মালয়েশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে সেরা মাহফিল, আজহারীকে এক নজর দেখতে দীর্ঘ অপেক্ষা।
আজ ৮ই মার্চ রবিবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের টুইন টাওয়ারের পাশেই উইজমা কনভেনশন হলে মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এটাই মালয়েশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে সেরা মাহফিল বলে মনে করছেন প্রবাসীরা আজহারীর মাহফিল গুলো মালয়েশিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইতিপূর্বে তাফসীর মাহফিল হলেও আজহারীর মাহফিল গুলো উল্লেখ করার মত। গতকাল রবিবার ৮ই মার্চ কুয়ালালামপুরের উইজমা কনভেনশন হলে মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে ভবনের সামনে সকাল থেকে প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মাহফিলে প্রবেশের জন্য বিনামূল্যে টোকেন সংগ্রহ করতে সকাল ১০ টা থেকেই ভিড় করা শুরু করেন প্রবাসী মুসলমান ভাইগন। এই ভিড় সামলাতে গিয়ে অনেক বেশি হিমশিম খেতে হয়েছে আয়োজকদের। মিজানুর রহমান আজহারী রাত ৮টা উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রবাসীরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে টোকেন সংগ্রহ করার মত কস্ট সহ্য করেন শুধু তাদের প্রিয় বক্তার বয়ান শুনার জন্য।
কনভেনশন হলের ভিতরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা কারণে অনেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন আবার অনেকে টোকেন পেলেও বসার জায়গাটুকু ভাগ্যে জোটেনি।মালয়েশিয়ার বিভিন্ন দূরদূরান্তের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রবাসী ছুটে আসেন ছুটে আসেন আজহারী সাহেবকে একবার এক নজর দেখার জন্য।
সম্প্রতি প্রবাসী ও তরুন তরূণীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বাংলাদেশে তাফসীর মাহফিলের মৌসুমে একের পর এক মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন সারাদেশে। লক্ষ লক্ষ মুসলিম জনতার উপস্থিতি একরকম হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল সারাদেশে। প্রতিটি মাহফিলে তিল ধারনের জায়গা টুকুও ফাঁকা ছিলনা। তুমুল জনপ্রিয়তার কারণে নির্দিষ্ট একটি সমাজের হিংসার
কারণে দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় ফেরত যেতে বাধ্য হন তিনি। মালয়েশিয়া যাওয়ার পর বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সংবর্ধনায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। মালয়েশিয়ার যাওয়ার পরও অন্যের গাড়ি নিয়ে ছবি প্রকাশ করার কারণে আবারও সমালোচনার শিকার হন তিনি। মালয়েশিয়ায় নিজের পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি একের পর মাহফিলে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। প্রবাসীদের বেশিরভাগ অংশই তাকে বক্তা হিসেবে খুবই পছন্দ করেন সেটা গত সপ্তাহের মাহফিল অনুষ্ঠানেই লক্ষ্য করা গেছে।
এটাই মালয়েশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে সেরা মাহফিল বলে মনে করছেন প্রবাসীরা আজহারীর মাহফিল গুলো মালয়েশিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইতিপূর্বে তাফসীর মাহফিল হলেও আজহারীর মাহফিল গুলো উল্লেখ করার মত। গতকাল রবিবার ৮ই মার্চ কুয়ালালামপুরের উইজমা কনভেনশন হলে মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে ভবনের সামনে সকাল থেকে প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মাহফিলে প্রবেশের জন্য বিনামূল্যে টোকেন সংগ্রহ করতে সকাল ১০ টা থেকেই ভিড় করা শুরু করেন প্রবাসী মুসলমান ভাইগন। এই ভিড় সামলাতে গিয়ে অনেক বেশি হিমশিম খেতে হয়েছে আয়োজকদের। মিজানুর রহমান আজহারী রাত ৮টা উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রবাসীরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে টোকেন সংগ্রহ করার মত কস্ট সহ্য করেন শুধু তাদের প্রিয় বক্তার বয়ান শুনার জন্য।
কনভেনশন হলের ভিতরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা কারণে অনেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন আবার অনেকে টোকেন পেলেও বসার জায়গাটুকু ভাগ্যে জোটেনি।মালয়েশিয়ার বিভিন্ন দূরদূরান্তের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রবাসী ছুটে আসেন ছুটে আসেন আজহারী সাহেবকে একবার এক নজর দেখার জন্য।
সম্প্রতি প্রবাসী ও তরুন তরূণীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বাংলাদেশে তাফসীর মাহফিলের মৌসুমে একের পর এক মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন সারাদেশে। লক্ষ লক্ষ মুসলিম জনতার উপস্থিতি একরকম হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল সারাদেশে। প্রতিটি মাহফিলে তিল ধারনের জায়গা টুকুও ফাঁকা ছিলনা। তুমুল জনপ্রিয়তার কারণে নির্দিষ্ট একটি সমাজের হিংসার
কারণে দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় ফেরত যেতে বাধ্য হন তিনি। মালয়েশিয়া যাওয়ার পর বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সংবর্ধনায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। মালয়েশিয়ার যাওয়ার পরও অন্যের গাড়ি নিয়ে ছবি প্রকাশ করার কারণে আবারও সমালোচনার শিকার হন তিনি। মালয়েশিয়ায় নিজের পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি একের পর মাহফিলে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। প্রবাসীদের বেশিরভাগ অংশই তাকে বক্তা হিসেবে খুবই পছন্দ করেন সেটা গত সপ্তাহের মাহফিল অনুষ্ঠানেই লক্ষ্য করা গেছে।


No comments