বাংলাদেশের ৩১৫৫ জন সহ ৪৪৯৫১ জন অভিবাসী মালয়েশিয়ায় আজীবন কালো তালিকাভুক্ত,

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বমোট ৪৪,৯৪১ টুরিস্ট মালয়েশিয়া থেকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা ইমিগ্রেশনের আইন অমান্য করে ভিজিট ভিসায় এসে তাদের নিজ দেশে ফেরত যায়নি। Not To Land (NTL) Means blacklist forever
Malaysia immigration DG Datuk Khairul Dzaimi   

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বমোট ৪৪,৯৪১ টুরিস্ট মালয়েশিয়া থেকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা ইমিগ্রেশনের আইন অমান্য করে ভিজিট ভিসায় এসে তাদের নিজ দেশে ফেরত যায়নি। 

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাযাইমি দাউদ বলেছেন, এই সকল ভিজিটরগন মালয়েশিয়া প্রবেশের সকল সুবিধা হারিয়ে ফেলেছেন, তারা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন নিয়ম ভঙ্গ করেছেন, তারা নিজেদের প্রকৃত টুরিস্ট প্রমান করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের সবাইকে আজীবনের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যা ইমিগ্রেশ Not To Land (NTL) বলে অভিহিত করে।


 তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে সর্বাধিক দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল যা 20,676, তার পরে ভারত (6,398), চীন (4,793), বাংলাদেশ (3,155), মায়ানমার (2,445) এবং বাকী অন্যান্য দেশ থেকে এসেছেন।

  যদি কোনও ব্যক্তির মালয়েশিয়াতে আগমন প্রশ্নবিদ্ধ হয় বা বিশেষত দেশের প্রধান প্রবেশপথে প্রবেশের শর্ত পূরণ না করে তার বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃক,কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

এমনকি যাদের ভিসা বা বৈধ কাগজপত্র  রয়েছে, তাদের জন্য থাকার ব্যবস্থা বা হোটেল বুকিং ও ফেরতের টিকিট বুকিংয়ের পাশাপাশি দেশে থাকার জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন আছে কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখব। তারা যাতে কালো তালিকাভুক্ত না হয় এবং কোনও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত না ছিল তা নিশ্চিত করার জন্য আরও তদন্তও করা হয়েছে।

  তিনি বলেছিলেন যে, ইমিগ্রেশন এর সকল নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হলে ইমিগ্রেশন কারো সাথে আপোস করবে না এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।

দেশের প্রধান প্রবেশপথের নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষার স্তরটি আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় আগামী বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপনের জন্য  ২ কোটি রিঙ্গিত বরাদ্দ করেছে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.