কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশী, ভারত ও পাকিস্তানীসহ প্রায় ৬ হাজার নাগরিক ঐ ২টি ভবনে আটকা পড়েছেন।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার ২টি ভবনে আর অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গতকাল ঐ ২টি ভবনে ১৫ জন আক্রান্ত হওয়ার পর জরুরী ভিত্তিতে ঐ এলাকাটি লকডাউন করে ভবন ২টি তে সকল বাসিন্দাদের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সেলাঙ্গর ম্যানশন ও মালায়ান ম্যানশন নামের ঐ ২টি ভবনে প্রায় ৬ হাজার অধিবাসী রয়েছেন তার মধ্য বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া পাকিস্তান এবং মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। কুয়ালালামপুরের জন কোলাহল ও ঘনবসতি পূর্ণ এলাকাটিতে বেশিরভাগই বিদেশি শ্রমিক বসবাস করেন বলে জানা যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশী নাগরিক রয়েছেন। ভবনটিতে

 বসবাসকারী সবাইকে আগামী ১০ দিনের মধ্যেই কোভিড-১৯ এর টেস্ট করা হবে। ততদিন পর্যন্ত কাউকে বের না হওয়ার জন্য কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ থেকে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেকে পর্যাপ্ত খাদ্য ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
তবে ঐ ভবন ২টি কতজন বাংলাদেশী নাগরিক আটকা পড়েছেন সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং সেখানে থাকা কোন বাংলাদেশীর সাথে যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি। তবে ফেডারেল টেরিটরি মন্ত্রী

 (কুয়ালালামপুর) আনোয়ার মূসা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভবন ২টিতে বেশিরভাগ বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকদের বসবাস রয়েছে। আমরা এই তিনটি দেশের হাইকমিশনারগণের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। হাইকমিশন গুলোর মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের বিষয়ে অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়ার আলোচনা করা হবে।

উল্লেখ্য এর আগে একই এলাকার আরেকটি রোডের সিটি ওয়ান প্লাজা নামের ঐ ভবনটি লকডাউন করা হয় যেখানে বিপুল পরিমাণে বাংলাদেশী সহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের বসবাস রয়েছে। ভবনটিতে বসবাসকারী এক বাংলাদেশী ব্যবসায়ী বলেন, এখানে অনেক বাংলাদেশী রয়েছে যাদের বেশিরভাগই ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন দোকান রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি কর্মরত আছেন। তবে সেখানে কোন বাংলাদেশী আক্রান্ত হয়নি যা আমাদের জন্য খুবই ভাল সংবাদ। 

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.