বিমান দূর্ঘটনায় আহত হলে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং লাগেজ হারালে কেজিপ্রতি ১ লাখ ১৭ হাজার
প্রতিবেদকঃ মোঃ সারোয়ার হোসেন (অভিবাসী কন্ঠ)
তারিখঃ ২১শে জানুয়ারী ২০২০
বিমানে আসা লাগেজ বা যাত্রীর মালামাল বোঝাই ব্যাগেজ লেফট বিহাইন্ড হলে বা হারালে অথবা নষ্ট হলে যেখানে নামমাত্র ২০ ডলার সম'মান টাকা প্রায় ১৭০০ টাকা দেয়া হতে সেখানে এখন থেকে এই ক্ষতি'পূরণ হিসেবে প্রত্যেকটা বিমান কর্তৃপক্ষকে দিতে কেজিপ্রতি ১৩৮১ ডলার। অর্থাৎ কোন যাত্রীর ব্যাগ, লাগেজ, অথবা মালা'মাল বোঝাইকৃত যেকোন ব্যাগ হারানো গেলে বা নষ্ট হলে যাত্রী পাবে
কেজি'প্রতি ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা। আর কোন বিমান দূর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরন ২০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। গতকাল ২০শে জানুয়ারী, সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব ক্ষতিপূরণ এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে ‘"আকাশপথে পরি'বহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) আইন" ২০২০-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকের সুত্র ধরে, বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রি'পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রি'সভা আকাশ'পথের যাত্রীদের নিরা'পত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে
"মন্ট্রিল কনভেনশন-১৯৯৯" এর আলোকে এই আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। মন্ট্রিল কনভেনশনটি অনুস্বাক্ষর এবং বিমান যাত্রীর মৃত্যু, আঘাত ও মালামাল নষ্ট অথবা হারানোর ক্ষতিপূরণ প্রদান সহজীকরণের জন্য মন্ট্রিল কন'ভেনশনের আলোকে আকাশ'পথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন, ১৯৯৯) আইন, ২০২০-এর খসড়াটি প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটি প্রণীত হলে হলে ব্যাগেজ হারানো বা বিনষ্টের ক্ষতিপূরণ প্রতিকেজি ২০ মার্কিন ডলার (১৭০০ টাকা) থেকে বেড়ে ১৩৮১ ডলার হবে (১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা)। ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহন'কারী দায় হবে ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার (৪ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৪ টাকা), যা আগে ২০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা) ছিল। এ ছাড়া কার্গো বিনষ্ট বা হারানোর জন্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে নতুন আইনে ক্ষতিপূরণের অংশ বেড়ে ২৪ ডলার হবে।
মন্ত্রিপরিষদের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পুরোনো আইনে (ওয়ারশ কনভেনশন) মৃত্যু বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণের হার ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা। নতুন আইনে ক্ষতিপূরণ মিলবে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৪ মার্কিন ডলার, যা দেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা হবে। ফলে যাত্রীর মৃত্যু অথবা আঘাত, ব্যাগেজ ও কার্গো ক্ষতি অথবা হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার আগের চেয়ে অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে। এই সংক্রান্ত আইনটি প্রণীত না হওয়ায় ২০১৭ সালে নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা নামমাত্র ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যাত্রীর সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিত্বকারী ওয়ারিশদের মধ্যে এই আইনের বিধান মোতাবেক ক্ষতিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়ো'জাহাজের পক্ষ বা বিমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদা'লতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। আকাশপথে অভ্যন্তরীণ পরিবহনে বিলম্ব, ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এই আইন মন্ট্রিল কনভেনশন এবং এর আলোকে প্রণীত প্রটো'কলের সংশোধনীগুলো নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার প্রয়োগ করতে পারবে।
তারিখঃ ২১শে জানুয়ারী ২০২০
বিমানে আসা লাগেজ বা যাত্রীর মালামাল বোঝাই ব্যাগেজ লেফট বিহাইন্ড হলে বা হারালে অথবা নষ্ট হলে যেখানে নামমাত্র ২০ ডলার সম'মান টাকা প্রায় ১৭০০ টাকা দেয়া হতে সেখানে এখন থেকে এই ক্ষতি'পূরণ হিসেবে প্রত্যেকটা বিমান কর্তৃপক্ষকে দিতে কেজিপ্রতি ১৩৮১ ডলার। অর্থাৎ কোন যাত্রীর ব্যাগ, লাগেজ, অথবা মালা'মাল বোঝাইকৃত যেকোন ব্যাগ হারানো গেলে বা নষ্ট হলে যাত্রী পাবে
কেজি'প্রতি ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা। আর কোন বিমান দূর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরন ২০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। গতকাল ২০শে জানুয়ারী, সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব ক্ষতিপূরণ এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে ‘"আকাশপথে পরি'বহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) আইন" ২০২০-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকের সুত্র ধরে, বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রি'পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রি'সভা আকাশ'পথের যাত্রীদের নিরা'পত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে
"মন্ট্রিল কনভেনশন-১৯৯৯" এর আলোকে এই আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। মন্ট্রিল কনভেনশনটি অনুস্বাক্ষর এবং বিমান যাত্রীর মৃত্যু, আঘাত ও মালামাল নষ্ট অথবা হারানোর ক্ষতিপূরণ প্রদান সহজীকরণের জন্য মন্ট্রিল কন'ভেনশনের আলোকে আকাশ'পথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন, ১৯৯৯) আইন, ২০২০-এর খসড়াটি প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটি প্রণীত হলে হলে ব্যাগেজ হারানো বা বিনষ্টের ক্ষতিপূরণ প্রতিকেজি ২০ মার্কিন ডলার (১৭০০ টাকা) থেকে বেড়ে ১৩৮১ ডলার হবে (১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা)। ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহন'কারী দায় হবে ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার (৪ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৪ টাকা), যা আগে ২০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা) ছিল। এ ছাড়া কার্গো বিনষ্ট বা হারানোর জন্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে নতুন আইনে ক্ষতিপূরণের অংশ বেড়ে ২৪ ডলার হবে।
![]() |
| বিমান দূর্ঘটনা এবং লাগেজ হারানো ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি |
মন্ত্রিপরিষদের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পুরোনো আইনে (ওয়ারশ কনভেনশন) মৃত্যু বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণের হার ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা। নতুন আইনে ক্ষতিপূরণ মিলবে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৪ মার্কিন ডলার, যা দেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা হবে। ফলে যাত্রীর মৃত্যু অথবা আঘাত, ব্যাগেজ ও কার্গো ক্ষতি অথবা হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার আগের চেয়ে অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে। এই সংক্রান্ত আইনটি প্রণীত না হওয়ায় ২০১৭ সালে নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা নামমাত্র ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যাত্রীর সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিত্বকারী ওয়ারিশদের মধ্যে এই আইনের বিধান মোতাবেক ক্ষতিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়ো'জাহাজের পক্ষ বা বিমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদা'লতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। আকাশপথে অভ্যন্তরীণ পরিবহনে বিলম্ব, ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এই আইন মন্ট্রিল কনভেনশন এবং এর আলোকে প্রণীত প্রটো'কলের সংশোধনীগুলো নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার প্রয়োগ করতে পারবে।


No comments