মালয়েশিয়ার অবৈধ অভিবাসীদের কখনোই আন্তরিকভাবে সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়নি, বলছে মানবাধিকার সংস্থা
মালয়েশিয়ার একটি মানবাধিকার সংস্থা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের বক্তব্যকে বিতর্কিত করেছে। কোভিড-১৯ এর স্ক্রিনিং টেস্ট করার জন্য অবৈধ অভিবাসীদের উৎসাহ প্রদান করতে সাধারণ ক্ষমার অফার করেছিলেন তিনি।
মালয়েশিয়ার আইনজীবীদের একটি সংস্থা ল'য়ার্স ফর লিবার্টি (LFL) প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, পুত্রাজায়া যখন সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দেয়ার পর সবার নজরে আসে তখন থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে রেডজোন বা EMCO এলাকাগুলোতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলার পর আটক অভিযান চালাচ্ছিলো।
যেহেতু সাধারণ ক্ষমার অফার থাকা সত্ত্বেও সাঁড়াশি অভিযান এবং গ্রেফতার অব্যাহত ছিল সেহেতু সাধারণ ভাবেই কোন অবৈধ অভিবাসী সেচ্ছায় কোভিড-১৯ টেস্ট করতে এগিয়ে আসবেনা। কারণ সবার মাঝেই গ্রেফতারের আতংক ছড়িয়ে পড়েছিল। গ্রেফতার করা হবে না এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা। অভিবাসীদের কখনই আন্তরিকভাবে সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়নি।
তারা তাদের তথাকথিত সাধারণ ক্ষমার অফারটিতে ভালো প্রভাব ফেলতে ব্যার্থ হয়েছিল। এখানে অভিবাসীদের দোষারোপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির সমন্বয়কারী জায়েদ মালেক।
মানবাধিকার সংস্থা এলএফএল আরও জানায়, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংস্থা গুলোর তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও পুত্রজায়া জোর করে অবৈধ অভিবাসীদের আটকের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলো। এতে বলা হয়েছে যে, পুত্রজায়াকে অবশ্যই অভিযান ও গ্রেফতার স্থগিত করা উচিত যতক্ষণ না মহামারীটির সমাধান না হয় এবং অভিবাসীদের মনে কোন ভয়ভীতি ছাড়াই এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
ইসমাইল সাবরি গতকাল রবিবার (৩১ শে মে) বলেছিলেন যে, কোভিড -১৯-এর পরীক্ষার জন্য আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সরকারের দেয়া অফার শেষ হয়েছে। সরকারের অফার চলাকালীন কেউ এগিয়ে আসেনি।
মালয়েশিয়ার আইনজীবীদের একটি সংস্থা ল'য়ার্স ফর লিবার্টি (LFL) প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, পুত্রাজায়া যখন সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দেয়ার পর সবার নজরে আসে তখন থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে রেডজোন বা EMCO এলাকাগুলোতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলার পর আটক অভিযান চালাচ্ছিলো।
যেহেতু সাধারণ ক্ষমার অফার থাকা সত্ত্বেও সাঁড়াশি অভিযান এবং গ্রেফতার অব্যাহত ছিল সেহেতু সাধারণ ভাবেই কোন অবৈধ অভিবাসী সেচ্ছায় কোভিড-১৯ টেস্ট করতে এগিয়ে আসবেনা। কারণ সবার মাঝেই গ্রেফতারের আতংক ছড়িয়ে পড়েছিল। গ্রেফতার করা হবে না এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা। অভিবাসীদের কখনই আন্তরিকভাবে সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়নি।
তারা তাদের তথাকথিত সাধারণ ক্ষমার অফারটিতে ভালো প্রভাব ফেলতে ব্যার্থ হয়েছিল। এখানে অভিবাসীদের দোষারোপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির সমন্বয়কারী জায়েদ মালেক।
মানবাধিকার সংস্থা এলএফএল আরও জানায়, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংস্থা গুলোর তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও পুত্রজায়া জোর করে অবৈধ অভিবাসীদের আটকের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলো। এতে বলা হয়েছে যে, পুত্রজায়াকে অবশ্যই অভিযান ও গ্রেফতার স্থগিত করা উচিত যতক্ষণ না মহামারীটির সমাধান না হয় এবং অভিবাসীদের মনে কোন ভয়ভীতি ছাড়াই এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
ইসমাইল সাবরি গতকাল রবিবার (৩১ শে মে) বলেছিলেন যে, কোভিড -১৯-এর পরীক্ষার জন্য আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সরকারের দেয়া অফার শেষ হয়েছে। সরকারের অফার চলাকালীন কেউ এগিয়ে আসেনি।


No comments