মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন। বিস্তারিত
গত ৮ ই জুন সোমবার মালয়েশিয়া 269 রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করেছে এবং ল্যাংকাউইয়ের রিসোর্ট দ্বীপে একটি ভাঙা নৌকায় নৌকায় একজনের লাশ পেয়েছে মালয়েশিয়ার কোস্ট গার্ড। ২৬৯ জন রোহিঙ্গাকে মানবিক দৃষ্টিতে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যা মালয়েশিয়াতে ফলাও ভাবে প্রচার হয়।
পরে মঙ্গলবার (৯ই জুন) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এইসব শরনার্থী ফিরিয়ে নিতে বলবে তারা যেন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব এসব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়ে বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে আগত রোহিঙ্গাদের পুনরায় বাংলাদেশে পাঠাতে, এই বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রকল্প ভাশান চরে তাদেরকে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর টি প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের উপর বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গারা তো বাংলাদেশের নাগরিক নন, তাদের আমাদের দেশে কেন পাঠাবে? তাছাড়া এই বিষয়টি অফিসিয়াল ভাবেও অবগত নই। তিনি আরও বলেন নতিন করে আর রোহিঙ্গা গ্রহণের প্রশ্নই আসেনা। আমাদের দেশে যাদের আশ্রয় দিয়েছি তাদেত অন্য দেশে ফেরত পাঠানোর দাবী করি।
বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির (Anadolu Agency) লিখিত প্রশ্নের জবাবে মোমেন মালয়েশিয়ার অনুরোধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান ঘোষণা করেছিলেন। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিক নন। তারা কয়েক শতাব্দী ধরে মিয়ানমারের বাসিন্দা। কেবলমাত্র বাংলাদেশের উপর চাপ না দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বোঝা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মোমেন বলেন, অন্যান্য দেশগুলো আমাদের দেশে আশ্রয় দিতে বলার পরিবর্তে তাদের নিজেদের দেশে আশ্রয় দিতে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশে আশ্রয় প্রাপ্ত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরিত করতে বিশ্ব নেতৃত্ব এবং সংস্থা গুলোর প্রতি আহ্বান জানাই।
উল্লেখ্য যে, এপ্রিলের শুরুতে মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাংকাভির মতো একই নৌকা রকম থেকে পাওয়া ২০২ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করেছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পরে, নৌবাহিনী লাংকাভি দ্বীপের নিকটে 200 রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বহনকারী একটি নৌকা ধাওয়া করেছিল।
পরে মঙ্গলবার (৯ই জুন) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এইসব শরনার্থী ফিরিয়ে নিতে বলবে তারা যেন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব এসব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়ে বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে আগত রোহিঙ্গাদের পুনরায় বাংলাদেশে পাঠাতে, এই বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রকল্প ভাশান চরে তাদেরকে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর টি প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের উপর বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গারা তো বাংলাদেশের নাগরিক নন, তাদের আমাদের দেশে কেন পাঠাবে? তাছাড়া এই বিষয়টি অফিসিয়াল ভাবেও অবগত নই। তিনি আরও বলেন নতিন করে আর রোহিঙ্গা গ্রহণের প্রশ্নই আসেনা। আমাদের দেশে যাদের আশ্রয় দিয়েছি তাদেত অন্য দেশে ফেরত পাঠানোর দাবী করি।
বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির (Anadolu Agency) লিখিত প্রশ্নের জবাবে মোমেন মালয়েশিয়ার অনুরোধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান ঘোষণা করেছিলেন। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিক নন। তারা কয়েক শতাব্দী ধরে মিয়ানমারের বাসিন্দা। কেবলমাত্র বাংলাদেশের উপর চাপ না দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বোঝা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মোমেন বলেন, অন্যান্য দেশগুলো আমাদের দেশে আশ্রয় দিতে বলার পরিবর্তে তাদের নিজেদের দেশে আশ্রয় দিতে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশে আশ্রয় প্রাপ্ত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরিত করতে বিশ্ব নেতৃত্ব এবং সংস্থা গুলোর প্রতি আহ্বান জানাই।
উল্লেখ্য যে, এপ্রিলের শুরুতে মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাংকাভির মতো একই নৌকা রকম থেকে পাওয়া ২০২ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করেছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পরে, নৌবাহিনী লাংকাভি দ্বীপের নিকটে 200 রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বহনকারী একটি নৌকা ধাওয়া করেছিল।


No comments