ছুটিতে দেশে আসার পর সিঙ্গাপুর প্রবাসীর স্ত্রী করোনা ভাইরাসের আতংকে স্বামিকে ছেড়ে পালিয়ে গেছে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে আসা এক প্রবাসী করোনা'ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন এমন ভয়ে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে গেছেন।
এরপর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ভয়ভীতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা ওই প্রবাসীর নাম আব্বাস আলী (৪২)। তিনি উপজেলার দেউলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের শামছুল হকের ছেল। গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি সিঙ্গাপুর থেকে নিজ বাড়িতে আসেন।
এ বিষয়ে উপজেলার কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা রাজিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করে ঐ সিঙ্গাপুর প্রবাসীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে আরও অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা রাজিক বলেন, আব্বাস সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর তার স্ত্রীকে চীনে উৎপত্তি হওয়া করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত বলেন। এর পর তার স্ত্রী আতঙ্কিত ও ভয় পেয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। যেকারণে এলাকা'বাসীর মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আব্বাস আলী জানান, তার কোনো সময় জ্বর বা ঠান্ডা লাগেনি। শ্রেফ হয়রানি করার জন্য তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আব্বাস আলী যখন দেশে আসেন, তখন তার শরীরে কোনো করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এমনকি বিমান বন্দরের স্ক্যানারেও জ্বরের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর উদ্বেগের কারণে এ সমস্যা হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
এরপর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ভয়ভীতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা ওই প্রবাসীর নাম আব্বাস আলী (৪২)। তিনি উপজেলার দেউলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের শামছুল হকের ছেল। গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি সিঙ্গাপুর থেকে নিজ বাড়িতে আসেন।
এ বিষয়ে উপজেলার কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা রাজিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করে ঐ সিঙ্গাপুর প্রবাসীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে আরও অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা রাজিক বলেন, আব্বাস সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর তার স্ত্রীকে চীনে উৎপত্তি হওয়া করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত বলেন। এর পর তার স্ত্রী আতঙ্কিত ও ভয় পেয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। যেকারণে এলাকা'বাসীর মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আব্বাস আলী জানান, তার কোনো সময় জ্বর বা ঠান্ডা লাগেনি। শ্রেফ হয়রানি করার জন্য তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আব্বাস আলী যখন দেশে আসেন, তখন তার শরীরে কোনো করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এমনকি বিমান বন্দরের স্ক্যানারেও জ্বরের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর উদ্বেগের কারণে এ সমস্যা হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।


No comments