মালয়েশিয়াতে আবারও লকডাউন বাড়ানোর আলোচনা, কয়েক লক্ষ শ্রমিককের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশংকা।
মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার রোধে দেশটির সরকার শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে এসেছে৷ মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আক্রান্তের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে আক্রান্তদের সুচিকিৎসা ও আক্রান্ত এলাকা ও
আক্রান্ত লোকগুলোর সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের অতি দ্রুত চিহ্নিত করে আলাদা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে পাশাপাশি ভবিষ্যৎ আক্রান্তের সংখ্যা অনুমান করে ৬ হাজার রোগী চিকিৎসার দেয়া ব্যবস্থা করেছে। জনচলাচল ও একজন আরেকজনের সংস্পর্শে এসে যাতে ভাইরাসটি মহামারী রুপ না নিতে পারে সেই লক্ষ্যে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ জারি করা হয়েছে শুরুতে যা ২ সপ্তাহ থাকলে বর্তমানে আরও ২ সপ্তাহ বৃদ্ধি করে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আরও
কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। মানুষ যাতে বিনা কারণে ঘর থেকে বের না হয় সেই লক্ষ্যে সারাদেশে বাংলাদেশ ও বিদেশী শ্রমিকসহ দেশটির কয়েক হাজার আইন শৃঙ্খলা লংঘনকারীকে আটক করে জেলে পাঠানো হয়েছে। তবে গতকাল কোভিড-১৯ আপডেট এর সাংবাদিক সম্মেলনে এম'সি'ও বা লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল কার্যকরী পদক্ষেপ চলমান
রয়েছে, আক্রান্তের পরিসংখ্যান ও কতজন মানুষ
আক্রান্তদের সংস্পর্শে গিয়েছে তা ভালোভাবে যাচাই করে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী পরিষদে চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হয়েছে তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হচ্ছে। লকডাউন মেয়াদকাল আবারও বাড়াতে হতে পারে তবে সেই বিষয় এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। লকডাউন বাড়ানো হলে সেটা ১ম রমজানের আগের দিন পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সর্বসম্মতিক্রমে আশা করি এই সিদ্ধান্ত নিবেন।
আর এই লকডাউন যদি আবারও বাড়ানো হয় তাহলে মালয়েশিয়াতে অবস্থানরত বাংলাদেশিসহ কয়েক লক্ষ বিদেশি শ্রমিকের জীবন পড়বে হুমকির মুখে। দেশটিতে থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ শ্রমিকের খাদ্যের যোগান ঠিক কে দিবে সেই বিষয়ে সরকার থেকে এখন পরিস্কার ভাবে কিছুই বলা হয়নি। ইতিমধ্যেই ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীর বিভিন্ন পোস্টে ও কমেন্টে হতাশা ও খাদ্যে সংকটের বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷
এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিদিন একের পর এক আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে তবে আশার কথা হল প্রতিদিন অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন৷
মালয়েশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলকে রেড এলার্ট ঘোষণা করা হয়েছে পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ড্রোন দিয়ে প্রতিটি দরজা থেকে থেকে দরজায় ওতপেতে রয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন
👇
সকল শ্রমিকদের বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবে মালয়েশিয়া সরকার লকডাউন চলাকালীন সময়ে থাকবে এই খাদ্য সহায়তা
👇
আজ আরও ৬০ লক্ষ রিঙ্গিত অনুদান পেয়েছেন মহিউদ্দিন ইয়াসিন, যা সর্বমোট ২ কোটি রিঙ্গিত হয়েছে।
👇
আরও কঠিন নিয়ম, এই লকডাউনে পানি, বিদ্যুৎ বিল সাথে রাখার আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ। বিস্তারিত
আক্রান্ত লোকগুলোর সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের অতি দ্রুত চিহ্নিত করে আলাদা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে পাশাপাশি ভবিষ্যৎ আক্রান্তের সংখ্যা অনুমান করে ৬ হাজার রোগী চিকিৎসার দেয়া ব্যবস্থা করেছে। জনচলাচল ও একজন আরেকজনের সংস্পর্শে এসে যাতে ভাইরাসটি মহামারী রুপ না নিতে পারে সেই লক্ষ্যে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ জারি করা হয়েছে শুরুতে যা ২ সপ্তাহ থাকলে বর্তমানে আরও ২ সপ্তাহ বৃদ্ধি করে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আরও
কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। মানুষ যাতে বিনা কারণে ঘর থেকে বের না হয় সেই লক্ষ্যে সারাদেশে বাংলাদেশ ও বিদেশী শ্রমিকসহ দেশটির কয়েক হাজার আইন শৃঙ্খলা লংঘনকারীকে আটক করে জেলে পাঠানো হয়েছে। তবে গতকাল কোভিড-১৯ আপডেট এর সাংবাদিক সম্মেলনে এম'সি'ও বা লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল কার্যকরী পদক্ষেপ চলমান
রয়েছে, আক্রান্তের পরিসংখ্যান ও কতজন মানুষ
আক্রান্তদের সংস্পর্শে গিয়েছে তা ভালোভাবে যাচাই করে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী পরিষদে চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হয়েছে তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হচ্ছে। লকডাউন মেয়াদকাল আবারও বাড়াতে হতে পারে তবে সেই বিষয় এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। লকডাউন বাড়ানো হলে সেটা ১ম রমজানের আগের দিন পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সর্বসম্মতিক্রমে আশা করি এই সিদ্ধান্ত নিবেন।
আর এই লকডাউন যদি আবারও বাড়ানো হয় তাহলে মালয়েশিয়াতে অবস্থানরত বাংলাদেশিসহ কয়েক লক্ষ বিদেশি শ্রমিকের জীবন পড়বে হুমকির মুখে। দেশটিতে থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ শ্রমিকের খাদ্যের যোগান ঠিক কে দিবে সেই বিষয়ে সরকার থেকে এখন পরিস্কার ভাবে কিছুই বলা হয়নি। ইতিমধ্যেই ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীর বিভিন্ন পোস্টে ও কমেন্টে হতাশা ও খাদ্যে সংকটের বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷
এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিদিন একের পর এক আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে তবে আশার কথা হল প্রতিদিন অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন৷
মালয়েশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলকে রেড এলার্ট ঘোষণা করা হয়েছে পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ড্রোন দিয়ে প্রতিটি দরজা থেকে থেকে দরজায় ওতপেতে রয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন
👇
সকল শ্রমিকদের বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবে মালয়েশিয়া সরকার লকডাউন চলাকালীন সময়ে থাকবে এই খাদ্য সহায়তা
👇
আজ আরও ৬০ লক্ষ রিঙ্গিত অনুদান পেয়েছেন মহিউদ্দিন ইয়াসিন, যা সর্বমোট ২ কোটি রিঙ্গিত হয়েছে।
👇
আরও কঠিন নিয়ম, এই লকডাউনে পানি, বিদ্যুৎ বিল সাথে রাখার আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ। বিস্তারিত


No comments