কুয়ালালামপুরের কনস্ট্রাকশন সাইটে করোনার নমুনা নেয়ার পর ১৪৫ জন শ্রমিক পালিয়ে গেছে৷ ১১ জন গ্রেফতার।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের আমপাং এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে থাকার পর সন্দেহজনকভাবে কুয়ালালামপুরের একটি নির্মাণ প্রজেক্টে কর্মরত একদল নির্মাণ শ্রমিকের সয়াব টেস্ট নেয়ার পর বেশ কিছু শ্রমিক ওই নির্মাণ প্রোজেক্ট থেকে পালিয়ে গেছে।
মালয়েশিয়ার অন্যতম গণমাধ্যম ফ্রি মালেশিয়া টুডে'র একটি প্রতিবেদনে দেখা যায় প্রায় 145 জন কর্মী ওই স্থান থেকে পালিয়ে গিয়েছে। ঘনিষ্ঠ একটি সুত্র থেকে এই সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। সূত্র আরও জানায় ওই কনস্ট্রাক্ট ওই নির্মাণ প্রজেক্টে যখন মেডিকেল কর্মীরা গিয়ে সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের করোনার উপস্থিতি পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করার পর পুলিশ পুলিশ এলাকাটি ঘেরাও করার সময় তারা পালিয়ে যায়।
পালিয়ে যাওয়া সকল কর্মীদের যাবতীয় তথ্য তাদের কাছে রয়েছে বলে জানানো হয় এবং তাদের করোনা টেস্টের ফল আজ পাওয়া যেতে পারে। এই ঘটনার পর পুলিশের নিকট একটি রিপোর্ট দায়ের করা হয় এবং এই ঘটনাটির সাথে জড়িত 11 জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে ওই এলাকার পুলিশের কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। প্যাভিলিয়ন এম্বাসি কনস্ট্রাকশন প্রজেক্টটিতে প্রায় 400 জনের মত নির্মাণ শ্রমিক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। প্রচুর সংখ্যক করোনা আক্রান্তের
সম্ভাবনা এলাকাটিতে বর্ধিত মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের (EMCO) মাধ্যমে গতকাল পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেছিল। সেখানে বেশিরভাগই বিদেশী কর্মী রয়েছে। মালয়েশিয়ার উপ-ফেডারেল টেরিটরিজ মন্ত্রী এডমন্ড সান্থারা বলেছিলেন যে, এখানে আক্রান্ত 28 জন কর্মীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল যাদের মধ্যে সবাই বিদেশি শ্রমিক এবং বাকিদের কে একটি হোটেলে কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছিল।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
তিনিও সংবাদমাধ্যমটি কে বলেছিলেন নির্মাণ প্রোজেক্ট এর পরিচালক এই বিষয়ে বিবৃতি জানানোর জন্য এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন কিন্তু কিন্তু তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। তিনি আরো বলেন আমি এই কনস্ট্রাকশন সংস্থাটির সহযোগিতামূলক আচরণের বিষয়ে খুবই হতাশ। পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য নির্মাণ শিল্প উন্নয়ন বোর্ডের সাথে বৈঠকের কথা বলা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া ওইসব শ্রমিকদের সম্পূর্ণ নথিপত্র বা তাদের ডকুমেন্ট সমূহ পাওয়া যায়নি।
মালয়েশিয়ার অন্যতম গণমাধ্যম ফ্রি মালেশিয়া টুডে'র একটি প্রতিবেদনে দেখা যায় প্রায় 145 জন কর্মী ওই স্থান থেকে পালিয়ে গিয়েছে। ঘনিষ্ঠ একটি সুত্র থেকে এই সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। সূত্র আরও জানায় ওই কনস্ট্রাক্ট ওই নির্মাণ প্রজেক্টে যখন মেডিকেল কর্মীরা গিয়ে সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের করোনার উপস্থিতি পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করার পর পুলিশ পুলিশ এলাকাটি ঘেরাও করার সময় তারা পালিয়ে যায়।
পালিয়ে যাওয়া সকল কর্মীদের যাবতীয় তথ্য তাদের কাছে রয়েছে বলে জানানো হয় এবং তাদের করোনা টেস্টের ফল আজ পাওয়া যেতে পারে। এই ঘটনার পর পুলিশের নিকট একটি রিপোর্ট দায়ের করা হয় এবং এই ঘটনাটির সাথে জড়িত 11 জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে ওই এলাকার পুলিশের কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। প্যাভিলিয়ন এম্বাসি কনস্ট্রাকশন প্রজেক্টটিতে প্রায় 400 জনের মত নির্মাণ শ্রমিক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। প্রচুর সংখ্যক করোনা আক্রান্তের
সম্ভাবনা এলাকাটিতে বর্ধিত মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের (EMCO) মাধ্যমে গতকাল পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেছিল। সেখানে বেশিরভাগই বিদেশী কর্মী রয়েছে। মালয়েশিয়ার উপ-ফেডারেল টেরিটরিজ মন্ত্রী এডমন্ড সান্থারা বলেছিলেন যে, এখানে আক্রান্ত 28 জন কর্মীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল যাদের মধ্যে সবাই বিদেশি শ্রমিক এবং বাকিদের কে একটি হোটেলে কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছিল।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
মালয়েশিয়ার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে অভিবাসী কন্ঠ পেইজের সাথেই থাকুন
https://www.facebook.com/ovibashi/
https://www.facebook.com/ovibashi/
তিনিও সংবাদমাধ্যমটি কে বলেছিলেন নির্মাণ প্রোজেক্ট এর পরিচালক এই বিষয়ে বিবৃতি জানানোর জন্য এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন কিন্তু কিন্তু তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। তিনি আরো বলেন আমি এই কনস্ট্রাকশন সংস্থাটির সহযোগিতামূলক আচরণের বিষয়ে খুবই হতাশ। পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য নির্মাণ শিল্প উন্নয়ন বোর্ডের সাথে বৈঠকের কথা বলা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া ওইসব শ্রমিকদের সম্পূর্ণ নথিপত্র বা তাদের ডকুমেন্ট সমূহ পাওয়া যায়নি।


No comments