মালয়েশিয়াতে করোনায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হবে না, একি বললেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নুর হিশাম।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, আমরা আশা করি

 মালয়েশিয়াতে ৬ হাজারের বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবেনা। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত প্রতিরোধ মুলক ব্যবস্থা গ্রহন করার পাশাপাশি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ আরও ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে যাতে করে একজন আরেকজনের সংস্পর্শে এসে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে না পারে। সবাই ঘরে থাকার কারণে কোন আক্রান্ত ব্যক্তি বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত মানুষের সাথে মিশতে পারবেনা যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে এটা ছড়াতে পারবেনা। স্বাস্থ্য

মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নূর হিশাম আবদুল্লাহ বলেছেন, আমি আশা করি যে, চলমান জনস্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম এবং বর্তমান আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ আদেশ স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাকে অতিরিক্ত চাপে না রেখে চক্রবৃদ্ধি হারে সংক্রমণ রোধ করা যাবে। আমরা জনস্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছি এবং এই আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ আদেশের সাথে সাথে  আমরাও আশা করি যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আলাদা আলাদা করে চিকিৎসা সেবা দান সম্ভব হবে। এদিকে গত সোমবার প্রকাশিত জে পি মরগানের

একটি প্রতিবেদনে পূর্বাভাস হিসেবে বলা হয়েছিল যে,  মালয়েশিয়া এখন এশিয়ার দেশ গুলোর মধ্যে সংক্রমণের ৪র্থ স্থানে পৌঁছেছে তবে এটি এপ্রিলের মাঝামাঝিতে আনুমানিক ৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও আজকের হিসেব মতে, এখনো পর্যন্ত ২০৩১ জন আক্রান্ত হয়েছে যার মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন
👇
কুয়ালালামপুরে ৪০০ শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বাংলাদেশীসহ ১০ জনকে গৃহবন্দী বা কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
👇
বাদ গেলনা কেউঃ রাজভবনে ৭ জন কর্মচারী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৮০ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত।
👇
মালয়েশিয়ায় অবৈধ প্রবাসীদের এখন আর গ্রেফতার করা হবেনা বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

নূর হিশাম বলেন এখনো পর্যন্ত সরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে ৩,৪০০ বেডের ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আরও অতিরিক্ত  ১,৯৯২ টি  বেড সম্ভাব্য আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে তবে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করার বিষয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন করোনা প্রতিরোধের বিষয়ে গঠিত বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারগুলোর মাধ্যমে আরও দক্ষ চিকিৎসা কর্মীর মাধ্যমে জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণ কেন্দ গুলোতে সাধারণত যাদের করোনা ধরা পড়েছে কিন্তু শারীরিকভাবে সুস্থ বা কিছুটা দুর্বল তাদের সেবা প্রদান করা যেতে পারে তবে যারা গুরুতর অসুস্থ তাদের হসপিটালে রেখে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।  সুতরাং আমরা এই মুহুর্তে মোট প্রায় সাড়ে ৫ হাজার শয্যার প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হয়েছি।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.