মালয়েশিয়াতে আবারও বাংলাদেশী দোকান টার্গেট করে অভিযান চালানো হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার সরকার বর্তমানে বিদেশিদের দ্বারা আইন লঙ্ঘনের সাথে জড়িত যত রকমের কার্যক্রম রয়েছে সব কিছু র বিরুদ্ধে আবারও অভিযান চালানো শুরু করেছে। মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট দফতর গুলো ইতিপূর্বে এসব অভিযান চালিয়ে আসলেও বর্তমানে চলমান করোনা প্রতিরোধে লকডাউনে বন্ধ ছিলো। যেকোনো বিদেশি বা অভিবাসী
কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন জায়গায় কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL) অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স বিহীন ও লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হওয়া বেশ কয়েকটি দোকান বন্ধ করে মালামাল জব্দ করে। সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলার জালান কাপার, পোর্ট ক্লাং ইত্যাদি এলাকা গুলোতে এম'পি ক্লাং কাউন্সিলের অভিযানে প্রায় ৭-৮ টি দোকানের সমস্ত মালামাল জব্দ করে সিলাগালা করে দেয়া হয়।  পারবান্দারান মাজলিস ক্লাং (MPklang) এর সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন বেশিরভাগ দোকানের পরিচালক বিদেশি শ্রমিক, অনুমতি বিহীন এসব ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে, কিছু দোকানের লাইসেন্সই নাই৷ বিদেশিদের দ্বারা এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানানো হয়েছে।

কর্মীদের বিরুদ্ধে  ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান গুলো অনেকটাই বন্ধ ছিল। কিন্তু মালয়েশিয়াতে শরনার্থী হিসেবে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ এবং নাগরিকত্ব দাবী র কারণে স্থানীয় নাগরিকদের সাথে বিভিন্ন ধরনের সাংঘর্ষিক আচার-আচরণের ঘটনা ঘটার পর পুরো মালয়েশিয়ার জনগণকে ক্ষেপে উঠে। তারই প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ অভিবাসীদের উপর। রোহিঙ্গাদের দমনে মালয়েশিয়া সরকার
বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা শুরু করে। যেসব স্থানে বেশি

পরিমাণে বিদেশি আক্রান্ত হচ্ছে সেসব স্থানে কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, তারপর সবাইকে পরীক্ষা করে অবৈধদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়াতে বিভিন্ন ব্যবসা রেস্টুরেন্ট, মুদি দোকান ইত্যাদি পরিচালনা করছে বিধায় রোহিঙ্গাদের এসব দোকান সহ পাশাপাশি বাংলাদেশীদের মুদি দোকান (বাংলা দোকান হিসেবে পরিচিত) গুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
ডিবিকেএল, এম'পি'ক্লাং এর মত অন্যান্য সরকারি দফতর গুলোর মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দোকানের লাইসেন্স কিংবা কাগজপত্রে গরমিল হলেই রক্ষা পাচ্ছেনা কেউ। বেশিরভাগ বাংলা দোকান গুলোতে বাংলাদেশীদের দ্বারা পরিচালনা করা হচ্ছে যা আইনের পরিপন্থী।

কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন জায়গায় কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL) অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স বিহীন ও লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হওয়া বেশ কয়েকটি দোকান বন্ধ করে মালামাল জব্দ করে। সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলার জালান কাপার, পোর্ট ক্লাং ইত্যাদি এলাকা গুলোতে এম'পি ক্লাং কাউন্সিলের অভিযানে প্রায় ৭-৮ টি দোকানের সমস্ত মালামাল জব্দ করে সিলাগালা করে দেয়া হয়।

পারবান্দারান মাজলিস ক্লাং (MPklang) এর সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন বেশিরভাগ দোকানের পরিচালক বিদেশি শ্রমিক, অনুমতি বিহীন এসব ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে, কিছু দোকানের লাইসেন্সই নাই৷ বিদেশিদের দ্বারা এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানানো হয়েছে।

দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে স্থানীয় নাগরিক থাকার কথা থাকলেও সেখানে বাংলাদেশীদের উপস্থিতি থাকার কারণেও নানাবিধ ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে দোকান মালিকদের। মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে স্থানীয় নাগরিকদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী চালানো হয় এসব অভিযান। আর স্থানীয় কোন নাগরিক কোন দোকানে আইন লঙ্ঘনের মতবকোন অপরাধ দেখলেই ফেসবুকের কোন গ্রুপ গুলোতে ছড়িয়ে দেয় যাতে প্রশাসনের নজরে পড়ে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.