মালয়েশিয়াতে ২২'৩৩৯ জন অভিবাসী কর্মীর মধ্যে ৯৮৬ জন আক্রান্ত। দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়াতে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসলেও বর্তমানে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দৃষ্টিতে থাকা অভিবাসী কর্মীদের একের পর এক আক্রান্তের ঘটনায় খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতু ডাক্তার নুর হিশাম আব্দুল্লাহ বলেছেন বিদেশি কর্মীদের মধ্যে বিশেষত সেলাঙ্গর এবং
কুয়ালালামপুরের একজন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে আক্রান্ত কর্মীদের সংক্রমণ শনাক্তকরণের কার্যক্রম আরো তীব্র করে তুলবে। কারণ এই এলাকাগুলোতে আক্রান্ত লোকজন বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সাথে সম্পর্কযুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন এই পর্যন্ত 22 হাজার 339 জন বিদেশী কর্মীর উপর কোভিড-১৯ এর হেলথ স্ক্রীনিং টেস্ট করেছে যার ফলাফলস্বরূপ 986 জন আক্রান্ত কর্মী পাওয়া গেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে 457 জন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছে চারজন রোগী আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং 525 জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছে তবে এই পর্যন্ত 4 জন বিদেশী কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন আমরা বিদেশি কর্মীদের দলবদ্ধভাবে আক্রান্তের বিষয়টি পর্যালোচনা করে যাচ্ছি এক্ষেত্রে আমরা রেড জোন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে পরীক্ষা চালাবো এবং যেসব এলাকাগুলো গ্রীন জোন হিসেবে ধরা হয় সেগুলোতে বিদেশী কর্মীদের মাঝে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি বলেছেন বিদেশিদের বসবাসের ঘনত্বের কারণে বা তাদের একসাথে অনেক জনের বসবাসের কারণে এই রোগটি তাদের মাঝে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ ছিল। এক্ষেত্রে প্রধান সমস্যাটি হল আমরা দআমরা দেখতে পেয়েছি যে বিদেশি কর্মীরা একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকে এবং একই রুমের একেক জন একেক ক্ষেত্রে কাজ করে, এদের মধ্যে কেউ সেলায়াং পাইকারি বাজারে কাজ করে, কেউ নির্মাণ প্রজেক্টে কাজ করে আবার কেউ রেস্টুরেন্ট বা অন্যান্য জায়গায় কাজ করে।
সুতরাং এসব ভবনগুলোতে বসবাসকারী অভিবাসী কর্মীদের মাধ্যমে বহু সংখ্যক আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
কুয়ালালামপুরের ওই নির্মাণ প্রোজেক্ট পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বিষয়ে একটি পুলিশ রিপোর্ট দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ এই মামলাটি তদন্ত করছে এবং তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পুলিশ সূত্র থেকে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যে 11 জন অভিবাসী শ্রমিক কে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
কুয়ালালামপুরের একজন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে আক্রান্ত কর্মীদের সংক্রমণ শনাক্তকরণের কার্যক্রম আরো তীব্র করে তুলবে। কারণ এই এলাকাগুলোতে আক্রান্ত লোকজন বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সাথে সম্পর্কযুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন এই পর্যন্ত 22 হাজার 339 জন বিদেশী কর্মীর উপর কোভিড-১৯ এর হেলথ স্ক্রীনিং টেস্ট করেছে যার ফলাফলস্বরূপ 986 জন আক্রান্ত কর্মী পাওয়া গেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে 457 জন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছে চারজন রোগী আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং 525 জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছে তবে এই পর্যন্ত 4 জন বিদেশী কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন আমরা বিদেশি কর্মীদের দলবদ্ধভাবে আক্রান্তের বিষয়টি পর্যালোচনা করে যাচ্ছি এক্ষেত্রে আমরা রেড জোন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে পরীক্ষা চালাবো এবং যেসব এলাকাগুলো গ্রীন জোন হিসেবে ধরা হয় সেগুলোতে বিদেশী কর্মীদের মাঝে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি বলেছেন বিদেশিদের বসবাসের ঘনত্বের কারণে বা তাদের একসাথে অনেক জনের বসবাসের কারণে এই রোগটি তাদের মাঝে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ ছিল। এক্ষেত্রে প্রধান সমস্যাটি হল আমরা দআমরা দেখতে পেয়েছি যে বিদেশি কর্মীরা একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকে এবং একই রুমের একেক জন একেক ক্ষেত্রে কাজ করে, এদের মধ্যে কেউ সেলায়াং পাইকারি বাজারে কাজ করে, কেউ নির্মাণ প্রজেক্টে কাজ করে আবার কেউ রেস্টুরেন্ট বা অন্যান্য জায়গায় কাজ করে।
সুতরাং এসব ভবনগুলোতে বসবাসকারী অভিবাসী কর্মীদের মাধ্যমে বহু সংখ্যক আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
কুয়ালালামপুরের ওই নির্মাণ প্রোজেক্ট পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বিষয়ে একটি পুলিশ রিপোর্ট দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ এই মামলাটি তদন্ত করছে এবং তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পুলিশ সূত্র থেকে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যে 11 জন অভিবাসী শ্রমিক কে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
মালয়েশিয়ার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে অভিবাসী কন্ঠ পেইজের সাথেই থাকুন
https://www.facebook.com/ovibashi/
https://www.facebook.com/ovibashi/


No comments