কলিং ভিসা চালুর উদ্দেশ্যে আগামীকাল মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সফর হতে পারে বাংলাদেশে
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী কুয়ালাসেগারান এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ সম্পর্কিত বিভিন্ন নীতিমালা ও শর্তাবলি চুড়ান্ত করনের লক্ষ্যে আগামীকাল অর্থাৎ ২৪ শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে বাংলাদেশ সফর করতে পারেন।
সফরকালে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী তার সঙ্গীয় ছয় সদস্যের প্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে একটি দিপক্ষীয় মিটিং এর নেতৃত্ব দিবেন সেই সাথে বাংলাদেশের হয়ে নেতৃত্ব দিবেন প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব ইমরান আহমেদ।
বৈঠকের পর কুয়ায়ালা এম সেগারান জনাব ইমরান আহমেদের সাথে মন্ত্রণালয় অফিসে একটি পৃথক ও একান্ত আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর একটি সুত্র।
এর আগে আরো বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল বেশ কয়েকবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার মিটিং করে বিভিন্ন নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা গুলোর খসড়া চুড়ান্ত করার লক্ষ্যে।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের শেষের দিকে একটি নতুন পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগ এর লক্ষ্যে ২০১৬ সালে শুরু হওয়া G To G plus বাতিল করার ঘোষণা দেয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর মতে, মালয়েশিয়া সরকার কোন ধরনের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের দেশে কর্মী নিয়োগ দিতে আগ্রহী নন।
তারা চায় যেন অনুমোদিত সকল এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ এর একটি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরী হয়।
জানা যায়, কুয়ালাসেগারান No Syndicate বলে হুশিয়ারি দিতে পারেন, যাতে করে এই আগের মত এই সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক কেউ প্রতারিত না হয়।
মালয়েশিয়া সরকার ২০১৬ সালে পাঁচটি সেক্টরে মোট ৫ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ এর প্রস্তাব করে দুই দেশ জি টু জি প্লাস পদ্ধতির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিলেন।
যেখানে ১ বছরে ৫ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ এর প্রস্তাব করা হয় সেখানে বাংলাদেশের ১০ টি এজেন্সি ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এজেন্টদের কারণে ২ বছরেও ২ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি।
![]() |
| মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী কুয়ালাসেগারান |
সফরকালে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী তার সঙ্গীয় ছয় সদস্যের প্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে একটি দিপক্ষীয় মিটিং এর নেতৃত্ব দিবেন সেই সাথে বাংলাদেশের হয়ে নেতৃত্ব দিবেন প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব ইমরান আহমেদ।
বৈঠকের পর কুয়ায়ালা এম সেগারান জনাব ইমরান আহমেদের সাথে মন্ত্রণালয় অফিসে একটি পৃথক ও একান্ত আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর একটি সুত্র।
এর আগে আরো বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল বেশ কয়েকবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার মিটিং করে বিভিন্ন নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা গুলোর খসড়া চুড়ান্ত করার লক্ষ্যে।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের শেষের দিকে একটি নতুন পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগ এর লক্ষ্যে ২০১৬ সালে শুরু হওয়া G To G plus বাতিল করার ঘোষণা দেয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর মতে, মালয়েশিয়া সরকার কোন ধরনের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের দেশে কর্মী নিয়োগ দিতে আগ্রহী নন।
তারা চায় যেন অনুমোদিত সকল এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ এর একটি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরী হয়।
জানা যায়, কুয়ালাসেগারান No Syndicate বলে হুশিয়ারি দিতে পারেন, যাতে করে এই আগের মত এই সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক কেউ প্রতারিত না হয়।
মালয়েশিয়া সরকার ২০১৬ সালে পাঁচটি সেক্টরে মোট ৫ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ এর প্রস্তাব করে দুই দেশ জি টু জি প্লাস পদ্ধতির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিলেন।
যেখানে ১ বছরে ৫ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ এর প্রস্তাব করা হয় সেখানে বাংলাদেশের ১০ টি এজেন্সি ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এজেন্টদের কারণে ২ বছরেও ২ লক্ষ শ্রমিক নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি।



দোয়া করি
ReplyDelete