মালয়েশিয়ার মুয়ারে একদল বাংলাদেশী কর্মী জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে গ্রেফতার ১১৬ জন।
মালয়েশিয়াতে অন্যান্য দেশের মত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টানা ১ মাস ধরে চলছে মুভমেন্ট কন্ট্রোল
অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ। পুলিশের ভাষ্যমতে প্রায় ৯৫% জনগণ এই আদেশের
আওতাধীন আছেন অর্থাৎ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। মালয়েশিয়ার সরকারের আদেশ মেনে চলছেন সবাই। কিন্তু গত শুক্রবারের জুমার নামাজ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশীদের একাংশ খোলা মাঠে বা সুবিধামত জায়গায় জামাতের সহিত আদায় করেছেন যা দেশটির চলমান আইনের লঙ্ঘন। গত সপ্তাহের মত
আজও জুমার মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের মুয়ার জেলার একটি ফার্নিচার কারখানায় মালয়েশিয়ার চলমান আইন ভঙ্গ করে জুমার নামাজ আদায়
করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। এস্ট্রো আওয়ানির তথ্য অনুযায়ী সেখান থেকে ১১৬ জন অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। যাদেরকে পুলিশের ৩ টি লরি বহন করে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী শ্রমিক রয়েছেন এবং কিছু পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকও আছেন।
আরও পড়ুন
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
👇
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ২ মাসের বেতন কেটে করোনা ফান্ডে জমা দেয়ার ঘোষণা।
👇
মালয়েশিয়াতে করোনায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হবে না, একি বললেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নুর হিশাম।
মালয়েশিয়া জোহর পুলিশের প্রধান দাতুক আইয়ুব খান পিটচে বলেন, এই ধরনের কার্যক্রম মোটেও গ্রহনযোগ্য নয়, এই ধরনের কার্যক্রমে আমরা উদ্বিগ্ন, এটা ধর্মীয় অনুভূতির বিবেচনায় কষ্টদায়কও। তবে দেশের চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার অনুযায়ী এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিদেশী শ্রমিকদের উচিত এই দেশের সকল আইন মেনে চলা ও সম্মান করা।
তাদের এই আইনগুলো বুঝতে হবে। আমরা আইনের রক্ষক হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছি। শুধু তাই নয় পুরো জোহর জুড়ে গতকাল চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার আইন ভঙ্গকারী ৩৩ জন মালয়েশিয়ানকে আমরা গ্রেফতার করেছি। আটককৃত সবাইকেই সংক্রমণ প্রতিরোধ আইন ১৯৮৮ অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও সমস্ত বিদেশি শ্রমিকদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনেও বিচারিক কার্য সম্পাদন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ। পুলিশের ভাষ্যমতে প্রায় ৯৫% জনগণ এই আদেশের
আওতাধীন আছেন অর্থাৎ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। মালয়েশিয়ার সরকারের আদেশ মেনে চলছেন সবাই। কিন্তু গত শুক্রবারের জুমার নামাজ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশীদের একাংশ খোলা মাঠে বা সুবিধামত জায়গায় জামাতের সহিত আদায় করেছেন যা দেশটির চলমান আইনের লঙ্ঘন। গত সপ্তাহের মত
আজও জুমার মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের মুয়ার জেলার একটি ফার্নিচার কারখানায় মালয়েশিয়ার চলমান আইন ভঙ্গ করে জুমার নামাজ আদায়
করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। এস্ট্রো আওয়ানির তথ্য অনুযায়ী সেখান থেকে ১১৬ জন অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। যাদেরকে পুলিশের ৩ টি লরি বহন করে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী শ্রমিক রয়েছেন এবং কিছু পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকও আছেন।
আরও পড়ুন
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
👇
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ২ মাসের বেতন কেটে করোনা ফান্ডে জমা দেয়ার ঘোষণা।
👇
মালয়েশিয়াতে করোনায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হবে না, একি বললেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নুর হিশাম।
মালয়েশিয়া জোহর পুলিশের প্রধান দাতুক আইয়ুব খান পিটচে বলেন, এই ধরনের কার্যক্রম মোটেও গ্রহনযোগ্য নয়, এই ধরনের কার্যক্রমে আমরা উদ্বিগ্ন, এটা ধর্মীয় অনুভূতির বিবেচনায় কষ্টদায়কও। তবে দেশের চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার অনুযায়ী এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিদেশী শ্রমিকদের উচিত এই দেশের সকল আইন মেনে চলা ও সম্মান করা।
তাদের এই আইনগুলো বুঝতে হবে। আমরা আইনের রক্ষক হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছি। শুধু তাই নয় পুরো জোহর জুড়ে গতকাল চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার আইন ভঙ্গকারী ৩৩ জন মালয়েশিয়ানকে আমরা গ্রেফতার করেছি। আটককৃত সবাইকেই সংক্রমণ প্রতিরোধ আইন ১৯৮৮ অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও সমস্ত বিদেশি শ্রমিকদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনেও বিচারিক কার্য সম্পাদন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



No comments