কে বুঝবে লাখো প্রবাসীর আর্তনাদ, যদি মালয়েশিয়ার বাংলাদেশী ব্যবসায়ীগণ অসহায় প্রবাসীদের পাশে না দাঁড়ায়?
মালয়েশিয়াতে টানা লকডাউনের আজ ১৫ তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। দেশটিতে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ মহামারি আকারে ছড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় প্রথমে ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করলে পরে তা বাড়িয়ে আরও ১৪ করা হয়। এই লকডাউন আরও বাড়ানো হবে কিনা এই বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদের আলোচনা চলমান রয়েছে। খুব শীঘ্রই এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে এই লকডাউনের
ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে দেশটিতে থাকা বিভিন্ন দেশের অভিবাসীসহ বাংলাদেশীদের উপর। মালয়েশিয়াতে বসবাসরত প্রায় ১০ লক্ষ বাংলাদেশিরদের বেশিরভাগ শ্রমিকই স্বল্প বেতনের কাজ করে যা নিজে অনেক কষ্ট করে থাকলেও বেতন পাওয়ার সাথেই সাথেই পরিবারকে সব দিয়ে দিতে হয় পকেট খালি করে। বেশিরভাগ প্রবাসীদের কাছেই ১০০-২০০ রিঙ্গিত ছাড়া আর কোন বাড়তি রিঙ্গিত থাকেন। গত ২ সপ্তাহের মধ্যেই শুধুমাত্র রুমে অবস্থান করার ফলেই অধিকাংশই এখন খাবার সংকটে পড়ে গেছে বাইরে গিয়ে খাবার কেনার মত নেই পর্যাপ্ত নগদ অর্থ। এদিকে কোম্পানির কাছ থেকে সরকার ঘোষিত মূল বেতন পাওয়া নিয়ে না উদ্বেগ আর শংকা বিরাজ করছে সকল প্রবাসীদের মাঝে সেখানে কোম্পানির কাছ থেকে অন্যান্য
স্বাভাবিক দিনগুলোর মত পিনজাম বা বেতনের টাকা অগ্রিম নেয়ার বিষয় তো চিন্তাই করা যায়না।
এউ পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ানরা তাদের স্বজাতির লোকজনের পাশে দাড়ালেও প্রবাসীদের মাঝে উল্লেখযোগ্য সহায়তা করার মত ২-১ টি গ্রুপ ছাড়া আর কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। গতকাল মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির পেইজ বা গ্রুপগুলোতে খাবার সাহায্যের হেল্প চেয়ে একটি গুগল ডকস এর ফর্ম পুরন করে পাঠাতে বলা হলে খাবার পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কিন্ত বেশিরভাগ প্রবাসীই জানেনা কিভাবে এই ফর্ম পুরন করে খাবার সাহায্যের আবেদন করতে হয়। ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজে অসহায় প্রবাসীদের নানা রকম কমেন্ট ও পোস্ট লক্ষ্য করা গেছে
যেখানে বেশিরভাগেই দাবি পকেটে থাকা অর্থ শেষ হয়ে গেছে এখন আগামী দিনগুলোতে কিভাবে খাবার ব্যবস্থা করবে সেই দুশ্চিন্তায় তারা উদ্বিগ্ন ও হতাশার মধ্যে রয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রতিটি এলাকার ব্যবসায়ীগণ স্বল্প পরিসরে হলেও এখনই এই দুর্ভোগের সময়ে এগিয়ে আসা উচিত। সকল ব্যবসায়ীগণ একসাথ হয়ে একটি অনুদান ফান্ড গঠন করে অংশগ্রহণমূলকভাবে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে হবে। এছাড়া প্রবাসীদের বাঁচানোর বিকল্প পথ নেই কারণ মালয়েশিয়ার কোম্পানি বা সরকার তেমনভাবে কখনও এগিয়ে আসবেনা।
এখনই সময় মালয়েশিয়ার সকল বড় বড় ব্যবসায়ীগন ঘরে বসে না থেকে সবার পাশে দাঁড়ানোর, প্রবাসী মনে লুকিয়ে থাকা করুন আর্তনাদ তাদের বুঝতে হবে। চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সবার অবস্থান থেকে সাহায্য করতে হবে। মালয়েশিয়াতে মুদি ব্যবসার মালিক বেশিরভাগ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী।
আরও পড়তে পারেন
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
সুতরাং সকল বাংলা দোকান গুলো প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি একদম সহজতর হবে। খাদ্য বিতরণ করাও তেমন কঠিন হবে না মনে করি। হে প্রবাসী ব্যবসায়ীগণ, সকল অসহায় প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ান, খাদ্য সরবারাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করুন। বুঝুন তাদের মনে করুন আর্তনাদ।
ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে দেশটিতে থাকা বিভিন্ন দেশের অভিবাসীসহ বাংলাদেশীদের উপর। মালয়েশিয়াতে বসবাসরত প্রায় ১০ লক্ষ বাংলাদেশিরদের বেশিরভাগ শ্রমিকই স্বল্প বেতনের কাজ করে যা নিজে অনেক কষ্ট করে থাকলেও বেতন পাওয়ার সাথেই সাথেই পরিবারকে সব দিয়ে দিতে হয় পকেট খালি করে। বেশিরভাগ প্রবাসীদের কাছেই ১০০-২০০ রিঙ্গিত ছাড়া আর কোন বাড়তি রিঙ্গিত থাকেন। গত ২ সপ্তাহের মধ্যেই শুধুমাত্র রুমে অবস্থান করার ফলেই অধিকাংশই এখন খাবার সংকটে পড়ে গেছে বাইরে গিয়ে খাবার কেনার মত নেই পর্যাপ্ত নগদ অর্থ। এদিকে কোম্পানির কাছ থেকে সরকার ঘোষিত মূল বেতন পাওয়া নিয়ে না উদ্বেগ আর শংকা বিরাজ করছে সকল প্রবাসীদের মাঝে সেখানে কোম্পানির কাছ থেকে অন্যান্য
স্বাভাবিক দিনগুলোর মত পিনজাম বা বেতনের টাকা অগ্রিম নেয়ার বিষয় তো চিন্তাই করা যায়না।
এউ পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ানরা তাদের স্বজাতির লোকজনের পাশে দাড়ালেও প্রবাসীদের মাঝে উল্লেখযোগ্য সহায়তা করার মত ২-১ টি গ্রুপ ছাড়া আর কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। গতকাল মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির পেইজ বা গ্রুপগুলোতে খাবার সাহায্যের হেল্প চেয়ে একটি গুগল ডকস এর ফর্ম পুরন করে পাঠাতে বলা হলে খাবার পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কিন্ত বেশিরভাগ প্রবাসীই জানেনা কিভাবে এই ফর্ম পুরন করে খাবার সাহায্যের আবেদন করতে হয়। ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজে অসহায় প্রবাসীদের নানা রকম কমেন্ট ও পোস্ট লক্ষ্য করা গেছে
যেখানে বেশিরভাগেই দাবি পকেটে থাকা অর্থ শেষ হয়ে গেছে এখন আগামী দিনগুলোতে কিভাবে খাবার ব্যবস্থা করবে সেই দুশ্চিন্তায় তারা উদ্বিগ্ন ও হতাশার মধ্যে রয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রতিটি এলাকার ব্যবসায়ীগণ স্বল্প পরিসরে হলেও এখনই এই দুর্ভোগের সময়ে এগিয়ে আসা উচিত। সকল ব্যবসায়ীগণ একসাথ হয়ে একটি অনুদান ফান্ড গঠন করে অংশগ্রহণমূলকভাবে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে হবে। এছাড়া প্রবাসীদের বাঁচানোর বিকল্প পথ নেই কারণ মালয়েশিয়ার কোম্পানি বা সরকার তেমনভাবে কখনও এগিয়ে আসবেনা।
এখনই সময় মালয়েশিয়ার সকল বড় বড় ব্যবসায়ীগন ঘরে বসে না থেকে সবার পাশে দাঁড়ানোর, প্রবাসী মনে লুকিয়ে থাকা করুন আর্তনাদ তাদের বুঝতে হবে। চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সবার অবস্থান থেকে সাহায্য করতে হবে। মালয়েশিয়াতে মুদি ব্যবসার মালিক বেশিরভাগ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী।
আরও পড়তে পারেন
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান
সুতরাং সকল বাংলা দোকান গুলো প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি একদম সহজতর হবে। খাদ্য বিতরণ করাও তেমন কঠিন হবে না মনে করি। হে প্রবাসী ব্যবসায়ীগণ, সকল অসহায় প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ান, খাদ্য সরবারাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করুন। বুঝুন তাদের মনে করুন আর্তনাদ।


No comments