মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিক বাদ দিয়ে, স্থানীয়দের দুই হাজার রিঙ্গিতের বেতন অফার করছে ব্যবসায়ীরা
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের পেতালিং জায়া এলাকার জালান ওথমানের বড় কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা স্থানীয়দের ২ হাজার রিঙ্গিত বেতনের চাকরি অফার করছে। পেতালিং জায়ার এই বাজারটি পিজে ওল্ড টাউন কাঁচা বাজার নামে সর্বাধিক পরিচিত।
সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের কারণে পুরো এলাকায় অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিদেশিদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি হওয়ার ফলে পুরো মালয়েশিয়াতেই নির্দিষ্ট রেডজোন চিহ্নিত অঞ্চল গুলোতে কোভিড-১৯ টেস্ট করার পর একে একে সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু বাজার গুলোতে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা স্থানীয় নাগরিকদের বেশি বেতনে চাকরিতে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশি শুন্য হওয়ায় বাজারটিতে প্রায় ৫০০ টি দোকানে ১০০০ কর্মপদ খালি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মালয়েশিয়ান নাগরিকদের এই শূন্য পদ গুলো পূরণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। এই বাজারে ভোর ৩ টা থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা কাজ করতে হয়। আর বাজারের দোকান গুলোতে কর্মী না থাকায় সংকটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আমরা স্থানীয়দের কাজে নিয়োগ দিতে চাই, সাধারণ ব্যাসিক বেতনের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি দিতে ইচ্ছুক। দৈনিক মজুরি ৭০-৮০ রিঙ্গিত এর ভিতরে হবে। ইতিপূর্বে কঠোর পরিশ্রম এবং অতিরিক্ত লম্বা সময় ধরে কাজ করতে হত বিধায় আমরা স্থানীয়দের কাজ দিতে পারিনি। পিজে ওল্ড টাউন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি রাজা রত্নম, দি স্টার অনলাইনকে জানিয়েছেন এসব তথ্য। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন যে, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কেও তারা চাকরিতে যোগদানের জন্য স্বাগত জানিয়েছে।
সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা সোকসো এবং কর্মচারী প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধাও প্রধান করা হবে। আরও বলা হয়েছে যে, আগ্রহী প্রার্থীরা মার্কেট চলাকালীন যে কোন সময়ে ইন্টারভিউ দিতে আসতে পারে। এলাকাটিতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কারণে পুরো এলাকা রেডজোন ঘোষণা করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল এবং সেখানে থাকা অবৈধদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। যেকারণে কর্মচারী শুন্য হয়ে পড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো।
মালয়েশিয়ার পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেই ৬ লাখ বেকার হয়ে পড়েছে যার ফলে মোট বেকারত্বের হার ১৭% তে বেড়ে গেছে।
উল্লেখ্য এর আগে মালয়েশিয়ার ফেডারেল টেরিটোরি মন্ত্রি কাঁচাবাজার গুলোতে বিদেশি কর্মীদের চাকরি না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের কারণে পুরো এলাকায় অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিদেশিদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি হওয়ার ফলে পুরো মালয়েশিয়াতেই নির্দিষ্ট রেডজোন চিহ্নিত অঞ্চল গুলোতে কোভিড-১৯ টেস্ট করার পর একে একে সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু বাজার গুলোতে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা স্থানীয় নাগরিকদের বেশি বেতনে চাকরিতে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশি শুন্য হওয়ায় বাজারটিতে প্রায় ৫০০ টি দোকানে ১০০০ কর্মপদ খালি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মালয়েশিয়ান নাগরিকদের এই শূন্য পদ গুলো পূরণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। এই বাজারে ভোর ৩ টা থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা কাজ করতে হয়। আর বাজারের দোকান গুলোতে কর্মী না থাকায় সংকটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আমরা স্থানীয়দের কাজে নিয়োগ দিতে চাই, সাধারণ ব্যাসিক বেতনের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি দিতে ইচ্ছুক। দৈনিক মজুরি ৭০-৮০ রিঙ্গিত এর ভিতরে হবে। ইতিপূর্বে কঠোর পরিশ্রম এবং অতিরিক্ত লম্বা সময় ধরে কাজ করতে হত বিধায় আমরা স্থানীয়দের কাজ দিতে পারিনি। পিজে ওল্ড টাউন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি রাজা রত্নম, দি স্টার অনলাইনকে জানিয়েছেন এসব তথ্য। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন যে, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কেও তারা চাকরিতে যোগদানের জন্য স্বাগত জানিয়েছে।
সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা সোকসো এবং কর্মচারী প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধাও প্রধান করা হবে। আরও বলা হয়েছে যে, আগ্রহী প্রার্থীরা মার্কেট চলাকালীন যে কোন সময়ে ইন্টারভিউ দিতে আসতে পারে। এলাকাটিতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কারণে পুরো এলাকা রেডজোন ঘোষণা করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল এবং সেখানে থাকা অবৈধদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। যেকারণে কর্মচারী শুন্য হয়ে পড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো।
মালয়েশিয়ার পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেই ৬ লাখ বেকার হয়ে পড়েছে যার ফলে মোট বেকারত্বের হার ১৭% তে বেড়ে গেছে।
উল্লেখ্য এর আগে মালয়েশিয়ার ফেডারেল টেরিটোরি মন্ত্রি কাঁচাবাজার গুলোতে বিদেশি কর্মীদের চাকরি না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।


No comments