বাংলাদেশ হাইকমিশন অবৈধদের বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কারাগারে বন্দী অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পর আক্রান্তদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা সেবা ও তদারকি করার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন সহ অন্যান্য দেশের হাইকমিশন গুলো থেকে মালয়েশিয়ার সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামাকে দেয়া এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, ইমিগ্রেশন কারাগারে আটক বন্দীদের আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা কর্তৃপক্ষ এখনো জানাতে পারেনি কারণ তারা এখনো সঠিক তথ্যের যাচাই-বাছাই করছে। আমরা প্রতিনিয়ত তাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর আক্রান্তদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে যাচ্ছি। আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে মানবিক দৃষ্টিতে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহনের জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
হাইকমিশন জানিয়েছে যে, বৈধ ও অবৈধ সকল অভিবাসীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ার সরকার প্রশংসনীয় কাজ করেছে যা আরও অভিবাসীদের কোভিড-১৯ এর সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কোভিড-১৯ টেস্ট করতে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে উৎসাহ দান করেছে। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই মালয়েশিয়া সরকার বৈধ অবৈধ সকল অভিবাসীদের হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছিল যা মহামারী পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী ও চিন্তাশীল সিদ্ধান্ত, আমরা এর প্রশংসা করি।
হাই কমিশন জানিয়েছে যে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এটি সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং এজেন্সিগুলির সাথে নিবিড়ভাবে সহযোগিতা নিয়ে কাজ করছে এবং তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের প্রশংসা করছে। বিশেষতবেই মহামারী পরিস্থিতিতে একসাথে কাজ করা জরুরী। অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাইকমিশন উভয় দেশের নিয়মনীতি অনুসারে কাজ করবে৷ উভয় সরকার আইনি কাঠামোর মধ্যে অভিবাসীদের চিকিৎসা ও কোভিড-১৯ দ্বার সৃষ্ট পরিস্থিতি সমাধান ও বন্দী অবৈধদের ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ মালয়েশিয়ার সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
![]() |
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামাকে দেয়া এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, ইমিগ্রেশন কারাগারে আটক বন্দীদের আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা কর্তৃপক্ষ এখনো জানাতে পারেনি কারণ তারা এখনো সঠিক তথ্যের যাচাই-বাছাই করছে। আমরা প্রতিনিয়ত তাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর আক্রান্তদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে যাচ্ছি। আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে মানবিক দৃষ্টিতে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহনের জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
হাইকমিশন জানিয়েছে যে, বৈধ ও অবৈধ সকল অভিবাসীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ার সরকার প্রশংসনীয় কাজ করেছে যা আরও অভিবাসীদের কোভিড-১৯ এর সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কোভিড-১৯ টেস্ট করতে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে উৎসাহ দান করেছে। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই মালয়েশিয়া সরকার বৈধ অবৈধ সকল অভিবাসীদের হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছিল যা মহামারী পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী ও চিন্তাশীল সিদ্ধান্ত, আমরা এর প্রশংসা করি।
হাই কমিশন জানিয়েছে যে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এটি সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং এজেন্সিগুলির সাথে নিবিড়ভাবে সহযোগিতা নিয়ে কাজ করছে এবং তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের প্রশংসা করছে। বিশেষতবেই মহামারী পরিস্থিতিতে একসাথে কাজ করা জরুরী। অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাইকমিশন উভয় দেশের নিয়মনীতি অনুসারে কাজ করবে৷ উভয় সরকার আইনি কাঠামোর মধ্যে অভিবাসীদের চিকিৎসা ও কোভিড-১৯ দ্বার সৃষ্ট পরিস্থিতি সমাধান ও বন্দী অবৈধদের ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ মালয়েশিয়ার সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।


No comments