আবারও মালয়েশিয়ায় ৭০ জন বাংলাদেশীসহ মোট ১৪৫ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার, বিস্তারিত দেখুন।

ইমিগ্রেশন রেইড এর সময় আটক হওয়া থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজন অবৈধ অভিবাসী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে ২০ হাজার রিঙ্গিত বা ৪ লাখেরও বেশি টাকা ঘুষ দেয়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে যায়। মালয়েশিয়ার কেডাহ অঞ্চলের কুলিম এর হাই টেক ফ্যাক্টরিতে অভিযান চলাকালীন সময়ে এই ঘটনাটি ঘটে। কেডাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) পরিচালক জুহাইর জামালউদ্দিন বলেছেন, সন্ধ্যা ৪ টা ৩০ মিনিটে অভিযানের সময় তাদের মুক্তি দেওয়ার আশায় এই প্রস্তাবটি করেছিলো। তার মতে, এই অভিযানে ১৮৫ জন বিদেশি পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ১৪৫ জন পাকিস্তান, চীন, ভিয়েতনাম এবং বাংলাদেশের নাগরিক। এর মধ্যে  ৭০ জন বাংলাদেশী পুরুষ, ৫৬ জন চাইনিজ পুরুষ এবং একজন মহিলা, ১৫ ভিয়েতনামী পুরুষ এবং একজন মহিলা এবং ২১ থেকে ৫৮ বছর বয়সী দুই পাকিস্তানী পুরুষ রয়েছেন।
৭০ জন বাংলাদেশীসহ ১৪৫ জন অবৈধ অভিবাসী আটক
প্রতিবেদনঃ ফারহান ইশতিয়াক তাসিন (মালয়েশিয়া প্রতিনিধি)
তারিখঃ ০৮/০১/২০২০

ইমিগ্রেশন রেইড এর সময় আটক হওয়া থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজন অবৈধ অভিবাসী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে ২০ হাজার রিঙ্গিত 
বা ৪ লাখেরও বেশি টাকা ঘুষ দেয়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে যায়। মালয়েশিয়ার কেডাহ অঞ্চলের কুলিম এর হাই টেক ফ্যাক্টরিতে অভিযান চলাকালীন সময়ে এই ঘটনাটি ঘটে। কেডাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) পরিচালক জুহাইর জামালউদ্দিন বলেছেন, সন্ধ্যা ৪ টা ৩০ মিনিটে অভিযানের সময় তাদের মুক্তি দেওয়ার 

আশায় এই প্রস্তাবটি করেছিলো। তার মতে, এই অভিযানে ১৮৫ জন বিদেশি পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ১৪৫ জন পাকিস্তান, চীন, ভিয়েতনাম এবং বাংলাদেশের নাগরিক। এর মধ্যে  ৭০ জন বাংলাদেশী পুরুষ, ৫৬ জন চাইনিজ পুরুষ এবং একজন মহিলা, ১৫ ভিয়েতনামী পুরুষ এবং একজন মহিলা এবং ২১ থেকে ৫৮ বছর বয়সী দুই পাকিস্তানী পুরুষ রয়েছেন। তিনি আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কমপ্লেক্সের কেদা ইমিগ্রেশন অফিসে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "তাদের মধ্যে বেশিরভাগের ভিসা থাকলেও যে কোম্পানির ভিসা বহন করছেন সেই কোম্পানিতে কাজ না করে অন্য কোম্পানি এবং অরিজিনাল কোম্পানির ঠিকানা থেকে বহুদূরে অবস্থান করে কাজ করে যাচ্ছেন এবং কয়েকজনে কোন বৈধ ভিসা বা কোন ডকুমেন্টস পাওয়া যায়নি।
মূল মাজিকান বা কোম্পানি গুলো তাদের শ্রমিকদের  স্থানান্তরের বা ভিন্ন ঠিকানা বা ভিন্ন কোম্পানিতে কোন ধরনের ঘোষণা বা কোন চুক্তিপত্র সম্পাদন করেনি। 

তিনি বলেন যে এই বছরের প্রথম দিকে বিদেশি কর্মীরা বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত জড়িতদের মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্রেপ্তার ছিল।
জুহায়ের বলেন, আটক সকলকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৩ এর অধীনে তদন্ত করা হয়েছিল এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯ .৩ এর অধীন প্রদত্ত পাসের প্রয়োজনীয়তা লঙ্ঘন করা হয়েছে।
তাদের আরও তদন্তের জন্য বেলজিয়ান ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার, সিক-এ নেওয়া হবে, বলে জানিয়েছেন তিনি।

1 comment:

  1. http://www.wasap.my/+601160606319
    admin please reply on WhatsApp,
    I need learn something from you.

    ReplyDelete

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.