মালয়েশিয়াতে যাদের করোনা নেই, তাদেরকেও করোনা টেস্ট করার আহ্বান। পড়ুন বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডাঃ নুর হিশাম জানিয়েছেন যে, এখন পর্যন্ত তাবলীগে
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬'৭০০ জন করোনা ভাইরাস টেস্ট করিয়েছে যারমধ্যে ৯৪০ জন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা গেছে। বাকিদের কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি না থাকলেও তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়াতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত মোট ১৫১৮ জনের মধ্যে ৯৪০ জনই তাবলীগ ইজতেমার মুসল্লী যা মোট আক্রান্তের ৬২%। নুর হিশাম জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে শুধুমাত্র মাত্র যাদের শরীরে করোনার উপস্থিতি দেখা যাবে তাদের কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল যা অতীতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন
সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা একমত হয়েছি যে তাবলীগে যারা অংশগ্রহন করেছিল তাদের সবার হেলথ স্ক্রিনিং টেস্ট করবো পাশাপাশি ঐসব মুসল্লি যাদের সংস্পর্শে গিয়েছিল ও তাদের পরিবারের সবার পরীক্ষা করার কার্যক্রম চালু করেছি। যেসব আক্রান্তের খবর গুলো পাওয়া যাচ্ছে তাদের বেশিরভাগই তাবলীগ থেকে ফিরে যাওয়া মুসল্লীদের সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়া অবস্থানরত সকল বিদেশিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ফ্রী করে দেয়া হয়েছ, এখন থেকে বিনামূল্যেই করোনার
সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবে তবে সেটা সরকারি অনুমোদিত সকল ক্লিনিক ও হাসপাতালে গিয়ে করতে হবে। কোন বিদেশি শ্রমিকের শরীরে জ্বর বা কাশিজনিত অসুখ দেখা দিলে দ্রুত এসব হাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য করোনা ভাইরাস টেস্ট ও চিকিৎসা বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিল স্বাস্থ্য মহাপরিচালক।
কুয়ালালামপুরে যে ৪টি এলাকার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি প্রবাসীরা একটু সাবধানে থাকুন।
বাংলাদেশে জীবন ঝুঁকিতে থাকা ২৭০ মালয়েশিয়ানকে ফিরিয়ে নেবে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়াতে ১ম ধাপে গত ৩ মার্চ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ছিল ৩৪ জন। যা ছিল অত্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি ব্যাপকভাবে ছড়ানোর অবস্থা থাকলেও মালয়েশিয়া খুবই কঠোরভাবে মোকাবিলা করেছিলো। কিন্তু হঠাৎই বাধে বিপত্তি। ধর্মীয় অনুভূতির অসম্মান ও আঘাত যেন না হয় সেই খেয়াল করতে গিয়েই আজ মালয়েশিয়ায় কোভিড-১৯ মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের সেরি পেতালিং মসজিদে তাবলীগ ইজতেমায় প্রায় ১৪৫০০ জন মুসল্লী অংশ নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছিল। মূলত এই তাবলীগ ইজতেমার জমায়েত থেকেই মালয়েশিয়াতে ২য় ধাপে বিপুল পরিমাণে আক্রান্ত হওয়ার সুত্রপাত ঘটে।
ফেব্রুয়ারীর ২৭ তারিখ থেকে মার্চের ১ তারিখ পর্যন্ত এই ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজনের শরীরে করোনা ভাইরাস ছিল যা অন্তত ১ হাজার জনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা ইজতেমা শেষ হলে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে গিয়ে তাদের মাধ্যমে আরও বেশ কিছু লোকজনকে আক্রান্ত করে এভাবেই মূলত ২য় ধাপে আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল করোনাভাইরাস এর আক্রমণ।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬'৭০০ জন করোনা ভাইরাস টেস্ট করিয়েছে যারমধ্যে ৯৪০ জন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা গেছে। বাকিদের কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি না থাকলেও তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়াতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত মোট ১৫১৮ জনের মধ্যে ৯৪০ জনই তাবলীগ ইজতেমার মুসল্লী যা মোট আক্রান্তের ৬২%। নুর হিশাম জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে শুধুমাত্র মাত্র যাদের শরীরে করোনার উপস্থিতি দেখা যাবে তাদের কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল যা অতীতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন
সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা একমত হয়েছি যে তাবলীগে যারা অংশগ্রহন করেছিল তাদের সবার হেলথ স্ক্রিনিং টেস্ট করবো পাশাপাশি ঐসব মুসল্লি যাদের সংস্পর্শে গিয়েছিল ও তাদের পরিবারের সবার পরীক্ষা করার কার্যক্রম চালু করেছি। যেসব আক্রান্তের খবর গুলো পাওয়া যাচ্ছে তাদের বেশিরভাগই তাবলীগ থেকে ফিরে যাওয়া মুসল্লীদের সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়া অবস্থানরত সকল বিদেশিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ফ্রী করে দেয়া হয়েছ, এখন থেকে বিনামূল্যেই করোনার
সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবে তবে সেটা সরকারি অনুমোদিত সকল ক্লিনিক ও হাসপাতালে গিয়ে করতে হবে। কোন বিদেশি শ্রমিকের শরীরে জ্বর বা কাশিজনিত অসুখ দেখা দিলে দ্রুত এসব হাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য করোনা ভাইরাস টেস্ট ও চিকিৎসা বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিল স্বাস্থ্য মহাপরিচালক।
কুয়ালালামপুরে যে ৪টি এলাকার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি প্রবাসীরা একটু সাবধানে থাকুন।
বাংলাদেশে জীবন ঝুঁকিতে থাকা ২৭০ মালয়েশিয়ানকে ফিরিয়ে নেবে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়াতে ১ম ধাপে গত ৩ মার্চ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ছিল ৩৪ জন। যা ছিল অত্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি ব্যাপকভাবে ছড়ানোর অবস্থা থাকলেও মালয়েশিয়া খুবই কঠোরভাবে মোকাবিলা করেছিলো। কিন্তু হঠাৎই বাধে বিপত্তি। ধর্মীয় অনুভূতির অসম্মান ও আঘাত যেন না হয় সেই খেয়াল করতে গিয়েই আজ মালয়েশিয়ায় কোভিড-১৯ মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের সেরি পেতালিং মসজিদে তাবলীগ ইজতেমায় প্রায় ১৪৫০০ জন মুসল্লী অংশ নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছিল। মূলত এই তাবলীগ ইজতেমার জমায়েত থেকেই মালয়েশিয়াতে ২য় ধাপে বিপুল পরিমাণে আক্রান্ত হওয়ার সুত্রপাত ঘটে।
ফেব্রুয়ারীর ২৭ তারিখ থেকে মার্চের ১ তারিখ পর্যন্ত এই ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজনের শরীরে করোনা ভাইরাস ছিল যা অন্তত ১ হাজার জনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা ইজতেমা শেষ হলে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে গিয়ে তাদের মাধ্যমে আরও বেশ কিছু লোকজনকে আক্রান্ত করে এভাবেই মূলত ২য় ধাপে আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল করোনাভাইরাস এর আক্রমণ।


No comments