বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেঃ এলএফএল




লকড আপ ইন মালয়েশিয়া'স লকডাউন শিরোনামে আল-জাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকার দেওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করার পদক্ষেপকে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার অপব্যবহার বলে বর্ননা করা হয়েছে।



লয়ার'স ফর লিবার্টির (এলএফএল) সমন্বয়ক আইনজীবী জায়েদ মালেক বলেছেন যে, তার নিজের কোন অপরাধ ছাড়াই ২৫ বছর বয়সী ঐ বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীর ভিসা বাতিল করে

তাকে আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ করে দেওয়া হয়েছে।
শুধুমাত্র গণমাধ্যমের কাছে তাদের দুর্ব্যবহারের কথা বর্ননা করার কারণে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের উদ্বেগজনক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যা গণমাধ্যমের জন্যও অশনিসংকেত।
বাংলাদেশির ভিসা বাতিলা করা হল ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ইমিগ্রেশন বিভাগ আইনকে ফাঁকি দেয়ার মতই কাজ করেছে।



ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯ / ৬৩ এর ধারা 9 (1) (সি) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কেবলমাত্র ইমিগ্রেশন মহাপরিচালকের কোন ভিসা বাতিল করতে পারবে যদি জনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতার পরিপন্থী হয় তাহলেই ভিসা বাতিল করতে পারবে।

তিনি আজ এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, এটা অকল্পনীয় যে গণমাধ্যমের কাছে তাঁর দুর্দশা বা অন্যায় আচরণের কথা তুলে ধরার নিছক পদক্ষেপটি ধারা ৯ (১) (গ) এর অধীনে তালিকাভুক্ত যে কোনও বিভাগের আওতায় আসবে। বিষয়টি এই আইনের ধারায় কোন ভাবেই তালিকাভুক্ত নয়।

এই আইনটি কেবল এই অভিযোগকে জোরদার করতে সাহায্য করে যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অভিবাসীদের সাথে অন্যায় আচরণ করা এবং তাদেরকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে।
এই নিরপরাধ মানুষটির উপর অবৈধ চালাকি ও নির্যাতন অবশ্যই চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে না।

জায়েদ আরও বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে এই ব্যক্তির উপর অনর্থক ও বেআইনী পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার এবং সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার এবং কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার এই সুস্পষ্ট অপব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছি।

রবিবার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) তান শ্রী আবদুল হামিদ বদর প্রকাশ করেছেন যে ইমিগ্রেশন বিভাগ বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে দিয়েছে।
তিনি এখন একজন অনিবন্ধিত বা অবৈধ অভিবাসী এবং যদি তাকে খুঁজে পাওয়া যায় অথবা সেচ্ছায় নিজেকে সোপর্দ করেন তাহলে তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.