মালয়েশিয়ার এই অঞ্চলগুলোতে প্রতিটি দরজা থেকে দরজায় ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে সশস্ত্র বাহিনী
আজ থেকে মালয়েশিয়াতে মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ আদেশের (এমসিও) মাধ্যমে দেশের জনগণের গতিবিধি ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারি করার
জন্য নির্দিষ্ট অঞ্চল জুড়ে ড্রোন ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান তান সেরি আফেন্ডি বুয়াং। তিনি বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তিটি ১২টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে যা লেমবাহ পানতাই এবং তিতিওয়াংসা সহ কোভিড-১৯ এর রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে ব্যবহার করা হবে। এইসব চিহ্নিত অঞ্চলগুলোতে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকরীভাবে ও বিভিন্ন গলিতে জনগণের চলাচল তদারকি করা যাবে যা সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা অন্তত শান্তভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। তবে আগের মত জায়গায় সদস্যরাও বিভিন্ন পয়েন্ট পয়েন্টে মোতায়েন করা করা থাকবে। ফেডারেল টেরিটরির ব্রিকফিল্ডস জেলা পুলিশ সদর দফতরে ড্রোন ব্যবহার শুরু করার পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একই সময়ে জনগণকে ঘরে বসে থাকার জন্য মালয়ে, চাইনিজ এবং চাইনিজ ভাষায় এই ড্রোনের সাহায্য সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে বার্তা প্রচার করে হচ্ছে। যাতে জনগণ আরও সচেতন ও ভাইরাসটি ছড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। কতগুলো ড্রোন ব্যবহার
করা হচ্ছে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সঠিক সংখ্যা না বলে বলেন এগুলো সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নিরাপদ বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ড্রোনের সাহায্য প্রতিটি দরজা থেকে দরজায় মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যাবে যাতে করে কোন নাগরিক যদি সরকারী নির্দেশগুলো অবজ্ঞা করে এবং সরকারের এই আইন লঙ্ঘন করে তাহলে সেখানে জরুরী ভিত্তিতে সেনা মোতায়েন করা হবে। ড্রোন গুলো অপরাধীদের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে তদন্তের ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।
জন্য নির্দিষ্ট অঞ্চল জুড়ে ড্রোন ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান তান সেরি আফেন্ডি বুয়াং। তিনি বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তিটি ১২টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে যা লেমবাহ পানতাই এবং তিতিওয়াংসা সহ কোভিড-১৯ এর রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে ব্যবহার করা হবে। এইসব চিহ্নিত অঞ্চলগুলোতে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকরীভাবে ও বিভিন্ন গলিতে জনগণের চলাচল তদারকি করা যাবে যা সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা অন্তত শান্তভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। তবে আগের মত জায়গায় সদস্যরাও বিভিন্ন পয়েন্ট পয়েন্টে মোতায়েন করা করা থাকবে। ফেডারেল টেরিটরির ব্রিকফিল্ডস জেলা পুলিশ সদর দফতরে ড্রোন ব্যবহার শুরু করার পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একই সময়ে জনগণকে ঘরে বসে থাকার জন্য মালয়ে, চাইনিজ এবং চাইনিজ ভাষায় এই ড্রোনের সাহায্য সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে বার্তা প্রচার করে হচ্ছে। যাতে জনগণ আরও সচেতন ও ভাইরাসটি ছড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। কতগুলো ড্রোন ব্যবহার
করা হচ্ছে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সঠিক সংখ্যা না বলে বলেন এগুলো সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নিরাপদ বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ড্রোনের সাহায্য প্রতিটি দরজা থেকে দরজায় মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যাবে যাতে করে কোন নাগরিক যদি সরকারী নির্দেশগুলো অবজ্ঞা করে এবং সরকারের এই আইন লঙ্ঘন করে তাহলে সেখানে জরুরী ভিত্তিতে সেনা মোতায়েন করা হবে। ড্রোন গুলো অপরাধীদের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে তদন্তের ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।


No comments