সুখবর দিলেন ডাঃ নুর হিশাম, "মালয়েশিয়াতে বিদেশী কর্মীদের কোন গ্রুপ আক্রান্ত বা নতুন ক্লাস্টার শনাক্ত হয়নি"

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো পর্যন্ত দেশটিতে বসবাসরত বিদেশি শ্রমিকদের বড় কোন গ্রুপ বা কোন ক্লাস্টার শনাক্ত করতে পারেনি।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডাঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ বলেছেন, জেলা ভিত্তিক স্বাস্থ্য অফিসগুলো কার্যকরভাবে বিদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন গ্রুপকে সক্রিয়ভাবে টেস্ট করে আসছে কারণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধারণা করছে যে মালয়েশিয়াতে বিদেশি শ্রমিকদের বড় একটি অংশ রয়েছে তাদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি দেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি বহন করে। তাই ঝুঁকিপুর্ন


 এলাকাগুলোতে বিদেশি শ্রমিকদের সর্বোচ্চ সংখ্যক টেস্ট করা হচ্ছে। এসব ঝুঁকিপুর্ন এলাকাগুলোতেই বিদেশি শ্রমিকদের ফোকাস করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জেলাভিত্তিক স্বাস্থ্য অফিসগুলোর মাধ্যমে হেলথ স্ক্রিনিং টেস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে এই পর্যন্ত যতদূর বলা যায় যে,আমরা এখনো কোন বড় গ্রুপ বা ক্লাস্টার আক্রান্ত হতে দেখছিনা। এটি একটি ক্রমাগত প্রক্রিয়া যা অব্যাহত রেখেছে স্বাস্থ্য অফিসগুলো। এমন দুটি পুরনো গ্রুপ আছে মূলত তাদেরকে খুজছি। কারণ সিঙ্গাপুরে বিদেশি কর্মীরা যে অস্বাভাবিক হারে আক্রান্ত হচ্ছে তা আমরা সবাই জানি এবং এটা কিভাবে ঘটেছে সেটাও অজানা নয়।

সুতরাং আমরা আমাদের দেশে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করবো যেন পুরোনো আক্রান্ত বিদেশী শ্রমিকদের মাধ্যমে অন্যদের সংক্রমণ না করে। আমরা জনকল্যাণ বিভাগের সাথে কাজ করে যাচ্ছি যে কিভাবে পুরনো লোকদের চিহ্নিত করা যায় এবং বিদেশি শ্রমিকদের ভিড়যুক্ত এলাকাগুলোতে সঠিক পর্যবেক্ষণ ও তালিকা করে পর্যায়ক্রমে দ্রুত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ডাঃ নূর হিশাম দুঃখ প্রকাশ বলেন যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে বিদেশি কর্মীদের হেলথ স্ক্রিনিং টেস্ট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কিন্যু অনেক বিদেশি কর্মীগণ পরীক্ষার জন্য এগিয়ে আসছেনা এতে সবাইকে পরীক্ষা করা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বেসরকারি দল ও সংস্থা যেমন মারসি মালয়েশিয়া এবং ইউনাইটেড ন্যাশনস ফর হাইকমিশনার ফর রিফিউজি (UNHCR) এর সাথে বিদেশি কর্মীদের টেস্ট করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এখনো পর্যন্ত উদাহরণস্বরূপ বলা যায়,  Selayang পাইকারি বাজারে আমরা 465 বিদেশী কর্মী পরীক্ষা করেছি এবং সেখানে ১৩ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে যা মোট

পরীক্ষার ৩ শতাংশ।  সুতরাং তাদেরকে পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি তাদের সাথে আচরণ ও তাদেরকে প্রয়োজনীয় সেবাগুলো আমরা আরও উন্নতভাবে দেয়ার পদক্ষেপ নিতে থাকব বলে জানান নুর হিশাম। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে সিঙ্গাপুরে অভিবাসী কর্মীদের হোস্টেল গুলো ঘনবসতি পূর্ন হওয়ার ফলে আক্রান্তের পরিমানে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে যা থেকে আমাদেরকে শিক্ষা গ্রহন করে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়ে আগত পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.