মালয়েশিয়াতে প্রবেশ ও ভিসা দেয়ার বিনিময়ে ৯৩ হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে পুলিশ রিপোর্ট।

মালয়েশিয়াতে  ভিসা করিয়ে দেয়ার বিনিময়ে ৯৩ হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধে একজন ইন্দোনেশিয়ান মহিলা শিক্ষক একটি পুলিশ রিপোর্ট করেছেন।

ভুক্তভোগী ঐ মহিলা মালয়েশিয়াতে থাকেন কিন্তু তার পরিবারকে মালয়েশিয়া প্রবেশ ও ভিসা করিয়ে দেয়ার বিনিময়ে ঐ দালাল (অভিযুক্ত ব্যক্তি) এই পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন৷ ইন্দোনেশিয়ান ঐ দালাল ইন্দোনেশিয়াতে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথেও দেখা করেছিলেন এর আগে। অর্থাৎ পারিবারিকভাবে পূর্ব পরিচিত ছিলেন। পাহাং বাণিজ্যিক অপরাধ তদন্ত বিভাগের উপ-প্রধান

মোহাম্মদ উজির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেছেন, ৪২ বছর বয়সী ঐ মহিলা গত ফেব্রুয়ারির (২০২০) দিকে ভিকটিমের এক পরিবারের সদস্যের জন্য সন্দেহভাজন (অপরাধী) ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একমাস পরে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছে যে, সন্দেহভাজন ঐ অপরাধী পারিবারিক কারণে মালয়েশিয়া আসার পর তাকে ভিসা সংক্রান্ত লেনদেনের পেমেন্ট হিসেবে ১২ হাজার রিঙ্গিত দিতে হয়েছিল যা সন্দেহভাজন

 ব্যক্তিটির একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়। এপ্রিলের ৬ তারিখে ঐ দালালের সাথে ভুক্তভোগী যোগাযোগ করে জানান যে তিনি মালয়েশিয়ায় এসেছেন, কিন্তু ভিসা সংক্রান্ত প্রসেসিং এর জন্য বর্তমান সময়ে ইন্দোনেশিয়ান রুপি রিঙ্গিতে ভাঙানোর জন্য অতিরিক্ত পরিশোধ করার পরও তিনি তা করতে পারছিলেন না। তিনি আজ (১২ই এপ্রিল) এখানে সাংবাদিকদের বলেন, সন্দেহভাজন (দালাল) ব্যক্তিটি তাকে বলেছেন যে, চুক্তি অনুযায়ী বাকি টাকা গুলো পরিশোধ করা হয়ে গেলে শীঘ্রই তার সাথে কুয়ালালামপুর দেখা করবে।

 মোহাম্মদ উজির বলেন, ভুক্তভোগী দাবি করেছেন যে গতকাল সকাল পর্যন্ত তিনি সন্দেহভাজন ঐ ব্যক্তিকে (দালাল) ৯৩ হাজারেরও বেশি রিঙ্গিত প্রদান করেছেন। গতকাল দুপুর থেকে সন্দেহভাজন ঐ দালালের সাথে যোগাযোগ করতে না পারার কারণে ভুক্তভোগী বুঝতে পারে যে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরে তার কাছ থেকে টাকা ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বার বার কল করা হলেও তিনি তার সাথে যোগাযোগ করতে ব্যার্থ হন। পরে তিনি ঐ ব্যাক্তির(দালাল) বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন।

ভুক্তভোগী গতকাল এখানে মারান জেলা পুলিশ সদর দফতরে (এমআইডি) একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যা দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় তদন্ত করা হবে এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি দশ বছরের কারাদণ্ড এবং বেত্রাঘাত (রোতান) দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ - বার্নামা

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.