মালয়েশিয়ার নতুন ঘোষণা, বিস্তারিত আইন-কানুন প্রবাসীদের জানা অতি জরুরী।
গতকাল ১লা মে প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে এবং স্ট্যানডার্ড অপারেটিং সিস্টেমের (এসওপি) এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত সমুহ ও নির্দিষ্ট সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (CMCO) বা শর্তসাপেক্ষে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ যাকে মালয়ে ভাষায় PKPB বলা হচ্ছে। এই পি'কে'পি'বি'র অধীনে যে যে প্রতিষ্ঠান গুলো বা যেসব কিছু বন্ধ থাকবে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে
১.সিনেমা হল, থিয়েটার, কারাওকে সেন্টার, রিফ্লেক্সোলজি সেন্টার বা বডি মেসেজ সেন্টার, বিনোদন কেন্দ্র, নাইটক্লাব, থিম পার্ক, রমজান বাজার, ঈদুল ফিতরের বাজার, কার্নিভাল বিক্রয় এবং সকল ধরণের সম্মেলন, আলোচনা সভা ইত্যাদির অনুমতি দেয়া হয়নি।
২.খেলাধুলা ভিত্তিক বিভিন্ন গন জমায়েত, শারীরিক সংস্পর্শ এবং সংক্রমণের অন্যান্য ঝুঁকির সাথে জড়িত ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপগুলো ফুটবল, রাগবি খেলা, সাঁতার এবং সমস্ত ইনডোর (অভ্যন্তরীণ) ক্রীড়া ইভেন্ট এবং স্টেডিয়ামগুলোর অনুমতি দেয়া হয়নি।
৩.বহিরাগত ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপগুলি যা শরীরের সংস্পর্শে জড়িত না এবং ছোট দলগুলিতে যেমন ব্যাডমিন্টন বা দর্শকদের ছাড়াই আউটডোর টেনিস খেলা, জগিং, সাইকেল চালানো, গল্ফ এবং 10 জনেরও বেশি ব্যক্তির দৌড়াদৌড়ি সামাজিক কারাগারের ভিত্তিতে অনুমোদিত।
৪.সামাজিক, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলি যেমন জনসাধারণের জমায়েত যেমন ফেস্ট, ওপেন হাউস, পাবলিক প্রাতঃরাশ, কনসার্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সরকারী এবং বেসরকারী বিভাগের মাসিক অ্যাসেমব্লির পাশাপাশি উদ্বোধন ও সমাবেশের সকল প্রকারের অনুমতি নেই।
৫.ধর্মীয় সভা, জুমার নামাজ এবং অন্যান্য সমস্ত জামাত বা মসজিদ, প্রার্থনা ঘর এবং উপাসনালয়ে সমাবেশের মতো ধর্মীয় কার্যক্রমেরও অনুমতি নেই।
৬.গ্রামে বা অন্য কোথাও আটকে থাকার পরে কাজে অংশ নেওয়া এবং দেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্য ব্যতীত আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণের অনুমতি নেই।
৭.ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া বা গ্রাম থেকে শহরে আসার ক্ষেত্রে এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশের বর্ডার ক্রস করা যাবেনা৷
৮.আজ অবধি, সমস্ত স্কুল, কলেজ এবং উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়া হয়নি।
এছাড়াও পাবলিক বাস, ট্রেন, ইত্যাদিতে চলাচলের ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্দিষ্ট দুরত্ব বজায় রাখতে।
উপরে যে বিষয়গুলোর নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে সেগুলো ব্যতীত বাকি সব কিছুই নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে শিথিল ও পুনরায় চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে। যে সেক্টর গুলো খোলা থাকবে তার উল্লেখযোগ্য কিছু খাতের বিষয় বস্তু নিম্নে দেয়া হল।
ব্যংক, পেট্রো পাম্প, গলফ, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, মার্কেট, ওয়ার্কশপ, কনস্ট্রাকশন/ নির্মাণ কাজ, ১টি কারে ২ জনের বেশি নয়, পোস্ট অফিস, লজিস্টিকস,ট্রান্সপোর্ট, জগিং/শরীর চর্চা তবে দকবদ্ধ হয়ে নয়, ইলেক্ট্রিক্যাল শপ, ফার্নিচার শপ, হার্ডওয়্যার দোকান, পশুপাখির চিকিৎসা কেন্দ্র/দোকান।
খাবার দোকান বা রেস্টুরেন্টে ব্যবসায়ের এসওপি অনুযায়ী চালিত হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরিচালনার মাধ্যমে গ্রাহকের নাম এবং ফোন নম্বর এবং আগমনের তারিখ রেকর্ড করে রাখতে নির্দেশ দেয়।
রেস্টুরেন্টে খাবার বেচাকেনার ক্ষেত্রে খুবই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আগের মত কয়েকজন একসাথে একই টেবিলে বসে খেতে পারবেনা। একটি টেবিলে সর্বোচ্চ ২ জন বা দুরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে সরকারের কড়া বিধিনিষেধ গুলো যেমন রেস্টুরেন্ট মালিক না মানলে বন্ধ বা লাইসেন্স বাতিল হতে পারে, ঠিক তেমনি কাস্টমার হিসেবে কোন ধরনের আইন লঙ্ঘন করলেও জরিমানা বা আইনের মুখোমুখি হতে পারেন আপনিও। সুতরাং খাবার দোকান গুলো একেবারে প্রয়োজন ছাড়া না যাওয়াই ভালো।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
শ্রমিকদের সাথে নিয়ে নতুন ৩টি কৌশলের মাধ্যমে হবে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি; প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
দুঃসংবাদঃ অবৈধ শ্রমিকদের চাকরি না দিতে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছে কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL)! বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (CMCO) বা শর্তসাপেক্ষে গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ যাকে মালয়ে ভাষায় PKPB বলা হচ্ছে। এই পি'কে'পি'বি'র অধীনে যে যে প্রতিষ্ঠান গুলো বা যেসব কিছু বন্ধ থাকবে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে
১.সিনেমা হল, থিয়েটার, কারাওকে সেন্টার, রিফ্লেক্সোলজি সেন্টার বা বডি মেসেজ সেন্টার, বিনোদন কেন্দ্র, নাইটক্লাব, থিম পার্ক, রমজান বাজার, ঈদুল ফিতরের বাজার, কার্নিভাল বিক্রয় এবং সকল ধরণের সম্মেলন, আলোচনা সভা ইত্যাদির অনুমতি দেয়া হয়নি।
২.খেলাধুলা ভিত্তিক বিভিন্ন গন জমায়েত, শারীরিক সংস্পর্শ এবং সংক্রমণের অন্যান্য ঝুঁকির সাথে জড়িত ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপগুলো ফুটবল, রাগবি খেলা, সাঁতার এবং সমস্ত ইনডোর (অভ্যন্তরীণ) ক্রীড়া ইভেন্ট এবং স্টেডিয়ামগুলোর অনুমতি দেয়া হয়নি।
৩.বহিরাগত ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপগুলি যা শরীরের সংস্পর্শে জড়িত না এবং ছোট দলগুলিতে যেমন ব্যাডমিন্টন বা দর্শকদের ছাড়াই আউটডোর টেনিস খেলা, জগিং, সাইকেল চালানো, গল্ফ এবং 10 জনেরও বেশি ব্যক্তির দৌড়াদৌড়ি সামাজিক কারাগারের ভিত্তিতে অনুমোদিত।
৪.সামাজিক, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলি যেমন জনসাধারণের জমায়েত যেমন ফেস্ট, ওপেন হাউস, পাবলিক প্রাতঃরাশ, কনসার্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সরকারী এবং বেসরকারী বিভাগের মাসিক অ্যাসেমব্লির পাশাপাশি উদ্বোধন ও সমাবেশের সকল প্রকারের অনুমতি নেই।
৫.ধর্মীয় সভা, জুমার নামাজ এবং অন্যান্য সমস্ত জামাত বা মসজিদ, প্রার্থনা ঘর এবং উপাসনালয়ে সমাবেশের মতো ধর্মীয় কার্যক্রমেরও অনুমতি নেই।
৬.গ্রামে বা অন্য কোথাও আটকে থাকার পরে কাজে অংশ নেওয়া এবং দেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্য ব্যতীত আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণের অনুমতি নেই।
৭.ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া বা গ্রাম থেকে শহরে আসার ক্ষেত্রে এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশের বর্ডার ক্রস করা যাবেনা৷
৮.আজ অবধি, সমস্ত স্কুল, কলেজ এবং উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়া হয়নি।
এছাড়াও পাবলিক বাস, ট্রেন, ইত্যাদিতে চলাচলের ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্দিষ্ট দুরত্ব বজায় রাখতে।
উপরে যে বিষয়গুলোর নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে সেগুলো ব্যতীত বাকি সব কিছুই নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে শিথিল ও পুনরায় চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে। যে সেক্টর গুলো খোলা থাকবে তার উল্লেখযোগ্য কিছু খাতের বিষয় বস্তু নিম্নে দেয়া হল।
ব্যংক, পেট্রো পাম্প, গলফ, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, মার্কেট, ওয়ার্কশপ, কনস্ট্রাকশন/ নির্মাণ কাজ, ১টি কারে ২ জনের বেশি নয়, পোস্ট অফিস, লজিস্টিকস,ট্রান্সপোর্ট, জগিং/শরীর চর্চা তবে দকবদ্ধ হয়ে নয়, ইলেক্ট্রিক্যাল শপ, ফার্নিচার শপ, হার্ডওয়্যার দোকান, পশুপাখির চিকিৎসা কেন্দ্র/দোকান।
খাবার দোকান বা রেস্টুরেন্টে ব্যবসায়ের এসওপি অনুযায়ী চালিত হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরিচালনার মাধ্যমে গ্রাহকের নাম এবং ফোন নম্বর এবং আগমনের তারিখ রেকর্ড করে রাখতে নির্দেশ দেয়।
রেস্টুরেন্টে খাবার বেচাকেনার ক্ষেত্রে খুবই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আগের মত কয়েকজন একসাথে একই টেবিলে বসে খেতে পারবেনা। একটি টেবিলে সর্বোচ্চ ২ জন বা দুরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে সরকারের কড়া বিধিনিষেধ গুলো যেমন রেস্টুরেন্ট মালিক না মানলে বন্ধ বা লাইসেন্স বাতিল হতে পারে, ঠিক তেমনি কাস্টমার হিসেবে কোন ধরনের আইন লঙ্ঘন করলেও জরিমানা বা আইনের মুখোমুখি হতে পারেন আপনিও। সুতরাং খাবার দোকান গুলো একেবারে প্রয়োজন ছাড়া না যাওয়াই ভালো।
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
শ্রমিকদের সাথে নিয়ে নতুন ৩টি কৌশলের মাধ্যমে হবে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি; প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
দুঃসংবাদঃ অবৈধ শ্রমিকদের চাকরি না দিতে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছে কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL)! বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে অভিবাসী কন্ঠ পেইজের সাথেই থাকুন
https://www.facebook.com/ovibashi/
https://www.facebook.com/ovibashi/


No comments