মালয়েশিয়ার প্রবাসী শ্রমিকদের আবাসন বা হোস্টেল ব্যবস্থা উন্নত করার পরামর্শ দিলেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক

কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি কর্মীদের আবাসন বা হোস্টেল গুলোর বসবাসের ব্যবস্থার উন্নতি করা দরকার
বলে পরামর্শ দিয়েছেন মালয়েশিয়ার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশাম  আব্দুল্লাহ।
Image Credit: Malaysiakini   

বুধবার (২৭শে মে) তার দৈনিক কোভিড-১৯ ব্রিফিংয়ের সময় তিনি আশা করে বলেন বুকিত জলিল, সেমেনিয়েহ এবং সেপাং ইমিগ্রেশন কারাগারে বন্দী অবৈধ অভিবাসীদের মাঝে সৃষ্টি হওয়া ক্লাস্টার বা দলবদ্ধ আক্রান্তের বিষয়টি থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহন করা উচিত। ইতিমধ্যেই বুকিত জলিল কারাগারে সৃষ্ট কোভিড-১৯ সংক্রমণটি দেশের ২য় ক্লাস্টার হিসেবে ধরা হয়েছে। যেখানে একটি গন্ডির মধ্যেই ২৮২ জনই বিদেশি নাগরিক আক্রান্ত হয়েছে।

আমি মনে করে আমাদের কয়েকজন কর্মীর থাকার ব্যবস্থাও আমাদের দেখতে হবে। আমি মনে করি সেটিও প্রাদুর্ভাব ছড়ানোর কারণ হতে পারে। যদি কোন সংক্রমণ হয়, তবে শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস নয় আরও অন্যান্য রোগ ও ভাইরাসের সংক্রমণও ঘটতে পারে আপনি যদি আবদ্ধ কোন জায়গায় বসবাস করেন তবে সংক্রমণ অবশ্যই ছড়াবে। তিনি এই ধরনের সমস্যার একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান আশা করে এসব কথা উল্লেখ করেন। আমি মনে করি সীমিত ও জনবহুল জায়গাগুলো বিশেষ করে বিদেশী কর্মিদের সমস্যা সমাধানকল্পে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদিও দেখতে হবে।

 আজ আমরা সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ পাওয়ার আশায় বর্তমান পরিবেশকে নতুন সাধারণ (new noraml) হিসেবে ধরে নিয়ে যেসব নিয়মে কাজকর্ম করছি বা করতে হচ্ছে যা আগের পরিবেশের সাথে কোন মিল নেই। তিনটি ইমিগ্রেশন কারাগারেই সাম্প্রতিক সময়ে চলমান বিভিন্ন EMCO বা রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় কোভিড-১৯ টেস্ট করার পর অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার হওয়া অবৈধদের নিয়ে রাখা হয়েছিল। চলতি মাসের শুরুতেই সেলায়াং, মসজিদ ইন্ডিয়া, মিনারা সিটি ওয়ান এর অভিযান গুলো ছিল উল্লেখযোগ্য যেখানে বিদেশি শ্রমিকদের বসবাস বেশি ছিল।

 নুর হিশাম জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত ইমিগ্রেশন কারাগারে ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার মূল উৎস উদঘাটনের করা সম্ভব হয়নি। সকল রোগী বর্তমানে সেলাঙ্গর রাজ্যের মালয়েশিয়া এগ্রো এক্সপোজিশন পার্ক সেরডাং (MAEPS) এর অস্থায়ী চিকিৎসা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মানবসম্পদ মন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, এমন আইন কার্যকর করার দরকার যাতে শ্রমিকদের আবাসনের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি বাড়ানো যায়।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিদেশি শ্রমিকদের ন্যূনতম আবাসন ও সুযোগসুবিধা আইন ১৯৯০ সংশোধন হয়ে কার্যকর করার কথা ছিল। মানবসম্পদ মন্ত্রী সারাভানান বলেছিলেন এখন নিয়োগকর্তা কোম্পানিদের প্রস্তুতি গ্রহনের সুযোগ দেয়া হবে পরবর্তীতে ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর করা শুরু হবে।


মালয়েশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রতিদিনের নিউজ গুলো বাংলায় পেতে আমাদের পেইজের সাথে থাকুন। আপনার সমস্যা, সুবিধা অসুবিধা, পরামর্শ ও জানাতে আমাদের পেইজে মেসেজ করুন।
পেইজ লিংকঃ সরাসরি যেকোনো তথ্য জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন।
অভিবাসী কন্ঠ
https://www.facebook.com/ovibashi/

এছাড়াও মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের জন্য যে গুরুত্ব ভিডিও পেতে আমাদের এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনে চাপ দিয়ে রাখুন। পরবর্তী যেকোনো নতুন খবর পেয়ে যাবেন খুব সহজেই।
ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ
https://www.youtube.com/channel/UCs7btzzu_EqvVqQwuE7nMRA

অভিবাসী কন্ঠের সাথেই থাকুন।
অভিবাসী কন্ঠ, সবসময় প্রবাসীদের কথা বলে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.