জরুরি ফি দিয়ে মিলবে ই পাসপোর্ট, মাত্র ৩ দিনেই।
মাত্র ৩ দিনেই জরুরী ফি জমা দিয়েই গ্রাহক পাবেন ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট।
এই পাসপোর্ট এর মেয়াদ করা হয়েছে ১০ বছর। আগের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশন করার পরই গ্রাহক তার পাসপোর্ট হাতে পাবে। এই ই-পাসপোর্টে থাকছেনা কোন সত্যায়ন করা ঝামেলা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট এর মেয়াদ, আবেদন ফরম ও ফি নির্ধারণ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। আর সেই পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। খুব দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।।
পরিপত্রে বলা হয়েছে যে,, ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না। অত্যাধুনিক এই পাসপোর্টের ফরমে প্রার্থীর কোনো ছবিও যুক্ত করতে হবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী অর্থাৎ যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই সেক্ষেত্রে তার মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সংযুক্ত করতে হবে।
যাদের বয়স ১৮ বছরের এর নিচে তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিয়ে আবেদন করা গেলেও ১৮ বছরের হলে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন করা যাবে। কিন্তু ১৮ বছরের ওপরে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ফরমের ব্যক্তিগত তথ্য অংশে শুধু বাবা, মা, অভিভাবক, নির্ভরশীলের নাম, পেশা ও জাতীয়তার তথ্য চাওয়া হতো। তবে ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারণ করা আবেদন ফরমের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও দেয়া লাগবে।।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায় যে, ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে। ৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টে ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ৫ হাজার টাকা।,
৫ বছরের পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে জরুরি ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ৭ হাজার টাকা। পাঁচ বছরের অতি জরুরি পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে সাত হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা ফি ব্যাংক ড্রাফট জমা দিতে হবে।,
এই পাসপোর্ট এর মেয়াদ করা হয়েছে ১০ বছর। আগের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশন করার পরই গ্রাহক তার পাসপোর্ট হাতে পাবে। এই ই-পাসপোর্টে থাকছেনা কোন সত্যায়ন করা ঝামেলা।
![]() |
| জরুরি ফি দিয়ে মিলবে ই পাসপোর্ট, মাত্র ৩ দিনেই। |
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট এর মেয়াদ, আবেদন ফরম ও ফি নির্ধারণ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। আর সেই পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। খুব দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।।
পরিপত্রে বলা হয়েছে যে,, ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না। অত্যাধুনিক এই পাসপোর্টের ফরমে প্রার্থীর কোনো ছবিও যুক্ত করতে হবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী অর্থাৎ যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই সেক্ষেত্রে তার মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সংযুক্ত করতে হবে।
যাদের বয়স ১৮ বছরের এর নিচে তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিয়ে আবেদন করা গেলেও ১৮ বছরের হলে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন করা যাবে। কিন্তু ১৮ বছরের ওপরে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ফরমের ব্যক্তিগত তথ্য অংশে শুধু বাবা, মা, অভিভাবক, নির্ভরশীলের নাম, পেশা ও জাতীয়তার তথ্য চাওয়া হতো। তবে ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারণ করা আবেদন ফরমের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও দেয়া লাগবে।।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায় যে, ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে। ৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টে ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ৫ হাজার টাকা।,
৫ বছরের পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে জরুরি ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য ৭ হাজার টাকা। পাঁচ বছরের অতি জরুরি পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে সাত হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা ফি ব্যাংক ড্রাফট জমা দিতে হবে।,


No comments