রিহায়ারিংয়ে ৭৪৪,০০০ নিবন্ধিত অবৈধদের বেশিরভাগই ভিসা পায়নি, দায় নেয়নি মাই'ইজি ইমান ও বি এম
Report By: Md Sarowar Hossain
Date: 17.12.2019
অভিবাসী অধিকার সংস্থা তেনাগানিতা বলেছেন যে, মালয়েশিয়া সরকার ৩ বছর আগে অবৈধদের বৈধ হওয়ার জন্য রিহায়ারিং
প্রোগ্রামটি পরিচালনা করার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয় যার মাধ্যমে ৭৪৪,০০০ জন অভিবাসী নিবন্ধন করেছিল।
আরও বলা হয় যে, ২০১৮ সালের জুন মাসে রিহায়ারিং প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর নিবন্ধিত শ্রমিকদের মধ্যে ১১০,০০০ জন ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন।
তেনাগানিতা পরিচালিত বিভিন্ন অনুসন্ধানের অনুযায়ী প্রতিটি নিবন্ধিত শ্রমিক গড়ে ৬,০০০ রিঙ্গিত প্রদান করেছে। তেনাগানিতার পরিচালক জোসেফ পল মালাইমাউভ বলেছেন যে, সরকার ঘোষিত রিহায়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভিসা দেয়া ছাড়াই শ্রমিকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ রিঙ্গিত নেয়া হয়েছিল তা অভিবাসী শ্রমিকদের চিকিৎসা খাতে ব্যবহার করা উচিত।
এই অর্থকে সরকারের বা ৩ টি প্রতিষ্ঠানের (মাই'ইজি,ইমান, বিএম) আয় হিসেবে গন্য করা পাপ হবে বলেও অভিহিত করেন তিন।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, যারা ওয়ার্ক পারমিট পায়নি তাদের প্রদত্ত টাকাগুলোর কোন হিসেব নেই এবং যারা মাই'ইজি, ইমান,বিএম এর নিকট পাসপোর্ট জমা দিয়েছিলেন কিন্তু ভিসা পায়নি তাদের অনেকেরই পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন, কর্মসূচির ব্যর্থতার দায় সরকার নিতে অস্বীকার করেছিল এবং মাই'ইজি, ইমান ও বিএম এই তিনটি প্রতিষ্ঠান সময় মতো আবেদন প্রক্রিয়াগুলো শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারকে দোষ দিয়েছেন।
চলতি বছরের আগস্টে সরকার " ব্যাক ফর গুড" নামে আরও একটি সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীরা ৭০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে তাদের নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এদিকে অভিবাসী সংস্থা তেনাগানিতার নির্বাহী পরিচালক গ্লোরিন দাস প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যুর সংখ্যার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় এই বছরের জানুয়ারী থেকে অক্টোবরের মধ্যে ৯১ জন শ্রমিক মৃতদেহ মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে
এতে আরও বলা হয়, মাত্র একটি প্রদেশে গড়ে প্রতিমাসে ৯ জন অভিবাসী শ্রমিক মারা যায়।
নেপালি কর্মীদের ক্ষেত্রে, ২০১২ সালে 322 জন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা এনজিওর প্রতিবেদনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে প্রায় প্রতিদিন একজন নেপালি অভিবাসী কর্মীর লাশের কফিন নেপালে ফেরত যায়।
তিনি বলেন, পেরাকের সিতিয়াওয়ানে সাম্প্রতিক ঘটনায় পাম অয়েল বাগানে কর্মরত অভিবাসী কর্মীকে সাপে কামড়ানোর পরও তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি, পরে ঐ শ্রমিক মারা যায়। তিনি দাবি করেন যে, "তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি কারণ তিনি অবৈধ শ্রমিক ছিলেন। এই ধরনের অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
মানবসম্পদ মন্ত্রী কুয়ালাসেগারান এর প্রতি অনুরোধ জানানো হয় যে, এসব বিষয়ে গুরুতর পদক্ষেপ নিতে যেন অভিবাসী শ্রমিকগন অবৈধ না হয়, আর অবৈধ হওয়ার পর যেন এই ধরনের পরিস্থিতিতে না পড়ে।
তথ্যসূত্রঃ বারনামা/ ফ্রি মালয়েশিয়াটুডে
Date: 17.12.2019
মালয়েশিয়ার একটি অভিবাসী অধিকার সংস্থা সরকারের জানতে চেয়েছে যে, ২০১৬ সালে শুরু হওয়া অবৈধ অভিবাসী দের বৈধকরণ প্রক্রিয়া "রিহায়ারিং প্রোগ্রামের" মাধ্যমে নিবন্ধিত শ্রমিকদের যাদের ভিসা দেওয়া হয়নি তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা মিলিয়ন মিলিয়ন রিঙ্গিত কোথায় গেছে।
![]() |
| The picture of Rehiring programme from Bernama |
অভিবাসী অধিকার সংস্থা তেনাগানিতা বলেছেন যে, মালয়েশিয়া সরকার ৩ বছর আগে অবৈধদের বৈধ হওয়ার জন্য রিহায়ারিং
প্রোগ্রামটি পরিচালনা করার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয় যার মাধ্যমে ৭৪৪,০০০ জন অভিবাসী নিবন্ধন করেছিল।
আরও বলা হয় যে, ২০১৮ সালের জুন মাসে রিহায়ারিং প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর নিবন্ধিত শ্রমিকদের মধ্যে ১১০,০০০ জন ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন।
তেনাগানিতা পরিচালিত বিভিন্ন অনুসন্ধানের অনুযায়ী প্রতিটি নিবন্ধিত শ্রমিক গড়ে ৬,০০০ রিঙ্গিত প্রদান করেছে। তেনাগানিতার পরিচালক জোসেফ পল মালাইমাউভ বলেছেন যে, সরকার ঘোষিত রিহায়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভিসা দেয়া ছাড়াই শ্রমিকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ রিঙ্গিত নেয়া হয়েছিল তা অভিবাসী শ্রমিকদের চিকিৎসা খাতে ব্যবহার করা উচিত।
এই অর্থকে সরকারের বা ৩ টি প্রতিষ্ঠানের (মাই'ইজি,ইমান, বিএম) আয় হিসেবে গন্য করা পাপ হবে বলেও অভিহিত করেন তিন।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, যারা ওয়ার্ক পারমিট পায়নি তাদের প্রদত্ত টাকাগুলোর কোন হিসেব নেই এবং যারা মাই'ইজি, ইমান,বিএম এর নিকট পাসপোর্ট জমা দিয়েছিলেন কিন্তু ভিসা পায়নি তাদের অনেকেরই পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন, কর্মসূচির ব্যর্থতার দায় সরকার নিতে অস্বীকার করেছিল এবং মাই'ইজি, ইমান ও বিএম এই তিনটি প্রতিষ্ঠান সময় মতো আবেদন প্রক্রিয়াগুলো শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারকে দোষ দিয়েছেন।
চলতি বছরের আগস্টে সরকার " ব্যাক ফর গুড" নামে আরও একটি সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীরা ৭০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে তাদের নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এদিকে অভিবাসী সংস্থা তেনাগানিতার নির্বাহী পরিচালক গ্লোরিন দাস প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যুর সংখ্যার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় এই বছরের জানুয়ারী থেকে অক্টোবরের মধ্যে ৯১ জন শ্রমিক মৃতদেহ মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে
এতে আরও বলা হয়, মাত্র একটি প্রদেশে গড়ে প্রতিমাসে ৯ জন অভিবাসী শ্রমিক মারা যায়।
নেপালি কর্মীদের ক্ষেত্রে, ২০১২ সালে 322 জন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা এনজিওর প্রতিবেদনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে প্রায় প্রতিদিন একজন নেপালি অভিবাসী কর্মীর লাশের কফিন নেপালে ফেরত যায়।
তিনি বলেন, পেরাকের সিতিয়াওয়ানে সাম্প্রতিক ঘটনায় পাম অয়েল বাগানে কর্মরত অভিবাসী কর্মীকে সাপে কামড়ানোর পরও তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি, পরে ঐ শ্রমিক মারা যায়। তিনি দাবি করেন যে, "তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি কারণ তিনি অবৈধ শ্রমিক ছিলেন। এই ধরনের অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
মানবসম্পদ মন্ত্রী কুয়ালাসেগারান এর প্রতি অনুরোধ জানানো হয় যে, এসব বিষয়ে গুরুতর পদক্ষেপ নিতে যেন অভিবাসী শ্রমিকগন অবৈধ না হয়, আর অবৈধ হওয়ার পর যেন এই ধরনের পরিস্থিতিতে না পড়ে।
তথ্যসূত্রঃ বারনামা/ ফ্রি মালয়েশিয়াটুডে


No comments