মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।

মালয়েশিয়ার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ফিন্যান্স অথবা এইচ আর অফিসের যে কোন ২ জন কর্মকর্তা কোম্পানির অফিসে গিয়ে সকল স্টাফ ও

 শ্রমিকদের স্যালারি প্রস্তুত করতে হবে। চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার অনুযায়ী জরুরী প্রয়োজনের সাথে জড়িত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বাদে সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে৷ কিন্তু অফিস বন্ধ থাকলেও কর্মীদের বেতন দেয়া যেন বন্ধ না হয় সেই ব্যপারে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে কেবলমাত্র একদিনের জন্য ৩১ শে মার্চ অথবা ১লা এপ্রিল যে কোন দিনে অফিসে গিয়ে এই বেতন প্রস্তুত করার কথা বলা হয়েছে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে সরকার ঘোষনা অনুযায়ী সকল কর্মীদের নুন্যতম বেসিক বেতন বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে।

আরও পড়তে পারেন
👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
👇
মিলিয়ন মিলিয়ন রিঙ্গিতের অনুদান, লকডাউনে অসহায় মালয়েশিয়া প্রবাসীদের উপকারে আসবে কি?
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
👇
মালয়েশিয়ার লকডাউন অর্ডার আরও বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই জরুরীঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ

মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় হতে শ্রমিকদের নায্য অধিকার প্রদান করতে কোন নিয়োগকর্তা বা মালিকপক্ষ ব্যার্থ হলে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও মালয়েশিয়ার শ্রম বিভাগ বা জেটিকের নাম্বার ও ইমেইলে অভিযোগ প্রদান করার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়াও মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার চলাকালীন অবস্থায় কোন কোম্পানি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে কর্মীদের কাজে চাপ প্রয়োগ সৃষ্টি করলে স্থানীয় বালাই পুলিশ বা টহলকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিকট অভিযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে অভিযোগের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলা হয়নি।

মানব সম্পদ বিভাগ থেকে এই বিষয়ে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন বিবৃতি দেয়া হয়েছ। কর্মীদের বেতন প্রস্তুত করতে যে কর্মকর্তারা অফিসে যাবে তারা যেন কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা থেকে প্রাপ্ত কনফার্ম লেটার নিয়ে অফিসে যায়। নিয়োগকর্তা কর্তৃক মনোনীত কোম্পানির লেটারহেডে যেন ঐসকল কর্মকর্তার নাম পদবি ইত্যাদি উল্লেখ করা থাকে। যাতে করে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাস্তায় বের হওয়া ও অফিসে আসার কারণ প্রদর্শন করতে পারে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.