মালয়েশিয়াতে পুলিশের সাথে তামিল গ্রুপের সাথে আবারও সংঘর্ষ, অতঃপর গ্রেফতারঃ ( ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত)

গত ২৬শে  মার্চ রাতে মুভমেন্ট কন্ট্রোল আদেশ না মেনে একটি জায়গায় কয়েকজন মিলে জড়ো হওয়ায় বা মদ্যপানরত অবস্থায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে একশন নিতে গেলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ বাধে

পরে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে তাদের সবাইকে গ্রেফতার। মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশিদের কাছে সবচেয় ভয়ানক ও বিপদজনক এই তামিলদের একটি অংশ। প্রতিদিনই মালয়েশিয়ার কোথাও না কোথাও তামিল চোর ডাকাতদের হাতে বাংলাদেশী কর্মীরা ছিনতাই, ডাকাতির শিকার হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের অপহরণ করে মুক্তিপন ও দাবি করে। মালয়েশিয়ার তামিল ট্যাক্সি ড্রাইভারদের একটি অংশ বাংলাদেশী কর্মী নির্দিষ্ট গন্তব্যে না নামিয়ে নির্জন স্থানে গাড়ি থামিয়ে মূল্যবান মোবাইল ফোন ও টাকা

পয়সাসহ যা পায় সব নিয়ে নিঃশ্ব করে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে অহরহ। মালয়েশিয়াতে বরাবরই পুলিশ বা ইমিগ্রেশনের সাথে তামিলদের ধস্তাধস্তি জাবরদস্তি বা সংঘর্ষ লেগে থাকে। পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে এই তামিলদের একটি অংশ সবচেয়ে খারাপ আর অপকর্মগুলো করে থাকে। খুন রাহাজানি ছিনতাই, মদ খেয়ে মাতলামি করা, মোট কথা মালয়েশিয়ার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনেকটা বেগ পেতে হয়। বর্তমানে মালয়েশিয়াতে চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ মালেয় চাইনিজদের

 পাশাপাশি তামিলদের একটি অংশ অমান্য করছে। সবচেয়ে গুরুতর বিষ হল মালয়েশিয়ার পুলিশ চাইনিজ বা মালয়েদেরকে খুব সহজেই গ্রেফতার করতে পারে কিন্তু তামিলদের গ্রেফতার করে গেলে বাধে বিপত্তি তারা পুলিশের গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধা করেনা। তামিল একজন অপরাধীকে গ্রেফতার করতে গেলে আশে পাশে থাকা অন্যান্য তামিলরাও এক জোট হয়ে পুলিশের সাথে তর্ক বিতর্ক, ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।  করতে হয় পুলিশ।





আরও পড়ুন
👇
মালয়েশিয়ার মুয়ারে একদল বাংলাদেশী কর্মী জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে গ্রেফতার ১১৬ জন।
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
👇
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ২ মাসের বেতন কেটে করোনা ফান্ডে জমা দেয়ার ঘোষণা।
👇
মালয়েশিয়াতে করোনায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হবে না, একি বললেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নুর হিশাম।

গত ২ মাস আগে বাতু কেভে ইমিগ্রেশন অভিযানে রাস্তার পাশে অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের গ্রেফতার করতে ইমিগ্রেশন সদস্যদের ধস্তাধস্তির ঘটনা হওয়ার পর পুরো মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করে জড়িতদের গ্রেফতার করেছিল। বাতু কেভের ঘটনাটি পুরো মালয়েশিয়ায় তোলাপাড় সৃষ্টি করেছিল।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.