মালয়েশিয়াতে লকডাউন সময়েও যৌনকর্ম থেমে নেই, ১৩ যৌনকর্মী সহ ৩৩ জন গ্রেফতার। বিস্তারিত

মালয়েশিয়াতে লকডাউন চলাকালীন সময়ে ইমিগ্রেশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ব্যস্ত ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে যৌন ব্যবসায়ীরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।


মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) গতকাল ২৩ শে এপ্রিল দুপুর ২.০০ টায় কুয়ালালামপুরের পুডু এলাকার জালান সুঙ্গাই বেসির একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২৬জন বিদেশি এবং ৭ জন স্থানীয়কে আটক করেছে। মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) এবং রয়েল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম) এর সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। এদিকে এতদিন মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা লকডাউন পরিস্থিতির কারণে

 ইমিগ্রেশন অভিযান  কিছুটা বন্ধ থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে মালয়েশিয়াতে অবৈধ কার্যকলাপ এভাবে চলতে থাকবে। বিদেশিদের ব্যবহার করে স্থানীয় নাগরিকেরা সুবিধাজনক ও লাভজনক অবৈধ কার্যক্রম চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ অপারেশনস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্যাল বিভাগের পরিচালকের নেতৃত্বে অভিযানে দেখা গেছে যে মালয়েশিয়ান এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের সেখানে আলাদা আলাদা রুমে মেয়েদের সাথে পাওয়া গেছে।

এছাড়াও হোটেলের রুমগুলোতে বেশ কয়েকটি ব্যবহৃত এবং অব্যবহৃত কনডম এবং যৌন খেলনা ছিল। অভিযানের সময় গ্রাহকদের এই যৌন সেবা গুলো দেয়ার একটি রেকর্ডও ইমিগ্রেশন পুলিশ সংগ্রহ করেছে।

 গ্রেপ্তার হওয়া বিদেশি যৌনকর্মীদে সংখ্যা ছিল ২৩ জন, যার মধ্যে ১৩ জন থাইল্যান্ডের তরুনী, সাতজন ইন্দোনেশিয়ান, দুইজন ভিয়েতনামী এবং লাওসের একজন তরুণী রয়েছে। গ্রেফতারকৃত সকলের বয়স 25 থেকে 40 বছরের মধ্যে এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন 1963 এর বিধি 39 (বি) এর অধীনে
 তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত করা হবে

এই অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা তিনজন মালয়েশিয়ার নাগরিক এসব যৌন কর্মকাণ্ডের এজেন্ট হিসেবে হোটেলে সমস্ত বিষয় দেখভাল করছিলেন।  তাদের সকলকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯ / ৬৩ এর ৫৬ (১) (ডি) এর অধীনে তদন্ত করা হবে যা ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে কোনও অপরাধ করার অভিযোগে যে কোনও ব্যক্তিকে রক্ষা করতে পারে। ।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.