কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মালয়েশিয়ার সরকার টানা একমাসের লকডাউন ঘোষণা করেছে। গত ১৮ই মার্চ থেকে আগামী ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন। লকডাউন চলাকালীন সময়ে জরুরী
(উপরের ছবিটি প্রতিকীরুপে ব্যবহার করা হয়েছে)
সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়া আর অন্য কোন প্রতিষ্ঠান চালু রাখার নির্দেশ নেই। কিন্তু এখনো মালয়েশিয়াতে বেশ কিছু কোম্পানিতে শ্রমিকদেরকে বাধ্য করছে কাজ করতে। শ্রমিকদের কিছু অংশ টাকার জন্য কাজ গেলেও বেশিরভাগই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে রাজি নয়, কিন্তু মালিকপক্ষ জোর করে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে কাজে যেতে বাধ্য করছে যা সবার জন্য জীবন ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই ধরনের কার্যক্রম এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে শ্রমিকদের জানানোর জন্য বলা হলেও অনেকেই ভয়ে সাহস পায়না
মালিকের বিরুদ্ধে কথা বলতে কারণ মালয়েশিয়াতে মালিকের বিরুদ্ধে কথা বলে কোন শ্রমিক শান্তিতে কাজ করতে পারেনা আজ হোক কাল তাকে কোম্পানি থেকে যেকোনো উপায়ে বের করে দেয়া হয়। একজন বাংলাদেশি অভিযোগ করে বলেন, মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং এর তেলিকং এলাকার একটি রিসাইক্লিং ও গারবেজ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি বা তাদের ভাষায় সামপা ফ্যাক্টরিতে জোর করে কাজে যেতে বাধ্য করছে কোম্পানিরা। তিনি আরও বলেন ফ্যাক্টরি গুলোতে দিনে রাতে দেদারসে কাজ হচ্ছে।
আরও পড়তে পারেন
👇
মালয়েশিয়াতে এই পর্যন্ত ২৬২৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন, ৪৬৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন, আজ ও মৃত্যুর সংখ্যায় রয়েছে ৩ জন। বিস্তারিত
👇মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালককে "জাতীয় হিরো" উপাধি দিয়েছেন সাধারণ জনগণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রশংসায় ভাসছে।
👇
মালয়েশিয়াতে পুলিশের গ্রেফতার থেকে বাঁচতে পানিতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা মেলেনি, বাংলাদেশীসহ আটক বেশ কয়েকজন।
ক্লাং জেলার আরেকজন বাংলাদেশী কর্মী অভিযোগ করে বলেন আমাদের এখানে ফার্নিচার কারখানায় চাপ প্রয়োগ করে কাজে পাঠানো হচ্ছে প্রথম কয়েকদিনে সবাইক কাজে গেলেও মালয়েশিয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেড়ে যাওয়ার ফলে আতংকিত হয়ে ৭০% কর্মী এখন কাজে যাচ্ছেনা এদিকে মালিকের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, হুমকি দেয়া হচ্ছে ভিসা দেয়া হবে না বলে।
সাধারণ শ্রমিকদের এইসব দুঃখ দুর্দশা দেখার কেউ নেই মালয়েশিয়াতে। নানা রকম ভয়ভীতির মাঝে কেউ সাহস করে কোম্পানির অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে। পুরো মালয়েশিয়া জুড়েই চলছে এমন অবস্থা।
এদিকে মালয়েশিয়াতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ শ্রমিককে গাদাগাদি করে বসবাস করতে হয়। বেশিরভাগ কোম্পানিতেই হোস্টেল কিংবা ডরমেটরি গুলোতে ভয়ানক অবস্থা। একই রুমে গাদাগাদি করে ১০-২০ কে থাকতে দেয়া হচ্ছে, আবার কোন কোন জায়গায় একটি বড় হল রুমে ৩০-৪০ বা তারও বেশি শ্রমিককে থাকতে হচ্ছে এক সাথে। আবার
শ্রমিকদের জন্য নেই পর্যাপ্ত টয়লেট ও গোসলখানার ব্যবস্থা যেখানে প্রায় ১০০ জন শ্রমিকের জন্য টয়লেট বা গোসলখানার ব্যবস্থা করা হয় মাত্র ২ টা বা কোন কোন কোম্পানিতে সর্বোচ্চ ৪ টা। মালয়েশিয়ার জনগণ এই বিপদজনক পরিস্থিতিতে শান্তিতে থাকলেও জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিক যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মী অভিযোগ করে বলেন, ছোট্ট একটি রুমে থাকতে দেয়া হয়েছে ১২ জনকে ডাবল খাটগুলোর ব্যবস্থা থাকলেও এই পরিস্থিতিতে খুবই ঝুকিপূর্ণ এবং নেই কোন পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থা।
(শ্রমিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ২য় প্রতিবেদন যা শ্রমিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আপনার দুঃখ দুর্দশার কথা আমাদের জানান পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে)
(উপরের ছবিটি প্রতিকীরুপে ব্যবহার করা হয়েছে)
সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়া আর অন্য কোন প্রতিষ্ঠান চালু রাখার নির্দেশ নেই। কিন্তু এখনো মালয়েশিয়াতে বেশ কিছু কোম্পানিতে শ্রমিকদেরকে বাধ্য করছে কাজ করতে। শ্রমিকদের কিছু অংশ টাকার জন্য কাজ গেলেও বেশিরভাগই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে রাজি নয়, কিন্তু মালিকপক্ষ জোর করে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে কাজে যেতে বাধ্য করছে যা সবার জন্য জীবন ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই ধরনের কার্যক্রম এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে শ্রমিকদের জানানোর জন্য বলা হলেও অনেকেই ভয়ে সাহস পায়না
মালিকের বিরুদ্ধে কথা বলতে কারণ মালয়েশিয়াতে মালিকের বিরুদ্ধে কথা বলে কোন শ্রমিক শান্তিতে কাজ করতে পারেনা আজ হোক কাল তাকে কোম্পানি থেকে যেকোনো উপায়ে বের করে দেয়া হয়। একজন বাংলাদেশি অভিযোগ করে বলেন, মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং এর তেলিকং এলাকার একটি রিসাইক্লিং ও গারবেজ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি বা তাদের ভাষায় সামপা ফ্যাক্টরিতে জোর করে কাজে যেতে বাধ্য করছে কোম্পানিরা। তিনি আরও বলেন ফ্যাক্টরি গুলোতে দিনে রাতে দেদারসে কাজ হচ্ছে।
আরও পড়তে পারেন
👇
মালয়েশিয়াতে এই পর্যন্ত ২৬২৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন, ৪৬৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন, আজ ও মৃত্যুর সংখ্যায় রয়েছে ৩ জন। বিস্তারিত
👇মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালককে "জাতীয় হিরো" উপাধি দিয়েছেন সাধারণ জনগণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রশংসায় ভাসছে।
👇
মালয়েশিয়াতে পুলিশের গ্রেফতার থেকে বাঁচতে পানিতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা মেলেনি, বাংলাদেশীসহ আটক বেশ কয়েকজন।
ক্লাং জেলার আরেকজন বাংলাদেশী কর্মী অভিযোগ করে বলেন আমাদের এখানে ফার্নিচার কারখানায় চাপ প্রয়োগ করে কাজে পাঠানো হচ্ছে প্রথম কয়েকদিনে সবাইক কাজে গেলেও মালয়েশিয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেড়ে যাওয়ার ফলে আতংকিত হয়ে ৭০% কর্মী এখন কাজে যাচ্ছেনা এদিকে মালিকের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, হুমকি দেয়া হচ্ছে ভিসা দেয়া হবে না বলে।
সাধারণ শ্রমিকদের এইসব দুঃখ দুর্দশা দেখার কেউ নেই মালয়েশিয়াতে। নানা রকম ভয়ভীতির মাঝে কেউ সাহস করে কোম্পানির অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে। পুরো মালয়েশিয়া জুড়েই চলছে এমন অবস্থা।
এদিকে মালয়েশিয়াতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ শ্রমিককে গাদাগাদি করে বসবাস করতে হয়। বেশিরভাগ কোম্পানিতেই হোস্টেল কিংবা ডরমেটরি গুলোতে ভয়ানক অবস্থা। একই রুমে গাদাগাদি করে ১০-২০ কে থাকতে দেয়া হচ্ছে, আবার কোন কোন জায়গায় একটি বড় হল রুমে ৩০-৪০ বা তারও বেশি শ্রমিককে থাকতে হচ্ছে এক সাথে। আবার
শ্রমিকদের জন্য নেই পর্যাপ্ত টয়লেট ও গোসলখানার ব্যবস্থা যেখানে প্রায় ১০০ জন শ্রমিকের জন্য টয়লেট বা গোসলখানার ব্যবস্থা করা হয় মাত্র ২ টা বা কোন কোন কোম্পানিতে সর্বোচ্চ ৪ টা। মালয়েশিয়ার জনগণ এই বিপদজনক পরিস্থিতিতে শান্তিতে থাকলেও জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিক যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মী অভিযোগ করে বলেন, ছোট্ট একটি রুমে থাকতে দেয়া হয়েছে ১২ জনকে ডাবল খাটগুলোর ব্যবস্থা থাকলেও এই পরিস্থিতিতে খুবই ঝুকিপূর্ণ এবং নেই কোন পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থা।
(শ্রমিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ২য় প্রতিবেদন যা শ্রমিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আপনার দুঃখ দুর্দশার কথা আমাদের জানান পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে)


No comments