মালয়েশিয়ার ট্রাফিক পুলিশের (JPJ) মাথায় ঘুষি মারায় গ্রেফতার অবৈধ শ্রমিক। (বিস্তারিত পড়ুন)
মালয়েশিয়ার চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা লকডাউন আইন অমান্য এবং একজন পুলিশ অফিসার কে আঘাত করার অপরাধে একজন অবৈধ বিদেশি শ্রমিক গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুত্রজায়া জেলা পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার হাসান বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশ যখন আরব ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, প্রেনসিত ১৪ এর মোড়ে রোড ব্লকে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন তিনি দেখতে পান যে, ৪৫ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ান এক ব্যক্তি হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন সেই মুহূর্তে পুলিশ সদস্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে আনেন ঐ পুলিশ সদস্য।
হঠাৎ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি কর্তব্যরত ট্র্যাফিক পুলিশ ল্যান্স কর্পোরাল সালেহহউদ্দিন মোহাম্মদ সোফিয়ানের কপাল বরাবর ঘুষি মেরে বসে। পুলিশ অফিসারকে আঘাত করার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গুলি ছুঁড়তে থাকেন এবং সেসময় ঐ ইন্দোনেশিয়ার
শ্রমিকের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে ঐ পুলিশ অফিসারকে পুত্রাজায়া হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার জন্য আদেশ দেয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অফিসার বলেছিলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিটিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করতে গিয়ে তার সাথে লড়াই করতে হয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করতে নানা রকম শক্তি প্রয়োগ করতে
হয়েছিল। মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তাকে পরাস্ত করতে। অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য রাস্তায় উপড়ে ফেলে দিয়ে তারপর হাতকড়া পড়াতে সক্ষম হয়েছিল। তবে ঐ ব্যক্তি লকডাউন আইন অমান্য করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোন যথার্থ কারণ দেখাতে পারেনি। বেসামরিক কর্মচারীদের আহত করার জন্য এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করে পুত্রাজায়া থানায় রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।
পুত্রজায়া জেলা পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার হাসান বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশ যখন আরব ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, প্রেনসিত ১৪ এর মোড়ে রোড ব্লকে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন তিনি দেখতে পান যে, ৪৫ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ান এক ব্যক্তি হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন সেই মুহূর্তে পুলিশ সদস্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে আনেন ঐ পুলিশ সদস্য।
হঠাৎ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি কর্তব্যরত ট্র্যাফিক পুলিশ ল্যান্স কর্পোরাল সালেহহউদ্দিন মোহাম্মদ সোফিয়ানের কপাল বরাবর ঘুষি মেরে বসে। পুলিশ অফিসারকে আঘাত করার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গুলি ছুঁড়তে থাকেন এবং সেসময় ঐ ইন্দোনেশিয়ার
শ্রমিকের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে ঐ পুলিশ অফিসারকে পুত্রাজায়া হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার জন্য আদেশ দেয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অফিসার বলেছিলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিটিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করতে গিয়ে তার সাথে লড়াই করতে হয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করতে নানা রকম শক্তি প্রয়োগ করতে
হয়েছিল। মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তাকে পরাস্ত করতে। অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য রাস্তায় উপড়ে ফেলে দিয়ে তারপর হাতকড়া পড়াতে সক্ষম হয়েছিল। তবে ঐ ব্যক্তি লকডাউন আইন অমান্য করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোন যথার্থ কারণ দেখাতে পারেনি। বেসামরিক কর্মচারীদের আহত করার জন্য এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করে পুত্রাজায়া থানায় রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।


No comments