আবারও যৌথ অভিযানে বাংলাদেশি ৫৪ জন সহ ২৫৮ জন অবৈধ অভিবাসী আটক

ইমিগ্রেশন বিভাগ সারাদেশে একযোগে মালয়েশিয়ার   সড়ক বিভাগের (জেপিজে) সাথে যৌথ অভিযান চালিয়ে ৫২৮৫ জনকে বিভিন্ন পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে ২৩৮ জনকে আটক করা হয়। ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক ইন্দেরা খাইরুল জাইমি বিন দাউদ বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৫৮ জন মিয়ানমার এর নাগরিক, ৫৪ জন বাংলাদেশী, ৫ জন ইন্দোনেশিয়ান, ২৩ জন পাকিস্তানি এবং ২১ জন ফিলিপিনো রয়েছেন। বাকি ২৬ জন বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলে জানিয়েছেন তিনি।
immigration and JPJ Press conference, অভিবাসী কন্ঠ
রিপোর্টঃ মোঃ সারোয়ার  হোসেন (০৫.১২.২০১৯)

ইমিগ্রেশন বিভাগ সারাদেশে একযোগে মালয়েশিয়ার   সড়ক বিভাগের (জেপিজে) সাথে যৌথ অভিযান চালিয়ে ৫২৮৫ জনকে বিভিন্ন পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে ২৩৮ জনকে আটক করা হয়।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক ইন্দেরা খাইরুল জাইমি বিন দাউদ বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৫৮ জন মিয়ানমার এর নাগরিক, ৫৪ জন বাংলাদেশী, ৫ জন ইন্দোনেশিয়ান, ২৩ জন পাকিস্তানি এবং ২১ জন ফিলিপিনো রয়েছেন। বাকি ২৬ জন বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলে জানিয়েছেন তিনি।


তাঁর মতে, সবাইকে ইমিগ্রেশন আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বেশিরভাগই কোনরকম কাগজপত্র ছাড়াই মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন, কারো কারো ভিসা শেষ হয়ে গিয়েছে কিন্তু দেশে ফিরে যায়নি। 
 তিনি আরও বলেন এই  যৌথ অভিযান জেপিজের সাথে গত সোমবার ২ ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে শুরু হয়ে গতকাল বুধবার ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে শেষ হয়।

এই অভিযানটি অবৈধদের আটক করার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ার ৭১ টি স্থানে রোড ব্লক দিয়ে বিদেশিদের পরীক্ষা করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।  সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন বিভাগের (জেপিজে) মহাপরিচালক দাতুক সেরি শাহারুদ্দিন খালিদ।

উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে শাহারুদ্দিন খালিদ বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় আমরা যে অপরাধ গুলো পাই তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপরাধ হচ্ছে, বিদেশিরা বানিজ্যিক যানবাহন চালায় কিন্তু লাইসেন্স বা সড়কে গাড়ি চালানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে রাখেনা বা লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি চালাতে দেখা যায়। তারমধ্যে অনেকের আবার বৈধ ভিসা বা কাগজপত্রই থাকেনা।

তিনি আরও বলন,আমি এখানে জোর দিয়ে বলতে চাই যে বিদেশীদের দেশে বাণিজ্যিক যানবাহন চালানোর অনুমতি নেই। এটি একটি গুরুতর অপরাধ বলে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, মেয়াদোত্তীর্ণ মোটর গাড়ির লাইসেন্স এবং সড়ক পরিবহন আইন এবং ভূমি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আইন অনুসারে অন্যান্য অপরাধগুলিও চিহ্নিত করা হয়েছিল।

 ভবিষ্যতে আরও যৌথ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি ইমিগ্রেশন বিভাগকে সাথে থাকার অনুরোধ জানান।

সুত্রঃ সিনার হারিয়ান (মালয়েশিয়া দৈনিক)

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.