মালয়েশিয়ার জল সীমান্তে ৩৯৯ অবৈধ অভিবাসী, ১০৮ জন নৌকাচালক ও ১১ জন চোরাকারবারি গ্রেফতার
গত ১লা মে থেকে গত ৭ই জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়াতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টার বিরুদ্ধে ওপি বেন্টেং এর অধীনে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে ৩৯৯জন অবৈধ অভিবাসী ও ১০৮টি নৌকা চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিনিয়র মন্ত্রী (প্রতিরক্ষা), দাতুশ্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব বলেছেন,
আইনশৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ ১১ জন সন্দেহভাজন চোরাকারবারি ও ১৩ টি নৌকা জব্দ করেছে।
একই সময়কালে, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১৪০ জন অবৈধ অভিবাসী, ছয় জন নৌকা চালক এবং আরও ২২ টি নৌকাকেও ফিরিয়ে দিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপগুলি অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। গত ৮ই জুন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসমাইল সাবরি বলেছিলেন, দেশে বিদেশিদের প্রবেশের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রয়াসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি জালান তিকুস বা ইঁদুরের মত প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টানেল গুলোতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকল প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। মালয়েশিয়াতে রোহিঙ্গাদের ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ অপারেশন OP Benteng পরিচালনা করছে দায়িত্বে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।
এদিকে গতকাল ৯ই জুন, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার দৈনিক মিডিয়া সম্মেলনে বলেন, আমরা এবার নিশ্চিত করব যে, আমরা তাদের বাংলাদেশ ও অন্যান্য তৃতীয় দেশে প্রেরণ করব।
২৬৯ জন রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এইসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করে। এটি সত্য যে, গতকাল সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার বিবৃতিতে
বলেছিলেন যে, তারা আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলতে নৌকা নিয়ে জলসীমায় প্রবেশ করে।
তারা যখন দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের মাঝখানে ভাসতে থাকে, নৌকা ডুবিতে অনেকের মৃত্যু হয়। মালয়েশিয়া সীমানায় প্রবেশ করতে গেলে তাদেত বাধা দেয়া হয়। তাদের নৌকা গুলো যখন সমুদ্রের দিকে ছেড়ে যায় তখন মানবিক কারণেই তাদের রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ প্রবল জলশ্রোতে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হতে পারে। তিনি বলেছিলেন যে সরকার শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারা আমাদের দেশে থাকবে না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে বাংলাদেশের সাথে আলোচনা করতে বলব। যদি কক্সবাজার থেকে আগত শরণার্থীরা মালয়েশিয়া প্রবেশ করে তাহলে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত ভাশান চর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
আইনশৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ ১১ জন সন্দেহভাজন চোরাকারবারি ও ১৩ টি নৌকা জব্দ করেছে।
একই সময়কালে, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১৪০ জন অবৈধ অভিবাসী, ছয় জন নৌকা চালক এবং আরও ২২ টি নৌকাকেও ফিরিয়ে দিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপগুলি অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। গত ৮ই জুন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসমাইল সাবরি বলেছিলেন, দেশে বিদেশিদের প্রবেশের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রয়াসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি জালান তিকুস বা ইঁদুরের মত প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টানেল গুলোতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকল প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। মালয়েশিয়াতে রোহিঙ্গাদের ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ অপারেশন OP Benteng পরিচালনা করছে দায়িত্বে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।
এদিকে গতকাল ৯ই জুন, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার দৈনিক মিডিয়া সম্মেলনে বলেন, আমরা এবার নিশ্চিত করব যে, আমরা তাদের বাংলাদেশ ও অন্যান্য তৃতীয় দেশে প্রেরণ করব।
২৬৯ জন রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এইসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করে। এটি সত্য যে, গতকাল সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার বিবৃতিতে
বলেছিলেন যে, তারা আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলতে নৌকা নিয়ে জলসীমায় প্রবেশ করে।
তারা যখন দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের মাঝখানে ভাসতে থাকে, নৌকা ডুবিতে অনেকের মৃত্যু হয়। মালয়েশিয়া সীমানায় প্রবেশ করতে গেলে তাদেত বাধা দেয়া হয়। তাদের নৌকা গুলো যখন সমুদ্রের দিকে ছেড়ে যায় তখন মানবিক কারণেই তাদের রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ প্রবল জলশ্রোতে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হতে পারে। তিনি বলেছিলেন যে সরকার শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারা আমাদের দেশে থাকবে না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে বাংলাদেশের সাথে আলোচনা করতে বলব। যদি কক্সবাজার থেকে আগত শরণার্থীরা মালয়েশিয়া প্রবেশ করে তাহলে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত ভাশান চর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হবে।


No comments