মালয়েশিয়াতে পুলিশের গ্রেফতার থেকে বাঁচতে পানিতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা মেলেনি, বাংলাদেশীসহ আটক বেশ কয়েকজন।
মালয়েশিয়ায় চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ জারির পর থেকে হার্ড লাইনে
চলে গেছে মালয়েশিয়ার পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার থেকে গ্রেফতারের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে দেখা যায়, গতকাল শনিবার বিকেলে পেনাং উত্তর-পূর্ব জেলা পুলিশ সদর দফতরের পুলিশ অফিসার কর্তৃক কোন কারণ ছাড়াই নদীর পাশে থাকা একটি খাবার দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার সময় পুলিশ ধাওয়া করলে একজন দৌড়ে পানিতে ঝাঁপ দেয় পরে সেখানে থাকা আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টির
সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পুলিশ প্রধান সহকারী কমিশনার সোফিয়ান সানতং বলেছেন, ২০ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১৩ জন পুরুষ তাদের চলাফেরার জন্য যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখাতে না পারার কারণে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে জর্জ টাউনের পিপলস হাউজিং প্রজেক্টের (পিপিআর) একটি বাড়ির পার্কিংয়ে বাংলাদেশীসহ ৩ জনকে আড্ডা দেয়ার সময় গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ তাদেরকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়
যে তারা বন্ধুর কাছ থেকে ল্যাপটপ নিতে এসেছেন পরে পুলিশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর কেউ ল্যাপটপ নিয়ে না আসলে তাদেরকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পড়ে দেখুন এই নিউজটি👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
গ্রেফতারকৃত দণ্ডবিধির ২৬৯ অনুচ্ছেদ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন (সংক্রামক অঞ্চলসমূহের ব্যবস্থা) এর ২০২০ ধারা অনুসারে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশীদের ইমিগ্রেশন আইন ১৯৬৩/৫৯ সেকশন ৬ অনুযায়ী উভয় আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
👇
মালয়েশিয়াতে সবার জন্য দারুন সুযোগ, আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট পাবে গ্রাহকে, বিস্তারিত দেখুন
👇
মালয়েশিয়াতে পুলিশের সাথে তামিল গ্রুপের সাথে আবারও সংঘর্ষ, অতঃপর গ্রেফতারঃ ( ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত)
👇
মালয়েশিয়াতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে হাসপাতালের টয়লেটে আত্মহত্যা করেছেন এক মালয়েশিয়ান নাগরিক।
লকডাউনের শুরুর দিকে জনগণকে সাবধান করে আসছিলেন কিন্তু দেশের জনগণের কিছু অংশ এবং কিছু অভিবাসী শ্রমিকরা একের পর এক আইন আইন লংঘন করার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রেফতারের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।
চলে গেছে মালয়েশিয়ার পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার থেকে গ্রেফতারের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে দেখা যায়, গতকাল শনিবার বিকেলে পেনাং উত্তর-পূর্ব জেলা পুলিশ সদর দফতরের পুলিশ অফিসার কর্তৃক কোন কারণ ছাড়াই নদীর পাশে থাকা একটি খাবার দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার সময় পুলিশ ধাওয়া করলে একজন দৌড়ে পানিতে ঝাঁপ দেয় পরে সেখানে থাকা আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টির
সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পুলিশ প্রধান সহকারী কমিশনার সোফিয়ান সানতং বলেছেন, ২০ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১৩ জন পুরুষ তাদের চলাফেরার জন্য যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখাতে না পারার কারণে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে জর্জ টাউনের পিপলস হাউজিং প্রজেক্টের (পিপিআর) একটি বাড়ির পার্কিংয়ে বাংলাদেশীসহ ৩ জনকে আড্ডা দেয়ার সময় গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ তাদেরকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়
যে তারা বন্ধুর কাছ থেকে ল্যাপটপ নিতে এসেছেন পরে পুলিশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর কেউ ল্যাপটপ নিয়ে না আসলে তাদেরকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পড়ে দেখুন এই নিউজটি👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
গ্রেফতারকৃত দণ্ডবিধির ২৬৯ অনুচ্ছেদ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন (সংক্রামক অঞ্চলসমূহের ব্যবস্থা) এর ২০২০ ধারা অনুসারে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশীদের ইমিগ্রেশন আইন ১৯৬৩/৫৯ সেকশন ৬ অনুযায়ী উভয় আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
👇
মালয়েশিয়াতে সবার জন্য দারুন সুযোগ, আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন বিনামূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট পাবে গ্রাহকে, বিস্তারিত দেখুন
👇
মালয়েশিয়াতে পুলিশের সাথে তামিল গ্রুপের সাথে আবারও সংঘর্ষ, অতঃপর গ্রেফতারঃ ( ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত)
👇
মালয়েশিয়াতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে হাসপাতালের টয়লেটে আত্মহত্যা করেছেন এক মালয়েশিয়ান নাগরিক।
লকডাউনের শুরুর দিকে জনগণকে সাবধান করে আসছিলেন কিন্তু দেশের জনগণের কিছু অংশ এবং কিছু অভিবাসী শ্রমিকরা একের পর এক আইন আইন লংঘন করার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রেফতারের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।


No comments