কলিং ভিসা নয় পুরোনো শ্রমিক পুনঃস্থাপনের প্রক্রিয়া চালু করতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার
কলিং ভিসায় নয় বরং মালয়েশিয়ায় প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
মালয়েশিয়ায় কর্মী পুনঃস্থাপনে আগের বাতিল হওয়া পুরানো প্রক্রিয়া আবার কার্যকর হচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকে বিদেশি কর্মীদের পুনঃস্থাপন প্রক্রিয়া চালু করার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে দেশটির সরকার।
শুক্রবার দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে কলিং ভিসা চালু হবে কিনা সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি মন্ত্রণালয়।
মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোম্পানি থেকে কোনো কর্মী নিজ দেশে চলে গেলে তার স্থলে কর্মী নিয়োগ করা যাবে।মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে মালয়েশিয়া সরকার ২০১৭ সালে স্থগিত করা পদ্ধতির পুনঃস্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। সরকার বিশ্বাস করে, এই পদ্ধতিতে মালয়েশিয়াতে বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি হবেনা বরং মালিকদের জন্য তার কোম্পানিতে কর্মীদের আগের (অনুমোদিত কোটা) সংখ্যাটি বজায় থাকবে।
শিল্প কারখানাগুলোতে চলমান শ্রমিক সংকট সমাধান ও রপ্তানি অব্যাহত রাখার জন্য এ স্বীদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, শ্রমিক প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়াকে পুঁজি করে কতিপয় দালাল চক্র যাতে কোন প্রতারণা করতে না পারে সে জন্য কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তথ্যসূত্রঃ মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা 'বারনামা'
Report by: Md Sarowar Hossain
মালয়েশিয়ায় কর্মী পুনঃস্থাপনে আগের বাতিল হওয়া পুরানো প্রক্রিয়া আবার কার্যকর হচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকে বিদেশি কর্মীদের পুনঃস্থাপন প্রক্রিয়া চালু করার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে দেশটির সরকার।
শুক্রবার দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে কলিং ভিসা চালু হবে কিনা সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি মন্ত্রণালয়।
মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোম্পানি থেকে কোনো কর্মী নিজ দেশে চলে গেলে তার স্থলে কর্মী নিয়োগ করা যাবে।মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে মালয়েশিয়া সরকার ২০১৭ সালে স্থগিত করা পদ্ধতির পুনঃস্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। সরকার বিশ্বাস করে, এই পদ্ধতিতে মালয়েশিয়াতে বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি হবেনা বরং মালিকদের জন্য তার কোম্পানিতে কর্মীদের আগের (অনুমোদিত কোটা) সংখ্যাটি বজায় থাকবে।
শিল্প কারখানাগুলোতে চলমান শ্রমিক সংকট সমাধান ও রপ্তানি অব্যাহত রাখার জন্য এ স্বীদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, শ্রমিক প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়াকে পুঁজি করে কতিপয় দালাল চক্র যাতে কোন প্রতারণা করতে না পারে সে জন্য কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তথ্যসূত্রঃ মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা 'বারনামা'
Report by: Md Sarowar Hossain


No comments