মালয়েশিয়াতে লকডাউন তুলে নেয়ার সম্ভাবনা নেই। ৬ টি বিষয়ে গুরুত্বের কথা জানালেন ডাঃ নুর হিশাম। বিস্তারিত....

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নূর হিশাম আবদুল্লাহ বলেছেন, ২৮ শে এপ্রিলে শেষ হতে যাচ্ছে ৩য় ধাপে ঘোষিত লকডাউনের সময়সীমা। তবে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার আরও বাড়ানো হবে কিনা বা এম'সি'ও বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে জেনে নেয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন যে, ছয়টি বিষয় প্রাধান্য দিতে হবে যা হল সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, এম'সি'ও, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সম্ভাব্য গ্রুপ গুলোকে রক্ষার পদক্ষেপ, করোনা পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন জীবনধারণের অভ্যাস এবং এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সবাইকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সহযোগিতা পূর্ন আচরণের মাধ্যমে একসাথে কাজ করা।

আজ (২১শে এপ্রিল) পুত্রাজায়ায় প্রতিদিনের কোভিড-১৯ এর আপডেটগুলো প্রকাশের ব্রিফিংয়ের সময় ডাঃ নূর হিশাম বলেন,  আমরা নিশ্চিত নই যে আমরা এমসিও তুলব কিনা তবে আমি যে বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানি তা হল আমাদের অবশ্যই বিশাল জনতার ভিড় এবং জনসমাগম এড়ানো অব্যাহত রাখতে হবে।

আমরা এখনো এম'সি'ও আইন অনুযায়ী চলছি, এবং আগামীতেও এম'সি'ও থাকুক বা না থাকুক অথবা এম'সি'ও শিথিল করা হলেও এই ছয়টি মানদণ্ড গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 
১ম মানদন্ড হিসেবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমরা যদি আমাদের সীমান্ত ও বন্দর গুলো  গুলো আবার সচল করে দেয় তাহলে বিভিন্ন দেশ থেকে আসতে শুরু করবে এবং আবারও ভাইরাস ছড়িয়ে যাবার সম্ভাবনা তীব্র হবে। তিনি বলেন, বাইরের দেশ গুলো থেকে ফিরে আসা ১২ হাজারেরও অধিক লোকজনের মধ্যে মাত্র ৯৫ টি পজিটিভ কেস পাওয়া গিয়েছিল বাকিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার ফলে বহু আক্রান্তের সম্ভাবনা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

দ্বিতীয় মানদণ্ডটি হ'ল এম'সি'ও যা লকডাউন হিসেবে পরিচিত। লকডাউনের আওতায় লোকজন বাড়িতে থাকার ফলে সম্ভাব্য আক্রান্ত ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব হয় পাশাপাশি একজন আরেকজনের সংস্পর্শে যেতে পারেনা বলেই আক্রান্তের হার কমানো যায়। তাই ডক্টর নূর হিশাম বলেছেন, যখনই কেবলমাত্র আক্রান্তের সংখ্যা ১০ এর নিচে নেমে যাবে তখনই সরকার লকডাউন তুলে নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিবেচনা করতে পারে।

এই খবর গুলোও পড়তে পারেন
👇
"কুয়ালালামপুরের পাইকারি বাজারে ২৮ জন আক্রান্ত, ১ জনের মৃত্যু। দুই লক্ষ বাসিন্দা অবরুদ্ধ", বিস্তারিত
👇
"মালয়েশিয়াতে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব দাবী করছে, স্থানীয় নাগরিকদের মাঝে ক্ষোভ"৷ বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়াতে আরও ১৩ জন রোহিঙ্গা আক্রান্ত, বিপুলসংখ্যক আক্রান্তের আশংকা। বিস্তারিত


তৃতীয় মানদণ্ডটি হলঃ পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে ভালো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষা বিষয়ক সকল ক্ষেত্রগুলো উন্নতি সাধন করা এবং পর্যাপ্ত হেলথ স্ক্রিনিং বা করোনা টেস্ট দ্রুততার সাথে করা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ল্যাবগুলির সামর্থ্য থেকে শুরু করে আমাদের পর্যাপ্ত ওয়ার্ড এবং নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট রয়েছে কি না, এই সবগুলো যথাসম্ভব গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা ও উন্নয়ন করা।

তবে অবশ্যই আমাদেরকে করোনা শনাক্তকরণের সময়সীমা 48 ঘন্টা থেকে 24 ঘন্টা বা তার চেয়ে কমানোর মাধ্যমে দ্রুত্তার সাথে ফলাফল নিশ্চিত করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে বলে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

আরও বিস্তারিত আসছে......

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.