন্টারনাল সিকিউরিটি এন্ড পাবলিক অর্ডার ডিরেক্টর  দাতুশ্রী অ্যাক্রিল সানী আবদুল্লাহ সানী।


গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা আজ (৮ এপ্রিল) থেকে ১ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা আদায় করা নিয়ে কম্পাউন্ড নোটিশ জারি করবো। গত সপ্তাহের কম্পাউন্ড নোটিশ করার জন্য আমরা সকল ফর্ম এবং দরকারী কাগজপত্র বা ডকুমেন্টেশন পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, রোডব্লকগুলোতে কম্পাউন্ড বা জরিমানা আদায় করা হবেনা তবে এমসিও লঙ্ঘনকারীদের নিকটস্থ থানা বা জেলা পুলিশ সদর দফতরে আনা হবে এবং

 সেখানে তা জারি করা হবে। আইন লঙ্ঘনকারীরা কম্পাউন্ড বা জরিমানা পরিশোধে ব্যার্থ হলে তাদের আদালতে পরবর্তী বিচারিক কার্যের জন্য পাঠানো হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যেকোনো কার্যালয়ে জরিমানা জমা দিয়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
তিনি সাবধান করে দিয়ে বলেন, এই আদেশটি হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই, কারণ এই আইন লঙ্ঘন করলে ১ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। তবে কোন লোক যদি একবার

আরও খবর পড়ুন👇
👇
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনের সেই শ্রমিকদের প্রত্যেককে ৭০০ রিঙ্গিত এবং ১ মাসের জেল দিয়েছে আদালত।
👇
সিঙ্গাপুরে আরও বেড়ে গেছে বাংলাদেশী আক্রান্তের সংখ্যা, আজ আরও ৫৫ জন সহ ২৪৪ জন আক্রান্ত।
👇
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশী, ভারত ও পাকিস্তানীসহ প্রায় ৬ হাজার নাগরিক ঐ ২টি ভবনে আটকা পড়েছেন।


জরিমানা দেয়ার পর ২য়বার আবারও একই আইন লঙ্ঘন করে তবে তাকে অবশ্যই আর ছাড় দেয়া হবেনা।  আদালতে প্রেরন করে সর্বোচ্চ জেল জরিমানা ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে যা মালয়েশিয়ার সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ আইন ১৯৮৮ এর বিধান অনুযায়ী করা হবে। সুতরাং লোকজনকে দেশের এই আইন মেনে চলতে হবে।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এই জরিমানার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এম'সি'ও কার্যকর করার ২য় মেয়াদে পুলিশ কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ফলে প্রচুর সংখ্যক গ্রেফতার হওয়ায় আদালত প্রাঙ্গণ অনিরাপদ ও জেলে থাকা বাকি কয়েদিদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে, কোভিড-১৯ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন বিষয়ে বিভিন্ন এনজিও সংস্থাগুলো গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানোর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করেছিলেন। তাই বর্তমানে আইন লংঘনকারীদের গ্রেফতার করে জেলে না পাঠিয়ে পুলিশের হাতে প্রাথমিক বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে যাতে করে অপরাধীরা জরিমানা দিয়ে কারাদণ্ড থেকে বাঁচতে পারে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.