আবারও মালয়েশিয়ায় বড়সড় অভিযান, একদিনে ৭৮ বাংলাদেশীসহ ১৩৬৮ জন গ্রেফতার। বিস্তারিত পড়ুন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (JIM) গতকাল ১১ই মে কুয়ালালামপুর পাইকারি বাজার সেলায়াংয়ের আশেপাশে বেশি নাগরিকদের বাসভবন গুলোতে অভিযান চালিয়ে 1368 জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছিল। এই অভিযানে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের সাথে মালয়েশিয়ার পুলিশ (PDRM), রেলা (RELA), সশস্ত্র বাহিনী (ATM), মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (MOH), MKN এবং জেবিপিএম অংশ নিয়েছিল।
গতকাল বিভিন্ন বাহিনীর সর্বমোট ১৩৬৬ জন কর্মকর্তা ও সদস্য সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে এই যৌথ অভিযানে যোগ দিয়েছিল। সারাদিনভর চলা এই অভিযান মূলত বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশের (EMCO) মাধ্যমে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পরিচালনা করা হয় যেখানে মালয়েশিয়ার বৃহত পাইকারি বাজারটির আশেপাশের ভবন গুলো মূল টার্গেট ছিল।
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন দ্বারা পরিচালিত গতকালকের এই বড় অভিযান টিতে সর্বমোট 7551 জন অভিবাসীদের বিভিন্ন ভাবে যাচাই বাছাই করে সেখান থেকে ১৩৬৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফেডারেল টেরিটরি কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে ৪২১ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৭৮ জন বাংলাদেশী, ৫৪ জন ভারতীয় ৬ জন পাকিস্তানি এবং ৭৯০ জন মিয়ানমারেরসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছে এবং এর মধ্যে১০০৯ জন পুরুষ ও ৯৮ জন মহিলা রয়েছেন৷ তবে আটককৃত সবাই কোভিড-১৯ এর ভাইরাস মুক্ত ছিলেন। মালয়েশিয়ায় প্রবেশের কোন রেকর্ড নেই, ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘকাল অবস্থান করছেন, ভুয়া পাসপোর্ট বা ভুয়া ভিসা প্রদর্শনসহ অন্যান্য ইমিগ্রেশন পরিপন্থী অপরাধ রয়েছে গ্রেফতারকৃত সকলের মধ্যে।
ইমিগ্রেশন থেকে জানানো হয়েছে যে তাদের সবাইকে অভিবাসী পাচার-চোরাচালান আইন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৭৩ এর অধীনে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও কুয়ালালামপুরের বেশ কয়েকটি এলাকাতে EMCO এর অধীনে এই ধরনের বড়সড় অভিযানে বিপুলসংখ্যক অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় বিদেশী নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে সেসব এলাকায় ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে এই যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অবৈধদের ছেঁকে বের করে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে মালয়েশিয়ায় বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে অবৈধদের এভাবে গ্রেফতার করারও সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান। তবে সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব সাংবাদিকদের এসব অভিযোগের সদুত্তর দিয়েছেন।
তথ্যসূত্রঃ জীম
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
গতকাল বিভিন্ন বাহিনীর সর্বমোট ১৩৬৬ জন কর্মকর্তা ও সদস্য সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে এই যৌথ অভিযানে যোগ দিয়েছিল। সারাদিনভর চলা এই অভিযান মূলত বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশের (EMCO) মাধ্যমে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পরিচালনা করা হয় যেখানে মালয়েশিয়ার বৃহত পাইকারি বাজারটির আশেপাশের ভবন গুলো মূল টার্গেট ছিল।
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন দ্বারা পরিচালিত গতকালকের এই বড় অভিযান টিতে সর্বমোট 7551 জন অভিবাসীদের বিভিন্ন ভাবে যাচাই বাছাই করে সেখান থেকে ১৩৬৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফেডারেল টেরিটরি কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে ৪২১ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৭৮ জন বাংলাদেশী, ৫৪ জন ভারতীয় ৬ জন পাকিস্তানি এবং ৭৯০ জন মিয়ানমারেরসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছে এবং এর মধ্যে১০০৯ জন পুরুষ ও ৯৮ জন মহিলা রয়েছেন৷ তবে আটককৃত সবাই কোভিড-১৯ এর ভাইরাস মুক্ত ছিলেন। মালয়েশিয়ায় প্রবেশের কোন রেকর্ড নেই, ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘকাল অবস্থান করছেন, ভুয়া পাসপোর্ট বা ভুয়া ভিসা প্রদর্শনসহ অন্যান্য ইমিগ্রেশন পরিপন্থী অপরাধ রয়েছে গ্রেফতারকৃত সকলের মধ্যে।
ইমিগ্রেশন থেকে জানানো হয়েছে যে তাদের সবাইকে অভিবাসী পাচার-চোরাচালান আইন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৭৩ এর অধীনে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও কুয়ালালামপুরের বেশ কয়েকটি এলাকাতে EMCO এর অধীনে এই ধরনের বড়সড় অভিযানে বিপুলসংখ্যক অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় বিদেশী নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে সেসব এলাকায় ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে এই যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অবৈধদের ছেঁকে বের করে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে মালয়েশিয়ায় বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে অবৈধদের এভাবে গ্রেফতার করারও সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান। তবে সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব সাংবাদিকদের এসব অভিযোগের সদুত্তর দিয়েছেন।
তথ্যসূত্রঃ জীম
এই নিউজ গুলোও পড়তে পারেন
👇
বাংলাদেশীসহ ৭ জন করোনা রোগী কুয়ালালামপুর চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছে৷ পড়ুন বিস্তারিত
👇
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের নতুন ফাঁদ, পালানোর পথ নেই অবৈধদের। বিস্তারিত পড়ুন।
👍
মালয়েশিয়ার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে অভিবাসী কন্ঠ পেইজের সাথেই থাকুন
https://www.facebook.com/ovibashi/
https://www.facebook.com/ovibashi/


No comments