মালয়েশিয়াতে ১৪ হাজার শ্রমিককে পরীক্ষা করে ৬৭৬ জন শনাক্ত যা বড় ধরনের হুমকি। বিস্তারিত
মালয়েশিয়াতে আজ অবধি মোট ১৪,১৮৭ অভিবাসী কর্মীদের কোভিড -19 ভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৬৭৬ জন শ্রমিকের কোভিড-১৯ শনাক্ত করা হয়েছে যেখানে তুলনামূলকভাবে দেশে সর্বমোট ৫,৭৮০ আক্রান্ত জন রয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশী ৬৩ জন রয়েছেন তবে এখন পর্যন্ত
বাংলাদেশীদের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও অভিবাসী কর্মীদের নতুন আক্রান্তের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অভিবাসী কর্মীদের প্রতি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে চলেছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিঙ্গাপুরের মত বিশাল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক যেন আক্রান্ত না হয় সেই বিষয়ে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য
মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশাম। মালয়েশিয়াতে হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক গাদাগাদি করে বসবাস করে এবং কোলাহলপূর্ণ জায়গায় রান্না ও খাওয়ার দাওয়ার ব্যবস্থার ফলে আক্রান্তের ঝুঁকি রয়েছে বহুগুণ। চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বেশিরভাগ বিদেশি কর্মী। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লাখো লাখো প্রবাসী কর্মী। তবে মালয়েশিয়াতে এখনই লকডাউন বা এম'সি'ও তুলে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।
এদিকে গত শনিবার (২৫ শে এপ্রিল) প্রতিদিনের মত কোভিড-১৯ আপডেট ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রেখে ডাঃ নূর হিশাম বলেছিলেন যে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় অভিবাসী শ্রমিকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার লক্ষ্যে একটি লক্ষ্যবস্তু গ্রহণ করছে। মন্ত্রণালয় বর্তমানে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ সেরি পেটালিং মসজিদে যাঁরা তাবলিগ জামাতে অংশ নিয়েছিলেন তাদের প্রতি তাদের দৃষ্টি দিচ্ছে। নুর হিশামের মতে এই মালয়েশিয়াতে
অভিবাসী কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়ার মত নয় এটাকে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেমনটা সিঙ্গাপুরে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছে। তবে আমরা এখন সকল অভিবাসী শ্রমিকদের পরীক্ষা নিরীক্ষার দিকে নজর দিচ্ছি না, কারণ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ হল তারা যারা সেরি পেটালিংয়ের তাবলীগে অংশ নিয়েছিলেন। অভিবাসীদের পরীক্ষা করা অব্যাহত থাকবে তবে এই মুহুর্তে পূর্বের ক্লাস্টারকে প্রাধান দিতে হচ্ছে। দাতু ডাঃ নূর হিশাম ঘোষণা
করেছিলেন যে আজ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সেলেঙ্গর ম্যানশনে ২৩ টি নতুন কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে যার ফলে কুয়ালালামপুর শহরের চিহ্নিত আবাসিক ফ্ল্যাটে মোট মামলা সংখ্যা ১৬৬ এ পৌঁছেছে। ফ্ল্যাটে মোট আক্রান্তদের মোট অভিবাসী শ্রমিকদের সংখ্যা ১৫০ জন। আক্রান্তের দিকে দিয়ে কুয়ালালামপুরের বেশ কয়েকটি স্থানের মধ্যে অন্যতম একটি হল সেলাঙ্গার ম্যানশন যেখানে সরকার রেড জোন চিহ্নিত করে ইমার্জেন্সি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা জরুরী অবস্থা কার্যকর করেছে।
এর পাশেই আরেকটি ভবন হল মালায়ন ম্যানসন যেখানেও একইভাবে জরুরী অবস্থা কার্যকর করা হয়েছে তবে সেখানে এখনো পর্যন্ত ৭ জন আক্রান্তের মধ্যে ৬ জন বিদেশী শ্রমিক রয়েছে। এদিকে, আজ একই এলাকার মিনারা প্লাজা সিটি ওয়ান- ভবনে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি তবে ভবনটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ জনে রয়ে গেছে, যার মধ্যে ৩৭ জন বিদেশী শ্রমিক রয়েছেন।
জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার আশে পাশের নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি তবে এই অঞ্চলের লোকজনের আক্রান্তের সাথে সেরি পেটালিং ক্লাস্টারের সাথে সম্পর্ক রয়েছে কারণ এই এলাকায় পাওয়া আক্রান্তদের মধ্যে কেউ কেউ সেরি পেতালিং মসজিদের তাবলীগ ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। যার মধ্যে বিদেশি ও স্থানীয়দের সম্পর্ক থাকা বিষয়টি আমরা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। সুতরাং সেরি পেতালিং ক্লাস্টার নিয়ে আরও লাজ করতে হবে। পাশাপাশি অভিবাসী শ্রমিকদের সম্ভাব্য স্থানগুলো টার্গেট নিয়ে শ্রমিকদের পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশীদের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও অভিবাসী কর্মীদের নতুন আক্রান্তের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অভিবাসী কর্মীদের প্রতি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে চলেছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিঙ্গাপুরের মত বিশাল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক যেন আক্রান্ত না হয় সেই বিষয়ে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য
মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশাম। মালয়েশিয়াতে হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক গাদাগাদি করে বসবাস করে এবং কোলাহলপূর্ণ জায়গায় রান্না ও খাওয়ার দাওয়ার ব্যবস্থার ফলে আক্রান্তের ঝুঁকি রয়েছে বহুগুণ। চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বেশিরভাগ বিদেশি কর্মী। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লাখো লাখো প্রবাসী কর্মী। তবে মালয়েশিয়াতে এখনই লকডাউন বা এম'সি'ও তুলে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।
এদিকে গত শনিবার (২৫ শে এপ্রিল) প্রতিদিনের মত কোভিড-১৯ আপডেট ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রেখে ডাঃ নূর হিশাম বলেছিলেন যে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় অভিবাসী শ্রমিকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার লক্ষ্যে একটি লক্ষ্যবস্তু গ্রহণ করছে। মন্ত্রণালয় বর্তমানে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ সেরি পেটালিং মসজিদে যাঁরা তাবলিগ জামাতে অংশ নিয়েছিলেন তাদের প্রতি তাদের দৃষ্টি দিচ্ছে। নুর হিশামের মতে এই মালয়েশিয়াতে
অভিবাসী কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়ার মত নয় এটাকে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেমনটা সিঙ্গাপুরে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছে। তবে আমরা এখন সকল অভিবাসী শ্রমিকদের পরীক্ষা নিরীক্ষার দিকে নজর দিচ্ছি না, কারণ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ হল তারা যারা সেরি পেটালিংয়ের তাবলীগে অংশ নিয়েছিলেন। অভিবাসীদের পরীক্ষা করা অব্যাহত থাকবে তবে এই মুহুর্তে পূর্বের ক্লাস্টারকে প্রাধান দিতে হচ্ছে। দাতু ডাঃ নূর হিশাম ঘোষণা
করেছিলেন যে আজ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সেলেঙ্গর ম্যানশনে ২৩ টি নতুন কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে যার ফলে কুয়ালালামপুর শহরের চিহ্নিত আবাসিক ফ্ল্যাটে মোট মামলা সংখ্যা ১৬৬ এ পৌঁছেছে। ফ্ল্যাটে মোট আক্রান্তদের মোট অভিবাসী শ্রমিকদের সংখ্যা ১৫০ জন। আক্রান্তের দিকে দিয়ে কুয়ালালামপুরের বেশ কয়েকটি স্থানের মধ্যে অন্যতম একটি হল সেলাঙ্গার ম্যানশন যেখানে সরকার রেড জোন চিহ্নিত করে ইমার্জেন্সি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা জরুরী অবস্থা কার্যকর করেছে।
এর পাশেই আরেকটি ভবন হল মালায়ন ম্যানসন যেখানেও একইভাবে জরুরী অবস্থা কার্যকর করা হয়েছে তবে সেখানে এখনো পর্যন্ত ৭ জন আক্রান্তের মধ্যে ৬ জন বিদেশী শ্রমিক রয়েছে। এদিকে, আজ একই এলাকার মিনারা প্লাজা সিটি ওয়ান- ভবনে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি তবে ভবনটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ জনে রয়ে গেছে, যার মধ্যে ৩৭ জন বিদেশী শ্রমিক রয়েছেন।
জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার আশে পাশের নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি তবে এই অঞ্চলের লোকজনের আক্রান্তের সাথে সেরি পেটালিং ক্লাস্টারের সাথে সম্পর্ক রয়েছে কারণ এই এলাকায় পাওয়া আক্রান্তদের মধ্যে কেউ কেউ সেরি পেতালিং মসজিদের তাবলীগ ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। যার মধ্যে বিদেশি ও স্থানীয়দের সম্পর্ক থাকা বিষয়টি আমরা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। সুতরাং সেরি পেতালিং ক্লাস্টার নিয়ে আরও লাজ করতে হবে। পাশাপাশি অভিবাসী শ্রমিকদের সম্ভাব্য স্থানগুলো টার্গেট নিয়ে শ্রমিকদের পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে।


No comments