মালয়েশিয়াতে রোডব্লক থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণকারী সেই পুলিশের ২০ বছর কারাদণ্ডের বিধান। বিস্তারিত
গত ২ সপ্তাহ আগে দুজন মঙ্গোলিয়ান নারীকে রোডব্লক থেকে তুলে নিয়ে পেতালিং জায়ার একটি হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগে মালয়েশিয়া পুলিশের একজন পরিদর্শককে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল। এর পর আদালতে উঠানো হলে বিপুল পরিমাণে অর্থদণ্ড দিয়ে জামিনে আসেন
পুলিশের ঐ ইন্সপেক্টর। চলমান বিচার কার্যের অংশ হিসেবে আজ তাকে ক্লাং জেলা আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল। আদালতে বিচারপতি তাসনিম আবু বকরের সামনে শুনানিতে মামলার বিবরণ অভিযুক্ত অভিযুক্ত হাজরুল হিজাম গাজালী (৩০) কে পড়ে শোনানো হয়। তখন তার বিরুদ্ধে ২০০৭ এর ৬৭০ ধারা অনুযায়ী অভিবাসন চোরাচালান এবং সেকশন ১৩ এর মানবপাচার উভয় অভিযোগ
আনার পরে তা অস্বীকার করেন তিনি। প্রথম অভিযোগে অভিযুক্তকে গত ১০ই এপ্রিল রাত ১০.৩০ টা থেকে ১১ই এপ্রিল সকাল ৮.৩০ অবধি পেতালিং জায়ার লাক্স হোটেলের ২০৩ নাম্বার রুমে নম্বর কক্ষে ২০ বছর বয়সী মঙ্গোলিয়ান মহিলাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে যৌনতা ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছিল। সেই তদনুসারেই অভিযুক্তকে মানবপাচার ও ইমিগ্রেশন চোরাচালান আইন 2007 (অ্যাক্ট 670) এর অ্যান্টি-ট্র্যাফিকিংয়ের 13 অনুচ্ছেদের আওতায় অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
আসামির বিরুদ্ধে একই অপরাধের জন্য একই দিনে এবং একই হোটেলের ৩০২ নাম্বার রুমে ৩৬ বছর বয়সী আরেকজন মঙ্গোলিয়ান নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ করা হয় যে, আসামীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য প্রমানিত হলে তাকে তিন বছরের কম নয় বরং সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আল-সাইফি হাশিম আদালতকে প্রতিটি অভিযোগের জন্য ১৫,০০০ রিঙ্গিত এর প্রদান করে জামিন এবং তার আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট জমা দিতে এবং প্রতি মাসে নিকটস্থ থানায় হাজিরা দিতে সুপারিশ উত্থাপন করেছেন। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহ রিজাল আবদুল মানান আদালতকে ন্যূনতম জামিনের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে কারণ অভিযুক্ত আসামীকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি মাসিক বেতনও স্থগিত করা হয়।
উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে বিচারক তাসনিম প্রত্যেকটি অভিযোগের জন্য ১০ হাজার রিঙ্গিত করে ধার্য্য করেছেন এবং প্রতিমাসে নিকটস্থ থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। মামলার সকল তথ্য প্রমান ও ডকুমেন্টস জমা দেয়ার জন্য আদালত আগামী ১৭ই জুনে পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেছেন।
পুলিশের ঐ ইন্সপেক্টর। চলমান বিচার কার্যের অংশ হিসেবে আজ তাকে ক্লাং জেলা আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল। আদালতে বিচারপতি তাসনিম আবু বকরের সামনে শুনানিতে মামলার বিবরণ অভিযুক্ত অভিযুক্ত হাজরুল হিজাম গাজালী (৩০) কে পড়ে শোনানো হয়। তখন তার বিরুদ্ধে ২০০৭ এর ৬৭০ ধারা অনুযায়ী অভিবাসন চোরাচালান এবং সেকশন ১৩ এর মানবপাচার উভয় অভিযোগ
আনার পরে তা অস্বীকার করেন তিনি। প্রথম অভিযোগে অভিযুক্তকে গত ১০ই এপ্রিল রাত ১০.৩০ টা থেকে ১১ই এপ্রিল সকাল ৮.৩০ অবধি পেতালিং জায়ার লাক্স হোটেলের ২০৩ নাম্বার রুমে নম্বর কক্ষে ২০ বছর বয়সী মঙ্গোলিয়ান মহিলাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে যৌনতা ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছিল। সেই তদনুসারেই অভিযুক্তকে মানবপাচার ও ইমিগ্রেশন চোরাচালান আইন 2007 (অ্যাক্ট 670) এর অ্যান্টি-ট্র্যাফিকিংয়ের 13 অনুচ্ছেদের আওতায় অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
আসামির বিরুদ্ধে একই অপরাধের জন্য একই দিনে এবং একই হোটেলের ৩০২ নাম্বার রুমে ৩৬ বছর বয়সী আরেকজন মঙ্গোলিয়ান নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ করা হয় যে, আসামীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য প্রমানিত হলে তাকে তিন বছরের কম নয় বরং সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আল-সাইফি হাশিম আদালতকে প্রতিটি অভিযোগের জন্য ১৫,০০০ রিঙ্গিত এর প্রদান করে জামিন এবং তার আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট জমা দিতে এবং প্রতি মাসে নিকটস্থ থানায় হাজিরা দিতে সুপারিশ উত্থাপন করেছেন। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহ রিজাল আবদুল মানান আদালতকে ন্যূনতম জামিনের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে কারণ অভিযুক্ত আসামীকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি মাসিক বেতনও স্থগিত করা হয়।
উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে বিচারক তাসনিম প্রত্যেকটি অভিযোগের জন্য ১০ হাজার রিঙ্গিত করে ধার্য্য করেছেন এবং প্রতিমাসে নিকটস্থ থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। মামলার সকল তথ্য প্রমান ও ডকুমেন্টস জমা দেয়ার জন্য আদালত আগামী ১৭ই জুনে পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেছেন।


No comments