ব্রেকিংঃ মালয়েশিয়াতে গত ২৪ ঘন্টায় মাত্র ২ জন আক্রান্তের রেকর্ড, স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মনে
মালয়েশিয়াতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। গত এক মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মালয়েশিয়াতে স্থানীয় নাগরিকদের মাঝে আক্রান্তের সংখ্যা তেমন চোখে পড়ার মত মেই বললেই চলে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হোসেন আবদুল্লাহ তার প্রতিদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন যে,
আজ ১০ই জুন (বুধবার) গত ২৪ ঘন্টায় পুরো মালয়েশিয়াতেই মাত্র ২ জন আক্রান্ত হয়েছে যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৩৩৮ জন হয়েছে। মালয়েশিয়াতে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে এটাই সর্বনিম্ন আক্রান্তের সংখ্যা আজ রেকর্ড করা হয়েছে। আজ নতুন করে সুস্থ হয়েছে ৩৯ এবং মোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৭,০১৪ জনে এসেছে। বিগত কয়েকদিনের রেকর্ড অনুযায়ী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর নেই বললেই চলে। অন্যান্য দেশের তুলনায় মালয়েশিয়ায় মৃত্যু সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে আজ ১ জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক যার ফলে মোট ১১৮ জন এই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হসপিটালে মোট ১,২০৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য মতে মালয়েশিয়াতে মোট আক্রান্তের ৮৪ ভাগের বেশি রোগীই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে।
নুর হিশাম জানিয়েছেন যে, মালয়েশিয়া কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ ও ফ্রন্টলাইনে কর্মরত সকল কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মালয়েশিয়ায় আজ সর্বনিম্ন আক্রান্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব বর্তমানে নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে যা আরও উন্নতি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি ও চেষ্টা অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ১০ এর নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক জানিয়েছেন, করোনার অস্তিত্ব এখনো মালয়েশিয়াতে বিদ্যমান রয়েছে, সুতরাং জনসাধারণকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
মালয়েশিয়ায় করোনা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে দেশের স্থানীয় জনগণের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ কে সকল স্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দেশের জনগনকে সাথে নিয়ে রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা RMCO কে স্বার্থক করে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। সরকার নির্ধারিত বিধিমালা অনুযায়ী সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিধি গুলো ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থার হুশিয়ারিও দেয়া হয়েছে।
তবে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কারাগার গুলোতে হঠাৎ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে দুঃশ্চিন্তায় পড়তে হয়েছিল সবাইকে। বর্তমানে প্রতিটি কারাগারে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যাতে করে সংক্রমণের ঝুঁকি না থাকে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন কারাগারে মোট ৬০৮ জন বন্দী অবৈধ অভিবাসী আক্রান্ত হয়েছে, কাজাং এএ সেমেনিয়েহ ইমিগ্রেশন কারাগারে ৬৬ জন এবং সেপাং (KLIA) কারাগারে ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছে।
আক্রান্ত অভিবাসীদের জন্য আলাদাভাবে কোয়ারেনটাইন ও চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছে মালয়েশিয়ার সরকার।
গত এক মাসে মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের মধ্যে আক্রান্তের হার ছিল উল্লেখযোগ্য। বিদেশি শ্রমিকদের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পর মালয়েশিয়ার সরকার বিভিন্ন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলো।
আজ ১০ই জুন (বুধবার) গত ২৪ ঘন্টায় পুরো মালয়েশিয়াতেই মাত্র ২ জন আক্রান্ত হয়েছে যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৩৩৮ জন হয়েছে। মালয়েশিয়াতে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে এটাই সর্বনিম্ন আক্রান্তের সংখ্যা আজ রেকর্ড করা হয়েছে। আজ নতুন করে সুস্থ হয়েছে ৩৯ এবং মোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৭,০১৪ জনে এসেছে। বিগত কয়েকদিনের রেকর্ড অনুযায়ী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর নেই বললেই চলে। অন্যান্য দেশের তুলনায় মালয়েশিয়ায় মৃত্যু সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে আজ ১ জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক যার ফলে মোট ১১৮ জন এই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হসপিটালে মোট ১,২০৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য মতে মালয়েশিয়াতে মোট আক্রান্তের ৮৪ ভাগের বেশি রোগীই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে।
নুর হিশাম জানিয়েছেন যে, মালয়েশিয়া কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ ও ফ্রন্টলাইনে কর্মরত সকল কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মালয়েশিয়ায় আজ সর্বনিম্ন আক্রান্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব বর্তমানে নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে যা আরও উন্নতি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি ও চেষ্টা অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ১০ এর নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক জানিয়েছেন, করোনার অস্তিত্ব এখনো মালয়েশিয়াতে বিদ্যমান রয়েছে, সুতরাং জনসাধারণকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
মালয়েশিয়ায় করোনা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে দেশের স্থানীয় জনগণের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ কে সকল স্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দেশের জনগনকে সাথে নিয়ে রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা RMCO কে স্বার্থক করে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। সরকার নির্ধারিত বিধিমালা অনুযায়ী সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিধি গুলো ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থার হুশিয়ারিও দেয়া হয়েছে।
তবে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কারাগার গুলোতে হঠাৎ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে দুঃশ্চিন্তায় পড়তে হয়েছিল সবাইকে। বর্তমানে প্রতিটি কারাগারে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যাতে করে সংক্রমণের ঝুঁকি না থাকে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন কারাগারে মোট ৬০৮ জন বন্দী অবৈধ অভিবাসী আক্রান্ত হয়েছে, কাজাং এএ সেমেনিয়েহ ইমিগ্রেশন কারাগারে ৬৬ জন এবং সেপাং (KLIA) কারাগারে ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছে।
আক্রান্ত অভিবাসীদের জন্য আলাদাভাবে কোয়ারেনটাইন ও চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছে মালয়েশিয়ার সরকার।
গত এক মাসে মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের মধ্যে আক্রান্তের হার ছিল উল্লেখযোগ্য। বিদেশি শ্রমিকদের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পর মালয়েশিয়ার সরকার বিভিন্ন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলো।


No comments