কুয়ালালামপুরে অভিজাত কন্ডো ও আবাসিক ভবনে ধড়-পাকড় অভিযান, পাকিস্তানি ৪৪ ও বাংলাদেশী ১১ সহ ৮২ জন আটক
![]() |
| কুয়ালালামপুরের কন্ডোমিনিয়ামে ইমিগ্রেশন অভিযান |
সেখানে অভিযানের সময় দেখা গেছে যে, বিদেশী নাগরিকরা প্রতিটি কন্ডোমিনিয়ামের এক একটি রুমে ৮০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত ভাড়া দিয়ে থাকার সামর্থ্য দেখা গেছে। অবৈধ অভিবাসীদের বেশিরভাগই মনে করে এই ধরনের অভিযাত আবাসিক ভবনে নির্বিঘ্নে বসবাস করা যাবে, ইমিগ্রেশন থেকে সাধারণত অভিযান দেয়া হয়না।
কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক হামিদি আদম জানিয়েছেন, রাত বারোটায় শুরু হওয়া অপারেশনটি ব্রিকফিল্ডস এবং চেরাস এলাকার আশপাশে দুটি ফ্ল্যাটেও অভিযান চালায়।
তিনি জানান, বৈধ কাগজপত্র বা ভিসা না থাকা ও বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্টস দেখাতে না পারার অপরাধে ৯ থেকে ৪৮ বছর বয়সী ৮২ জনকে গ্রেফতার করা হয় এর মধ্যে ৪ জন শিশুও রয়েছে।
অভিযান চলাকালীন সময়ে অনেক অভিবাসী পালানোর যথেষ্ট চেষ্টা করে, কেউ কেউ টয়লেটের ভিতর সিলিং এর উপর, কেউ কেউ রান্নাঘরের কেবিনেটের ভিতর, কেউ কেউ কাপড় রাখার আলমারির ভিতর আবার কেউ কেউ বেডের নিচে, খাটের চিপায় লুকিয়ে বাঁচতে চেষ্টা করেছেন।
এই অভিযানে সর্বোচ্চ আটকের মধ্যে পাকিস্তানি ৪৪ জন, বাংলাদেশাই ১১ জন, ভারতীয় ১০ জন, ইন্দোনেশিয়ান ৮ জন মায়ানমারের ৮ জন এবং নেপালের ১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন।
হামিদির মতে, পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে পিএটিআই-তে ৪৪ জন পাকিস্তানী, ভারতীয় (১০), ইন্দোনেশিয়া (৮), বাংলাদেশ (১১), মিয়ানমার (৮) এবং নেপাল (১) জড়িত।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান আরও বেগবান করে তোলা হবে, আমাদের কাছে বিপুল য়থ্য রয়েছে যে অভিযাত আবাসিক ভবনগুলোতে অনেক অবৈধ অভিবাসী বসবাস করে। আমরা ধীরে ধীরে সবা জায়গায়তেই অভিযান পরিচালনা করবো৷


No comments