বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
সাতজন বিদেশি কর্মী কুয়ালালামপুরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সোমবার (৪ মে) সকাল দশটার দিকে তাদের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা নিয়মানুযায়ী চিকিৎসা ও শরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গেলে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ঐ চিকিৎসা কেন্দ্র সূত্র জানায়,
যারা পালিয়ে গিয়েছিল তারা হলেন ইন্দোনেশিয়ান এবং বাংলাদেশী, যাদের জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার সেলায়াং ম্যানশন, সিটি ওয়ান প্লাজা ও কাম্পুং বারুতে কোভিড-১৯ এর টেস্ট করার পর আক্রান্ত রোগী হিসেবে তাদের চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। জানা যায়, তারা সেহেরির সময়ের কিছুক্ষণ আগে পালিয়ে যায়। দায়িত্বরত চিকিৎসকরা পুলিশ ও রেলা বাহিনীর সদস্যদের বিষয়টি জানালেও তারা তাদের
তাৎক্ষণিকভাবে খুঁজে বের করতে পারেনি। তবে তারা নিশ্চিত যে পালিয়ে যাওয়ার আগে নিরাপত্তা কাটা তারের বেড়া সরিয়ে পালিয়ে যায়। তবে এই ঘটনাটির আগেও গত ২রা মে একজন বাংলাদেশী করোনা রোগী একইভাবে পালিয়ে গিয়েছিল।
যারা পালিয়ে গেছে তারা এখনো করোনা পজিটিভ রোগী ছিল এবং তাদেরকে আলাদাভাবে থাকতে দেয়া হয়েছিল।
কুয়ালালামপুরের পুলিশ প্রধান দাতু সেরি মাজলান লাজিম এই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি তবে বিষয়টি জাতীয় বিপর্যয় পরিচালনা এজেন্সি (নাদমা) এর নিকট প্রেরণ করেছেন, যারা দেশের সকল কোয়ারেনটাইন ও অস্থায়ী কোভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোর দায়িত্বে রয়েছেন।
করোনা আক্রান্ত এসব বাংলাদেশী রোগীর পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশী অভিবাসীদের উপর একটি ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করছেন সেখানে থাকা অভিবাসী বাংলাদেশীরা। পালিয়ে যাওয়া করোনা রোগীদের উপস্থিতি ও তাদের সংস্পর্শ থেকে সাবধান থাকা পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যেসব রোগী পালিয়ে গেছে তারা কোনো না কোনো ভাবেই যে কোনো বাংলাদেশীর বাসায় আশ্রয় নিতে চাইবে।
সুতরাং উল্লেখিত ৩ টি অঞ্চলে বসবাসকারী লোকজনকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেয়াটাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। ইতিপূর্বে পেতালিং জায়ার তাবলীগ জামাত থেকে কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশীর পালিয়ে যাওয়ার কারণে সেলায়াং পাইকারি বাজারে কোভিড-১৯ এর ক্লাস্টার সৃষ্টি হয়েছিল যা বর্তমানে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে এনেছে।
যারা পালিয়ে গিয়েছিল তারা হলেন ইন্দোনেশিয়ান এবং বাংলাদেশী, যাদের জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার সেলায়াং ম্যানশন, সিটি ওয়ান প্লাজা ও কাম্পুং বারুতে কোভিড-১৯ এর টেস্ট করার পর আক্রান্ত রোগী হিসেবে তাদের চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। জানা যায়, তারা সেহেরির সময়ের কিছুক্ষণ আগে পালিয়ে যায়। দায়িত্বরত চিকিৎসকরা পুলিশ ও রেলা বাহিনীর সদস্যদের বিষয়টি জানালেও তারা তাদের
তাৎক্ষণিকভাবে খুঁজে বের করতে পারেনি। তবে তারা নিশ্চিত যে পালিয়ে যাওয়ার আগে নিরাপত্তা কাটা তারের বেড়া সরিয়ে পালিয়ে যায়। তবে এই ঘটনাটির আগেও গত ২রা মে একজন বাংলাদেশী করোনা রোগী একইভাবে পালিয়ে গিয়েছিল।
যারা পালিয়ে গেছে তারা এখনো করোনা পজিটিভ রোগী ছিল এবং তাদেরকে আলাদাভাবে থাকতে দেয়া হয়েছিল।
কুয়ালালামপুরের পুলিশ প্রধান দাতু সেরি মাজলান লাজিম এই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি তবে বিষয়টি জাতীয় বিপর্যয় পরিচালনা এজেন্সি (নাদমা) এর নিকট প্রেরণ করেছেন, যারা দেশের সকল কোয়ারেনটাইন ও অস্থায়ী কোভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোর দায়িত্বে রয়েছেন।
করোনা আক্রান্ত এসব বাংলাদেশী রোগীর পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশী অভিবাসীদের উপর একটি ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করছেন সেখানে থাকা অভিবাসী বাংলাদেশীরা। পালিয়ে যাওয়া করোনা রোগীদের উপস্থিতি ও তাদের সংস্পর্শ থেকে সাবধান থাকা পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যেসব রোগী পালিয়ে গেছে তারা কোনো না কোনো ভাবেই যে কোনো বাংলাদেশীর বাসায় আশ্রয় নিতে চাইবে।
সুতরাং উল্লেখিত ৩ টি অঞ্চলে বসবাসকারী লোকজনকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেয়াটাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। ইতিপূর্বে পেতালিং জায়ার তাবলীগ জামাত থেকে কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশীর পালিয়ে যাওয়ার কারণে সেলায়াং পাইকারি বাজারে কোভিড-১৯ এর ক্লাস্টার সৃষ্টি হয়েছিল যা বর্তমানে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে এনেছে।


No comments