বৈধ ভিসা থাকা সত্বেও ইমিগ্রেশন গ্রেফতার করছে, তথাকথিত এজেন্ট কোম্পানির ভিসা নিয়ে কাজ করাও ঝুঁকি
প্রতিবেদকঃ মোঃ সারোয়ার হোসেন (অভিবাসী কন্ঠ)
তারিখঃ ২০শে জানুয়ারী ২০২০
চলতি বছরের প্রথমেই মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশটিতে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে হুশিয়ারি দিয়েছেন। মালয়েশিয়াকে সম্পুর্নভাবে অবৈধমুক্ত করতে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জিরো ইল্লিগ্যাল করার ঘোষণা দিয়েছে পাশাপাশি ২০২০ সালে ৭০ হাজার অবৈধকে আটক করার টার্গেট নিয়েছে। ইমিগ্রেশন সম্প্রতি অভিবাসন আইনের দিক দিয়ে খুবই কঠোর হতে দেখা গেছে, বিগত কয়েক বছরেও
যা দেখা যায়নি। চলতি মাসেই আনুমানিক দেড় হাজারেরও বেশি আটক হয়েছে। এর মধ্যে বংলাদেশীদের সংখ্যাও হবে ৫০০ এর কাছাকাছি।
দেশটির সকল রাজ্যেই প্রতিটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারমধ্য সবচেয়ে বেশি অভিযান পেনাং এবং জোহর প্রদেশে দেয়া হচ্ছে। পেনাংয়ে প্রতিটি দরজায় দরজায় হানা দিচ্ছে ইমিগ্রেশন। এক্ষেত্রে বাদ যাচ্ছেনা কেউই, বৈধ ভিসা
থাকার পরেও আটক হচ্ছেন অনেকেই।
পেনাংয়ে গত কিছুদিন আগে একটি অভিযানে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে ২০ হাজার রিঙ্গিত ঘুষ দিতে চেয়ে মুক্তি মেলেনি কিছু চাইনিজ এবং বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীর। পেনাং ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন অভিবাসীকে আটক করেছি, যাদের বৈধ ভিসা আছে, কিন্তু তারা ইমিগ্রেশন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। ভিসার মধ্যে থাকা উল্লেখিত ঠিকানা অনুযায়ী তারা অবস্থান না করে অন্য জায়গায় এসে কাজ করছে, যার কোন ধরনের অনুমতি পত্রও নেই, অথবা তাদের অবৈধ কোম্পানি কোন ঠিকানা পরিবর্তনের কোন আবেদন করেননি। কারো কারো কোম্পানির ঠিকানা কুয়ালালামপুর, পেতালিং জায়া, অথবা অন্য প্রদেশের কিন্তু তারা অবৈধভাবে পেনাংয়ে ভিন্ন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করছেন যা মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী অবৈধ। সুতরাং আমরা বলতে চাই ভিসার মধ্যে যে কোম্পানির ঠিকানা, কোম্পানির নাম থাকবে প্রত্যেক কর্মীরা যেনা সেই ঠিকানা অনুযায়ীই কাজ করে।
বিগত রিহায়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে অনেক অবৈধ অভিবাসী ভিসা করে নিয়েছেন তথাকথিত এজেন্ট কোম্পানির আন্ডারে। অর্থাৎ আপনি এমন একটি কোম্পানির করেছেন যে কোম্পানির নিজের কোন কাজ নেই, আপনাকে বাইরের যেকোনো জায়গায় নিজের কাজ নিজেকেই খুজে নিতে হচ্ছে। আপনার ঐ এজেন্ট কোম্পানি আপনাকে কোন কাজ দিতে পারছেনা। এসব কোম্পানি গুলো আপনাকে ভিসা করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে তাদের আয় করার ব্যবস্থা করে নিয়েছে। যেখানে ভিসা রিনিউ বা নবায়নকরতে ২ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়ে থাকে সেখানে এসব কোম্পানি ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত নিয়ে থাকে। সাধারণত এসব কোম্পানিতে ভিসা নিয়ে আপনি যেখানেই কাজ করুন না কেন ইমিগ্রেশন গ্রেফতার করবেই। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনার এসব এজেন্ট কোম্পানি আপনাকে ছাড়িয়ে নিতেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে, অনেক ক্ষেত্রে মি অনেক কোম্পানি ছাড়িয়ে নেয়ার কোন ব্যবস্থাই নেয়না।
এদিকে মালয়েশিয়া থাকা প্রবাসীদের বিভিন্ন গ্রুপ বা পেইজের মাধ্যমে সাবধানে ও নিরাপদে থাকার জন্য বলা হচ্ছে। কারণ মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অভিযান খুবই ভয়াবহ পর্যায়ে এসেছে। বর্তমানের মত চলমান অভিযান বিগত দিনকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তারিখঃ ২০শে জানুয়ারী ২০২০
চলতি বছরের প্রথমেই মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশটিতে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে হুশিয়ারি দিয়েছেন। মালয়েশিয়াকে সম্পুর্নভাবে অবৈধমুক্ত করতে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জিরো ইল্লিগ্যাল করার ঘোষণা দিয়েছে পাশাপাশি ২০২০ সালে ৭০ হাজার অবৈধকে আটক করার টার্গেট নিয়েছে। ইমিগ্রেশন সম্প্রতি অভিবাসন আইনের দিক দিয়ে খুবই কঠোর হতে দেখা গেছে, বিগত কয়েক বছরেও
যা দেখা যায়নি। চলতি মাসেই আনুমানিক দেড় হাজারেরও বেশি আটক হয়েছে। এর মধ্যে বংলাদেশীদের সংখ্যাও হবে ৫০০ এর কাছাকাছি।
দেশটির সকল রাজ্যেই প্রতিটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারমধ্য সবচেয়ে বেশি অভিযান পেনাং এবং জোহর প্রদেশে দেয়া হচ্ছে। পেনাংয়ে প্রতিটি দরজায় দরজায় হানা দিচ্ছে ইমিগ্রেশন। এক্ষেত্রে বাদ যাচ্ছেনা কেউই, বৈধ ভিসা
থাকার পরেও আটক হচ্ছেন অনেকেই।
পেনাংয়ে গত কিছুদিন আগে একটি অভিযানে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে ২০ হাজার রিঙ্গিত ঘুষ দিতে চেয়ে মুক্তি মেলেনি কিছু চাইনিজ এবং বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীর। পেনাং ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন অভিবাসীকে আটক করেছি, যাদের বৈধ ভিসা আছে, কিন্তু তারা ইমিগ্রেশন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। ভিসার মধ্যে থাকা উল্লেখিত ঠিকানা অনুযায়ী তারা অবস্থান না করে অন্য জায়গায় এসে কাজ করছে, যার কোন ধরনের অনুমতি পত্রও নেই, অথবা তাদের অবৈধ কোম্পানি কোন ঠিকানা পরিবর্তনের কোন আবেদন করেননি। কারো কারো কোম্পানির ঠিকানা কুয়ালালামপুর, পেতালিং জায়া, অথবা অন্য প্রদেশের কিন্তু তারা অবৈধভাবে পেনাংয়ে ভিন্ন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করছেন যা মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী অবৈধ। সুতরাং আমরা বলতে চাই ভিসার মধ্যে যে কোম্পানির ঠিকানা, কোম্পানির নাম থাকবে প্রত্যেক কর্মীরা যেনা সেই ঠিকানা অনুযায়ীই কাজ করে।
![]() |
| বৈধ ভিসা থাকার পরেও গ্রেফতার করছে ইমিগ্রেশন |
বিগত রিহায়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে অনেক অবৈধ অভিবাসী ভিসা করে নিয়েছেন তথাকথিত এজেন্ট কোম্পানির আন্ডারে। অর্থাৎ আপনি এমন একটি কোম্পানির করেছেন যে কোম্পানির নিজের কোন কাজ নেই, আপনাকে বাইরের যেকোনো জায়গায় নিজের কাজ নিজেকেই খুজে নিতে হচ্ছে। আপনার ঐ এজেন্ট কোম্পানি আপনাকে কোন কাজ দিতে পারছেনা। এসব কোম্পানি গুলো আপনাকে ভিসা করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে তাদের আয় করার ব্যবস্থা করে নিয়েছে। যেখানে ভিসা রিনিউ বা নবায়নকরতে ২ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়ে থাকে সেখানে এসব কোম্পানি ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত নিয়ে থাকে। সাধারণত এসব কোম্পানিতে ভিসা নিয়ে আপনি যেখানেই কাজ করুন না কেন ইমিগ্রেশন গ্রেফতার করবেই। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনার এসব এজেন্ট কোম্পানি আপনাকে ছাড়িয়ে নিতেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে, অনেক ক্ষেত্রে মি অনেক কোম্পানি ছাড়িয়ে নেয়ার কোন ব্যবস্থাই নেয়না।
এদিকে মালয়েশিয়া থাকা প্রবাসীদের বিভিন্ন গ্রুপ বা পেইজের মাধ্যমে সাবধানে ও নিরাপদে থাকার জন্য বলা হচ্ছে। কারণ মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অভিযান খুবই ভয়াবহ পর্যায়ে এসেছে। বর্তমানের মত চলমান অভিযান বিগত দিনকেও ছাড়িয়ে গেছে।


No comments