মালয়েশিয়াতে ৭২ ঘন্টায় সাড়ে ৩ হাজার গ্রেফতার, রিমান্ডে ২'৭২৬ জন। (বিস্তারিত)
মালয়েশিয়াতে চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ (এম'সি'ও) জারির পর থেকে সরকার একের পর এক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করে যাচ্ছেন। লকডাউন বিনা কারণে কেউ যেন ঘর থেকে বের না হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মালয়েশিয়া পুলিশকে সহযোগিতা করা জন্য মালয়েশিয়ার সেনাবাহিনী বেশ তৎপর রয়েছে সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে পাশাপাশি টহল দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অলিতে গলিতে। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব প্রতিদিন দেশটির আইনশৃঙ্খলার অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরছেন।
কোন কোন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করা হচ্ছে, কোন কোন এলাকায় জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল আদেশ জারি হচ্ছে সবকিছুই তদারকি করে যাচ্ছেন। এসব রেড জোন এলাকা গুলো থেকে গ্রেফতারও করা হচ্ছে অনেক।
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লকডাউন বা এম'সি'ও আইন লংঘন করার অপরাধে এই পর্যন্ত সর্বমোট ১৭'৭৩৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে।
বারনামার তথ্য অনুযায়ী গত ১৯ শে এপ্রিল সারাদেশে এম'সি'ও লঙ্ঘন করার অপরাধে
গ্রেফতার ১১৭৪ জন এর মধ্যে রিমান্ডে ১০১২ নেয়া হয়েছে এবং জামিন হয়েছে ১৬২ জনের।
গত ২০ শে এপ্রিল গ্রেফতার ৯৪৬, রিমান্ড ৮২২ এবং জামিন ১২৪ জন।
বিশেষত রেড জোনের আওতাভুক্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার হয়েছে ১০১ জনের।
গত ২১ শে এপ্রিল এম'সি'ও চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার ৮৬৫ জন, রিমান্ড ৭৩২ জন এবং জামিন আবেদন মঞ্জুর ১৩৩ জনের।
মালয়েশিয়াত্ব গ্রেফতারের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে দেখা যায় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি লকডাউন আইন লংঘন করেছে তামিল মালয়েশিয়ান। বেশিরভাগ সরকার লকডাউনের ১ম ও ২ ধাপে অনেকটা জরিমানা দিয়ে ছেড়ে দিলেও বর্তমানে সাথে সাথে গ্রেফতার করে রিমান্ড ও আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে দ্রুত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে মালয়েশিয়ার পুলিশকে চৌকস ও কড়া নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করা করা হয়েছে।
মালয়েশিয়া পুলিশকে সহযোগিতা করা জন্য মালয়েশিয়ার সেনাবাহিনী বেশ তৎপর রয়েছে সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে পাশাপাশি টহল দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অলিতে গলিতে। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব প্রতিদিন দেশটির আইনশৃঙ্খলার অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরছেন।
কোন কোন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করা হচ্ছে, কোন কোন এলাকায় জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল আদেশ জারি হচ্ছে সবকিছুই তদারকি করে যাচ্ছেন। এসব রেড জোন এলাকা গুলো থেকে গ্রেফতারও করা হচ্ছে অনেক।
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লকডাউন বা এম'সি'ও আইন লংঘন করার অপরাধে এই পর্যন্ত সর্বমোট ১৭'৭৩৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে।
বারনামার তথ্য অনুযায়ী গত ১৯ শে এপ্রিল সারাদেশে এম'সি'ও লঙ্ঘন করার অপরাধে
গ্রেফতার ১১৭৪ জন এর মধ্যে রিমান্ডে ১০১২ নেয়া হয়েছে এবং জামিন হয়েছে ১৬২ জনের।
গত ২০ শে এপ্রিল গ্রেফতার ৯৪৬, রিমান্ড ৮২২ এবং জামিন ১২৪ জন।
বিশেষত রেড জোনের আওতাভুক্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার হয়েছে ১০১ জনের।
গত ২১ শে এপ্রিল এম'সি'ও চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার ৮৬৫ জন, রিমান্ড ৭৩২ জন এবং জামিন আবেদন মঞ্জুর ১৩৩ জনের।
মালয়েশিয়াত্ব গ্রেফতারের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে দেখা যায় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি লকডাউন আইন লংঘন করেছে তামিল মালয়েশিয়ান। বেশিরভাগ সরকার লকডাউনের ১ম ও ২ ধাপে অনেকটা জরিমানা দিয়ে ছেড়ে দিলেও বর্তমানে সাথে সাথে গ্রেফতার করে রিমান্ড ও আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে দ্রুত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে মালয়েশিয়ার পুলিশকে চৌকস ও কড়া নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করা করা হয়েছে।


No comments